বেপর্দা হয়ে নারী কী পেয়েছে- শুধু নিজের অস্তিত্বটাই হারিয়েছে


বেহায়া ও বেলাল্লাপনায় ডুবে যাচ্ছে দেশটি। ‘লজ্জা নারীর ভূষণ’ কথাটি আজ নতুন প্রজন্মের কাছে অপরিচিত হয়ে গেছে। কুরআন শরীফ-এর নির্দেশ মতো নারীর পর্দার জন্য যখন পঞ্চদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম জোর তাগিদ দিচ্ছেন, ঠিক সেই সময় বাংলাদেশের মুসলিম যুবতীরা আন্তর্জাতিক কাবাডি খেলায় মেতে উঠেছে। নারী আজ সর্বত্র রূপ প্রদর্শনীর প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
বেপর্দার কারণে পাশ্চাত্যের নারী সমাজ আজ ভোগ্যপণ্যে পরিণত হয়েছে, হারিয়েছে তার সম্ভ্রম। পুরুষগুলো তাদের বৈবাহিক দায়-দায়িত্ব থেকে সরে পড়েছে। সম্মান অধিকারের দাবি করতে করতে পাশ্চাত্যের নারী আজ পায়ের জুতা হয়ে গেছে। নারীর প্রতি পুরুষ হারিয়েছে তাদের আকর্ষণ ও প্রয়োজন। যে কারণে পাশ্চাত্যের রাজনীতিবিদ ও সমাজপতিরা সমকামিতাকে মানুষের অধিকার বলে বিশ্বে প্রচার করছে। নাঊযুবিল্লাহ!
বিবাহের মতো পবিত্র বন্ধন আজ শিল্পোন্নত বিশ্ব থেকে উঠে গেছে বলা যায়। তাহলে মানুষ আর পশুর মধ্যে কী পার্থক্য রইল? অবশ্য অনেক ক্ষেত্রে পশুরা জৈব সম্পর্ক কঠিন নিয়ম মেনে চলে।
সামাজিক এই অধঃপতনের নেপথ্যে একটি মাত্র কারণ- বেপর্দা। শুধু বেপর্দার কারণেই তথাকথিত সম্পদশালী দেশগুলোর সমাজ ভেঙে পড়েছে। পর্দাই নারীকে ফিরিয়ে দিতে পারে তার হারানো মর্যাদা।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+