বিয়ের বয়স নির্দিষ্ট করা হারাম,কুফরী।


বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করা, তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা মানেই হচ্ছে সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনাকে ইহানত তথা অবজ্ঞা করা। নাঊযুবিল্লাহ! যা কুফরী!!!
কারো জন্য জায়েজ হবে না, মহান আল্লাহ পাক এবং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের কৃত ফায়ছালা উনার উপর মত পেশ করা!
অথচ দেখা যায়,এক শ্রেণীর মানুষ বিয়ের বয়স নির্ধারণ করে দেয়! নাঊযুবিল্লাহ!
তারা সম্মানিত শরীয়ত উনাকে ডিঙিয়ে নিজেদের খেয়াল খুশিমতো নীতি প্রণয়ন করে। ফলত: নিজেরাও কুফরী করে,অন্যদেরও কুফরী শিক্ষা দেয়।
আর যে কুফরী করে সে যে মুসলমান না,এটা নতুন করে বলার মতো কিছুই না।
অনেকে একটা বিষয় জানে না,যে , কম বয়সেই যে বিয়ে দিতে হবে তা না। তবে কোনো বাবা মা যদি চায় তার মেয়েকে বিয়ে দিতে পারে।
আর অবশ্যই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম একটা মেয়ের অনুমতি ব্যতীত তাকে জোরপূর্বক বিয়ে দেয়ার সম্মতি দেয় না।
কাজেই সকলেরই উচিত আক্বীদা বিশুদ্ধ করে নেয়া,বিয়ের বয়স নির্দিষ্টকরণের বিরোধিতা করা এবং মেয়েদের অমতে বিয়ে না দেয়া।
মহান আল্লাহ পাক যেন সকলকেই সহীহ সমঝ দান করেন।। আমীন।।

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে