বেপর্দার কুফল-১৬ “টাঙ্গাইলের সখীপুরে ৪ বছরের শিশুর শ্লীলতাহানি”


খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি ঈমানদার নারীগণকে বলুন তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের ইজ্জত ও আবরু হিফাজত করে। তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। তারা যেন এমনভাবে পদচারণা না করে, যাতে তাদের চুপানো সৌন্দর্য প্রকাশ হয়ে পড়ে। হে মু’মিনগণ! তোমরা সকলেই মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।” (সূরা নূর: আয়াত শরীফ ৩১)
পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়, টাঙ্গাইলের সখীপুরে ৪ বছরের শিশুর শ্লীলতাহানির অভিযোগে ফরিদ নামের এক তরণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে কচুয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ গতকাল, ফরিদকে কোর্টে পাঠায়। এ ব্যাপারে শিশুটির বাবা সখীপুর থানায় মামলা করেছে।
পুলিশ জানায়, ফরিদ শিশুটির বাড়িতেই থাকত। সে উপজেলার কচুয়া বাজারে ওই শিশুর বাবার স্টিলের দোকানের কর্মচারী। গত বুধবার রাতে সে তার ঘরে নিয়ে শিশুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। মেয়েটির আর্তচিৎকারে লোকজন এসে ফরিদকে আটক করে পুলিশে দেয়। আহত শিশুটিকে প্রথমে সখীপুর হাসপাতালে এবং পরে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। লম্পট ফরিদের বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার বররায়। (সূত্র: দৈনিক আমার দেশ, ২৯-০৩-২০১২ ঈসায়ী)
বর্তমানে এ রকম হাজারো ঘটনা ঘটছে। মামলাও হচ্ছে, আসামিরা ধরাও পড়ছে। কিন্তু এর কোনো ভালো ফল বা ফায়দা পাওয়া যাচ্ছে না এবং যাওয়ার কোনো সম্ভাবনাও নেই। এর মূল কারণ হচ্ছে, মুসলমানরা আজ ইসলামী শিক্ষা ছেড়ে দুনিয়াবী শিক্ষা অর্জন করছে এবং বেপর্দা ও বেহায়াপনা হয়ে ঘোরাফেরা করছে।
সুতরাং গোটা বিশ্ববাসীর দায়িত্ব এবং কর্তব্য হচ্ছে- শরয়ী পর্দা এবং ইসলামী অন্যান্য বিষয়ে শিক্ষা নিতে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র রাজারবাগ দরবার শরীফ-এ আসা।
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে