“ বড় ও ছোট উভয়ের হক্বই যথাযথভাবে আলোচিত হওয়া উচিত “


আমাদের সমাজে “বড়”র প্রতি “ছোট”র দ্বায়িত্ব কর্তব্য যতখানি আলোচিত হয়, “ছোট”র প্রতি “বড়”র দ্বায়িত্ব কর্তব্য ততখানি আলোচিত হয়না। পিতা-মাতার হক্ব প্রতি পদে পদে শিখানো হয়, কিন্তু সন্তানের হক্ব কয়জন বাবা মা ঠিকমত জানে? স্বামীর হক্ব মেয়েদের রীতিমত মুখস্ত করানো হয়, কিন্তু স্ত্রীর হক্ব সম্মন্ধে ছেলেদের কি একইভাবে ইলম বআআ জ্ঞান দেয়া হয়? শাশুড়ির সাথে বউ এলোমেলো ব্যবহার করলে সংশোধনকারীর অভাব হয়না, কিন্তু শাশুড়ি বউয়ের প্রতি এলোমেলো ব্যবহার করলে তাকে কি সংশোধন করা হয়?

কমন প্র্যাকটিস হল বড়দের ত্রুটি ধরা যাবে না। যত শাসন, সংশোধন, কম্প্রোমাইজ সব ছোটদের করতে হবে। মহান আল্লাহ্‌ পাক কিন্তু তা বলেননি। “ছোট” রা অবশ্যই “বড়”দের মান্য করবে, কিন্তু সেটা কতক্ষন? যতক্ষন “বড়”রা শরীয়তসম্মত আদেশ নিষেধ করবে ততক্ষন। শরীয়ত বিরোধী আদেশ বাবা-মা, স্বামী যেই করুক না কেন তা মানা যাবে না। বরং আদবের সাথে “বড়”দের বুঝিয়ে বলতে হবে যে, তাঁদের এই আদেশ শরীয়তসম্মত না।

একটা কথা মনে রাখা উচিত, নম্রভাবে “বড়”দের ভূল ত্রুটি ধরিয়ে দিলে বেয়াদবী হয়না, তাঁদের অসম্মান করা হয়না। বরং এর মাধ্যমে তাঁদের প্রতি সদাচারন করা হয়। যেহেতু মহান আল্লাহ্‌ পাক তিনি বলেছেন, “হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে সেই অগ্নি থেকে রক্ষা কর, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও প্রস্তর” (সূরা তাহরীমঃ ৬)।

সুতরাং নিজেকে দ্বীন ইসলামের উপর দৃঢ় রাখতে হবে এবং পরিবারের সকলকেও এই বিষয়ে সঠিক শিক্ষা দিতে হবে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে