বিশ্বের সবচাইতে বড় মূর্তি বানিয়ে কুফরীতে রেকর্ড করলো ওহাবী সউদী সরকার


সত্যিই এমন কোনো সংবাদ বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মিডিয়াতে আসা ঈমানদার মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর ও লজ্জাজনক। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এমনটি দাবি করে সউদী শিক্ষা বিভাগ হতে একটি আবেদনপত্র পাঠানো হয়েছে- গিনেজ বুক কর্তৃপক্ষের নিকট। সেখানে তারা বলেছে, সউদী আরবের ৮৬তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে বন্দরনগরী জেদ্দায় দেশটির ওহাবী বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজীজের বিশাল একটি ছবি বা প্রতিকৃতি বানানো সম্পন্ন হয়েছে। ২১৬ বর্গমিটার আয়তনের এই হারাম ছবিকে বিশ্বের সবচাইতে বড় প্রতিকৃতি বলে সউদী শিক্ষা এবং নিরাপত্তা বিভাগ দাবি করেছে। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- “আমি ছবি প্রতিকৃতি মূর্তি এবং বাদ্য-বাজনা ধ্বংস করার জন্য প্রেরিত হয়েছি।”
উল্লেখ্য, পবিত্র হাদীছ শরীফ উক্ত আরব দেশেই বর্ণিত হয়েছে এবং সেখান থেকেই হারাম ছবি-মূর্তি প্রতিকৃতিকে ধ্বংস করা হয়েছিলো। এই মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ এখনো সউদী আরবের বিভিন্ন প্রকাশনা হতে প্রকাশিত কিতাবে উল্লেখ রয়েছে। এমতাবস্থায় জেনেশুনে এমন হারাম ছবি-প্রতিকৃতি বানানো এবং সেটার বিশ্ব স¦ীকৃতি পাবার জন্য সউদী কর্তৃক আবেদন জানানো সত্যিই বিষ্ময়কর!
আমরা সউদী ওহাবী-খারিজী আহলে হদস মালানা মুফতেদের কাছেও শুনে আসছিলাম, তারা বলতো- হাতে অঙ্কন করে ছবি-প্রতিকৃতি বানানো জায়িয নেই; ছবি-প্রতিকৃতি অঙ্কন করা হারাম। মূলত, ছহীহ ফতওয়া হলো- যেকোনো প্রকারেই প্রাণীর ছবি-প্রতিকৃতি আঁকা, বানানো, প্রদর্শন সবই নাজায়িয-হারাম। কাজেই সউদী ওহাবী মালানাদেরকে তাদের ওহাবী বাদশাহকে এই ফতওয়া স্মরণ করিয়ে দিতে হবে। আর সউদী বাদশাহ ও সউদী শিক্ষা মন্ত্রণালয় যা করেছে তাতে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত প্রকাশ্যে লংঘন করেছে। এটা তাদেরকে প্রকাশ্যে ঘোষণাও দিতে হবে। নতুবা এসব মালানা গং নিরেট বোবা শয়তান বলে প্রমাণিত হবে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে