ভারতের সকল স্বার্থ রক্ষা করলেও বাংলাদেশ অবহেলিত কেন? আছেন কি কোন দেশপ্রেমিক?


বাংলাদেশ ভারতকে বেরুবাড়ী ইউনিয়ন ছেড়ে দেয়ার পরও ভারত আঙ্গরপোতা-দহগ্রাম তিন বিঘা করিডোর তো ছেড়ে দিচ্ছেই না। এমনকি স্বাধীনভাবে ব্যবহার করতেও দিচ্ছে না। তাহলে ভারতকে কিভাবে ট্রানজিট দেয়া যেতে পারে?
এছাড়া ভারত বাংলাদেশের ২১টি নদী ও খালে বাঁধ নির্মাণ করে এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের উপর সুস্পষ্ট আঘাত করেছে।

অতএব, গোটা দেশবাসীকে সম্পূর্ণ অবহিত না করে ট্রানজিট চুক্তি করলে কথিত ট্রানজিট চুক্তি হবে দেশবাসীর সাথে সম্পূর্ণ বিশ্বাসঘাতকতা, যা সংবিধান বিরোধী এবং দেশ বিক্রিরও শামিল।
অতএব, এ বিষয় জনগণের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

অত্যন্ত তথ্যবহুল লেখা। লিংক এখানে

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, “দেশের মুহব্বত পবিত্র ঈমান উনার অঙ্গ।”
অতএব, দেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত ঈমানদারগণ গ্রহণ করতে পারেন না।
তাহলে নৌমন্ত্রণালয়ের আপত্তি সত্ত্বেও ভারতকে ট্রান্সশিপমেন্ট দিতে ‘পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ কোনো আইন পাশ হবে না’- এই ওয়াদায় আবদ্ধ সরকার এতো আগ্রহী কেন?

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

  1. ভারতের কাছে জিম্মি সরকার। কিসের লোভে?

  2. ক্ষমতায় আসতে হলে অনেক কিছু বিকিয়ে দিতে হয়। কিচ্ছু করার নাই। খালেদা জিয়ার প্রবন্ধে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ কামনায়ও এমনই গন্ধ পাওয়া যায়। কিচ্ছু করার নাই।

  3. ভারতীয় যানবাহন চলাচলের সময় রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বাংলাদেশী কোনো যানবাহন ওই সড়ক (আশুগঞ্জ থেকে আগরতলা সড়ক) ব্যবহার করতে পারবে না। এসব শর্ত প্রমাণ করছে, আপাতত অন্তত ছয় ঘণ্টার জন্য বাংলাদেশ ওই সড়কের ওপর তার সার্বভৌমত্ব ভারতের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ!

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে