বিশ্বের সবচাইতে বেশি নারী নির্যাতন এবং নারী অধিকার খর্ব করে যে সব দেশ


১. সম্ভ্রমহরণ ও শ্লীলতাহানি হয়রানি:
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ৪৫ সেকেন্ডে সম্ভ্রমহরণের শিকার হয় একজন নারী আর বছরে এই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় সাড়ে ৭ লাখে। (সূত্র: দি আগলি ট্রুথ, লেখক মাইকেল প্যারেন্টি)। আর ব্রিটেনে প্রতি ২০ জনের মধ্যে একজন নারী ধর্ষিত হয়।
২. পর্নোগ্রাফি ইন্ডাস্ট্রির নির্যাতন:
যুক্তরাষ্ট্রের পর্নোগ্রাফি ইন্ডাস্ট্রির বার্ষিক রাজস্ব সে দেশের বহুল প্রচারিত ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবিসি, সিবিএস এবং এনবিসির প্রদত্ত মোট রাজস্বের চাইতেও বেশি (৬.২ বিলিয়ন ডলার)।
৩. কর্মক্ষেত্রে হয়রানি:
মিডিয়া ও সরকারি তথ্যানুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর ৪০-৬০ শতাংশ নারী কর্মক্ষেত্রে শ্লীলতাহানির শিকার হয়। ইউরোপিয়ান উইমেনস লবির প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী যুক্তরাজ্যেও ৪০-৫০ শতাংশ নারী শ্লীলতাহানির শিকার হয়।
৪. পারিবারিক সহিংসতা:
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ১৮ সেকেন্ডে একজন নারী স্বামী কর্তৃক প্রহƒত হয়। ইউএস জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর ৯ লাখ ৬০ হাজার পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা ঘটে।
৫. অবৈধ গর্ভধারণ:
যুক্তরাষ্ট্রের গুটম্যাচার ইনস্টিটিউটের প্রদত্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর ১৫-১৭ বছর বয়সী মেয়েদের মধ্যে প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার অবিবাহিত কিশোরী গর্ভবতী হয়। আর সেদেশের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে বছরে ১ লাখ ১৩ হাজার কিশোরী গর্ভধারণ করে।
৬. কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক নির্যাতন:
ইউএস গভর্মেন্ট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অফিসের জরিপ থেকে দেখা যায়, শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা বিভাগের মোট কর্মচারীর প্রায় ৭০ ভাগ নারী হলেও নারী ব্যবস্থাপকরা পুরুষের চাইতে কম অর্থ পায়। পশ্চিমের দেশগুলোতে নারীরা শুধু দুটি পেশায় পুরুষদের চাইতে বেশি উপার্জন করে, তার একটি হচ্ছে মডেলিং আর অন্যটি হচ্ছে পতিতাবৃত্তি।
পাঠক! আমি যখন এই লেখার তথ্যগুলো সংগ্রহ করছিলাম, আপনাদের মত আমিও আশ্চর্য হচ্ছিলাম। বার বার মনে পড়ছিলো এই বাক্যটি- ‘চোরের মা’র বড় গলা।’ এই বিধর্মী কাফিরগুলো সারাদিন যত অপকর্ম করে বেড়ায়, আবার ঠিকই কথিত ‘নারী অধিকার’ নিয়ে বড় বড় বুলিও আওড়ায়। আর একশ্রেণীর মুসলমানও আছে যারা কিনা বিধর্মী হ্যমিলনের বাঁশির পিছনে পিছনে ছুটে চলে।

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে