বৈষম্য ও সাম্প্রদয়িকতার ইতিহাসভিত্তিক দুর্গাপূজা কতটুকু সার্বজনীন?


পৃথিবীর যে কোনো জাতি কিংবা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের পালিত দিবসের মূলে থাকে ধর্ম, ভাষা কিংবা দেশের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতার বিষয়টি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে কেবলমাত্র মুসলিমদের ক্ষেত্রেই আমরা দেখতে পাই, ইতিহাস জ্ঞান এবং বিধর্মীদের প্ররোচনায় সঠিক ধর্মীয় এবং পারিবারিক শিক্ষার দৈন্যতার দরুন নিজ জাতির শত্রুদের পালিত দিনগুলো উদযাপন করতে, যেগুলো ইতিহাসগতভাবে আমাদের বিপরীত।
ইতিহাসে দুর্গাপূজা সর্বপ্রথম পালিত হয় অত্যাচারী রাজা কংসনারায়ণের দ্বারা ঘোড়শ শতাব্দীতে ধনরত্নের দাপট দেখানোর উদ্দেশ্যে। তখন থেকেই হিন্দু জমিদারেরা টাকার খেলা দেখানোর জন্য এই দুর্গাপূজার মচ্ছবে লিপ্ত হয়। কিন্তু এ হলো বাসন্তী দুর্গাপূজার ইতিহাস, শারদীয় নয়। শারদীয় পূজার জন্ম হয়েছিলো বিশ্বাসঘাতক হিন্দু জমিদারদের দ্বারা নৌদসু ক্লাইভকে সম্বর্ধনা দেয়ার উদ্দেশ্যে, যাদের মধ্যে ছিলো ইতিহাসের আলোচিত জমিদার নাটোরের রাণী ভবানী থেকে শুরু করে নদীয়ার কৃষ্ণচন্দ্র পর্যন্ত রাঘব বোয়ালেরা।
ক্লাইভ তার ষড়যন্ত্রে সফলতার জন্য তার গডের নিকট ধন্যবাদ জানানোর কথা তুলেছিলো পা চাটা হিন্দু মোসাহেবদের কাছে। কিন্তু তার ঞযধহশংমরারহম অনুষ্ঠানটি আয়োজনের জন্য কোনো চার্চ ছিলো না কলকাতায়। তখন জমিদার নামধারী এক পা চাটা হিন্দু কুকুর নবকৃষ্ণ দেব প্রস্তাব দিল, ‘আমার দেবীর চরণে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করুন।’
কিন্তু আমি একজন খ্রিস্টান! ক্লাইভ প্রতিবাদ করলো। তার ব্যবস্থা হয়ে যাবে জনাব! চাটুকার নবকৃষ্ণের কৌতুকপূর্ণ উত্তর।
পলাশীর যুদ্ধ হয়েছিলো জুনে, বসন্তকাল হনুজ দূর আস্ত! এজন্য শরতে অকালে পুজা শুরু করায় ‘অকাল বোধন’ তত্ত্ব দাঁড় করানো হলো। অর্থাৎ মুসলিমদের উৎখাত করতে দেবীর অকালে বোধন হয়েছে, একালে যেভাবে আমাদের উজিরে আজমের কথানুযায়ী কথিত দেবীর আগমনে ফসল ভালো হয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ! যা হোক, কালক্রমে কয়জন ইংরেজকে দাওয়াত দেয়া হলো এটাই হয়ে দাঁড়ায় ম-পের স্ট্যাটাস সিম্বল, ফলে পুজার নামই হয়ে যায় ‘কোম্পানী পুজা’। ইংরেজদের জন্য বেশ্যা, নাচগান থেকে শুরু করে তাদের হিন্দুধর্মের মাথা খেয়ে ম-পে উইলসন হোটেল থেকে আনা গরু, শূকরের গোশত এবং মদের ব্যবস্থা করতেও পিছপা না পা চাটা হিন্দুরা। (তথ্য সূত্র: Jaya Chaliha and Bunû Gupta, Durga Puja in Calcutta in Calcutta The Living City Vol II, editied by Sukanta Chandhuri, Oxford University Press, Wikipedia)
আজও অকৃতজ্ঞ, বিশ্বাসঘাতক বাঙালি হিন্দুরা তাদের দুশ বছর আগের ষড়যন্ত্রের সফলতাকে উদযাপন করে। তাদের চরিত্রহীনতা, মদ এবং বেশ্যার প্রতি আসক্তিকে অর্থের দ্বারা প্রদর্শন করার উদ্দেশ্যে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে