সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

বিবাহ বিষয়ে মিথ্যাচারী আগ্রাসন: মুসলমানদের মনস্তাত্ত্বি¡ক দুর্গে আক্রমণ


মনস্তাত্ত্বি¡ক বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একজন কঠিন রোগাক্রান্ত লোককে মানসিক সান্তনা দিয়ে অনেকদিন টিকিয়ে রাখা যেতে পারে। তেমনি একজন সুস্থ লোককে মিথ্যা রোগাক্রান্তের কথা বলে জীবন ধ্বংস করা দেয়া যায়।

ইহুদী-নাছারা এবং তাদের দোসর উলামায়ে ‘সূ’ ইসলামী বেশধারী মুনাফিক ও গুমরাহ শাসকরা একত্র হয়ে পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে ঠিক একইভাবে বিভিন্ন মিডিয়ার (সংবাদপত্র, টেলিভিশন, টক শো, জার্নাল, আর্টিকেল, উপন্যাস, গল্প, সিনেমা, ইত্যাদি) মাধ্যমে ক্রমাগত মিথ্যা, বিভ্রান্তিমূলক কথা বলে মুসলমানদের ইসলামী বিষয়গুলোর প্রতি নেতিবাচক ধারণা তৈরি করে এগুলোর প্রতি হীনম্মন্যতা, অনীহা, অনাগ্রহ তৈরির অপচেষ্টা করে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে সফলতাও অর্জন করে। যার ফলে একজন মুসলমান ইসলামী বিষয়গুলো পালনে হীনম্মন্যতায় ভুগে আর বেদ্বীনী-বদদ্বীনী কালচার পালনে স্বাচ্ছন্দ অনুভব করে।

এর পিছনে মূল কারণ হচ্ছে- মুসলমানদের ক্রমাগত হারাম কাজ করার কারণে ঈমানী কুওওয়ত নষ্ট হয়ে মনস্তাত্ত্বি¡কভাবে দুর্বল হয়ে যাওয়া। নিচে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইহুদী-নাছারাদের মিথ্যাচারী আগ্রাসনের ফলে মুসলমানদের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা আলোচনার চেষ্টা করবো। ইনশাআল্লাহ!
১. বাল্যবিবাহ- বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু মুসলমান সমাজ বাল্যবিবাহকে একটি সামাজিক অপরাধ মনে করে। নাউযুবিল্লাহ! এমনকি বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন চালু করেছে।

ইহুদী-নাছারা এবং তাদের দোসর উলামায়ে ‘সূ’, ইসলামী বেশধারী মুনাফিক ও গুমরাহ শাসকরা মিডিয়ার মাধ্যমে এবং তাদের পা-চাটা ডাক্তারদের মাধ্যমে বাল্যবিবাহের শারীরিক অপকারিতা, সামাজিক অপকারিতার নামে মিথ্যাচারের মাধ্যমে মুসলমানদের মগজে বাল্যবিবাহের প্রতি নেতিবাচক ধারণা তৈরি করেছে।

কিন্তু ইহুদী-নাছারাদের দেশেই মেয়েরা খুব অল্প বয়স থেকেই অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করে, মা হয়। এছাড়া কুমারী মাতা, সিঙ্গেল মাদার এসমস্ত জঘন্য পাপের কাজগুলোকে তাদের সমাজে ডাল-ভাতের মতো স্বাভাবিক করে ফেলেছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, কোনো বিধর্মীদের দেশে বাল্যবিবাহ বিবাহ নিরোধ আইন নেই।
২. বহুবিবাহ- ইনসাফ করতে পারলে ৪ জন স্ত্রী রাখা জায়িয রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে- একজন লোকের দুই স্ত্রী থাকলেই সমাজের লোকেরা স্বাভাবিকভাবে নেয় না। অর্থাৎ বর্তমান মুসলমানদের মগজের ভিতরে বহুবিবাহের প্রতি বিরূপ ধারণা তৈরি করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু ইহুদী-নাছারাদের দেশে লিভ টুগেদার, অবৈধ সম্পর্ক, সমকামিতা ইত্যাদি বিকৃত যৌনাচারগুলো নিয়ে তারা টু শব্দটাও করে না। বিয়ের আগে ২/১ টা বাচ্চা হওয়া তাদের দেশে প্রথায় পরিণত হয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ!

৩. হিল্লা বিবাহ- হিল্লা বিবাহ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার একটি বিধান। কিন্তু বর্তমান মুসলমান সমাজে হিল্লা বিবাহকে কি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয় তা বলার অপেক্ষাই রাখে না। অনেকেই হিল্লা বিবাহকে অবহেলা করে তালাক প্রাপ্তাস্ত্রীকে নিয়ে আবার সংসার করে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু ইহুদী-নাছারাদের বউ বদলের মতো জঘন্য কালচার প্রচলিত আছে, সেটা নিয়ে কোনো সমালোচনা নেই।

৪. তালাক- তালাক বিষয়ে বর্তমান মুসলিম সমাজে কিছু বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচলিত আছে, যা মূলত উলামায়ে ‘সূ’রা প্রচলন করেছে। যেমন: রাগের মাথায় তালাক দিলে তালাক হয় না, তিন তালাকে এক তালাক হয়, তালাক মুখে বললে হবে না, লিখিতভাবে তালাক দিতে হয়। অথচ এগুলোর প্রত্যেকটি শরয়ী বিধানের খিলাফ।

সুতরাং বিবাহ সংক্রান্ত ইসলামের মাসয়ালাগুলো সবাইকে ভালোভাবে জানতে হবে এবং ইহুদী-নাছারা এবং তাদের দোসর উলামায়ে ‘সূ’, ইসলামী বেশধারী মুনাফিক ও গুমরাহ শাসকদের ষড়যন্ত্র থেকে বেঁচে থাকতে হবে।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে