ব্লগ থেকে ফেইসবুক সর্বত্রই আজ জামাত, কমিউনিস্ট ও হিন্দু সাম্প্রদায়িক প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের নিরাপদ অভয়ারণ্য


দেশবিরোধী, রাষ্ট্রবিরোধী নাশকতামূলক কর্ম ও পরিকল্পনার সাথে যারা জড়িত, তারা গোপনে আন্ডারগ্রাউন্ডে তাদের কাজ করে। বর্তমানে তাদের মূল অস্ত্র হয়ে উঠেছে ব্লগ, ফেসবুক; কারণ এসবের মাধ্যমে সেসব ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থী যুবকদের নিকট তথ্য পৌঁছানো যায় যাদের ঘরসংসার সামলানোর জন্য তাদের অভিভাবকদের ন্যায় সময় দিতে হয় না। সেসব যুবকরা ইন্টারনেটে সময় কাটায়। আন্ডারগ্রাউন্ড গোপন দলগুলো ইন্টারনেটে অভিভাবকদের অলক্ষ্যে অপরিণত মস্তিষ্কের এই যুবকদের নিকট প্রতিক্রিয়াশীল মতবাদ পৌঁছে দেয়। আবার ব্লগের চেয়ে বড় অস্ত্র হয়ে উঠেছে ফেসবুক পেজ, কারণ তাদের স্পষ্ট ধর্মদ্রোহী, দেশদ্রোহীতামূলক লেখাগুলো ব্লগে সাধারণ মানুষদের রিপোর্টের কারণে অনেক সময় মডারেটররা না রাখলেও ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে যা খুশি করার পূর্ণ স্বাধীনতা থাকায় ফেসবুকই তাদের নিকট অধিকতর গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।

ফেসবুকে জামাতী প্রোপাগান্ডা:

ফেসবুকে তাদের কার্যক্রম ব্লগের চেয়েও জঘন্য এবং অধিকতর বিস্তৃত। তারা ফেসবুকে পর্ণোগ্রাফিক পেজগুলো চালিয়ে থাকে। বেপর্দার লোভে যুবকরা সেগুলো লাইক দিয়ে আরো জনে জনে ছড়িয়ে দেয়। তাতে আরো লাইক পড়তে থাকে। আশানুরূপ ফান যোগাড় করে এরপর তারা বিবস্ত্র নারীদেহের পাশেই পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দোহাই দিয়ে শুরু করে মওদুদীবাদী প্রচারণা। নাউযুবিল্লাহ! এভাবে চলতে থাকে ভ্রান্ত মওদুদী মতবাদের প্রচারণা।
তারা ফটোশপের দ্বারা ছবি জালিয়াতিতে সিদ্ধহস্ত। তাদের ছবি জালিয়াতির বহু নজির ফেসবুকে রয়েছে। সাধারণ মুসলিমদেরকে বিভ্রান্ত করার লক্ষ্যে তারা ওআইসি সম্মেলনের ছবি এডিট করে তার ব্যানার পাল্টিয়ে, কিংবা ছবিতে দেখানো কাবা শরীফ উনার ইমামদের হাতে গিলাফের জায়গায় এডিট করে গো’আযমের মুক্তির দাবির ব্যানার বসিয়ে তাদের নেতাদের মুক্তির দাবিতে ফেসবুকে তাদের পেজগুলোতে মিথ্যা প্রচারণা চালায়।
সোনার বাংলা ব্লগ বন্ধের সাথে সাথে সরকার তাদের ফেসবুক পেজ বাঁশেরকেল্লাও বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু তারপর তারা একই নামে আরেকটি পেজ খোলে যার ফান সংখ্যা মুহূর্তের মধ্যে পঞ্চাশ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এ থেকেই বোঝা যায় ব্লগ ফেসবুক জগতে কি পরিমাণ প্রভাব বিস্তার করে আছে মওদুদীবাদীরা।
ফেসবুকে হিন্দুরা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে বললে কিছুই হয় না, কিন্তু ফেসবুকে শিবিরের বিরুদ্ধে বললে একজনের অ্যাকাউন্ট মুহূর্তের মধ্যে শিবিরের গণরিপোর্টে ব্যান্ড হওয়ার নজির রয়েছে। অর্থাৎ শিবির চাইলেই ইন্টারনেটে আসিফ মহিউদ্দীন, থাবাদের কুকর্মের ইতি টানতে পারত। কিন্তু তারা তা করেনি, বরং খোঁজ নিলে দেখা যাবে তারাই এগুলোর দ্বারা ফায়দা লুটতে এগুলোকে জিইয়ে রেখেছে। কারণ তাদের নবী হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন। তাদের নবী হলো ওই মওদুদী, ওই গো’আযম, ওই নিজামী। নাউযুবিল্লাহ!

 

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে