ভারত সম্ভ্রমহানির দেশ হয়েছে মুশরিকদের কথিত বীরদের (!) অনুপ্রেরণায়


মুশরিকদের তথাকথিত এক বীরপুরুষের নাম হলো শিবাজি। এই দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী শিবাজির অধীনস্থ মারাঠা দস্যু বাহিনী বাংলায় ব্যাপক লুটতরাজ চালিয়েছিল, যা বাংলার ইতিহাসে ‘বর্গী হামলা’ নামে মশহুর। ‘খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো, বর্গী এলো দেশে’ ছড়াটি এখনো বর্গীদের নৃশংসতার সাক্ষর বহন করছে। মুশরিক কবি গঙ্গারাম রচিত ‘মহারাষ্ট্র পুরাণ’ কাব্যে মারাঠা মুশরিক দস্যুদের নৃশংসতার ইতিহাস তুলে ধরে বলা হয়েছে-
“ভাল ভাল স্ত্রী-লোক জত ধইরা লইয়া জাএ
আঙ্গুষ্ঠে ধরি বাধি দেয় তার গলাএ
একজনা ছাড়ে তারে আরজনা ধরে
রমণের ডরে ত্রাহি শব্দ করে।”
(তথ্যসূত্র: বঙ্গে মগ-ফিরিঙ্গী ও বর্গীয় অত্যাচার, মুহম্মদ আবদুল জলিল, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৫২)
মধ্যযুগের বাংলা রীতিতে লেখা গঙ্গারামের উপরোক্ত কবিতায় বলা হয়েছে, মারাঠারা ‘ভাল ভাল’ তথা সুশ্রী স্ত্রীলোক দেখলেই তাকে ধরে নিয়ে যেত।
‘একজনা ছাড়ে তারে আরজনা ধরে, রমণের ডরে ত্রাহি শব্দ করে’, এই লাইনটির তুলনা দেয়া যায় ডাস্টবিনে খাবার নিয়ে কাড়াকাড়ি করা কাক কিংবা কুকুরের পালের সাথে। অসভ্য মারাঠা দস্যুরাও সেভাবে স্ত্রীলোকদের কাড়াকাড়ি করে সম্ভ্রমহানি করতো, আর স্ত্রীলোকটি যন্ত্রণায় ত্রাহি চিৎকার করতো।
মুশরিকরা এসব অসভ্য মারাঠাদেরকেই তাদের অনুকরণীয় ঐতিহাসিক চরিত্র বলে মেনে নিয়েছে, মারাঠা দস্যুদের নেতা শিবাজিকে ভারতের জাতীয় বীরের স্বীকৃতি দিয়েছে উগ্রতাবাদী মুশরিকরা। তাই তাদের দেশটিও হয়েছে সম্ভ্রমহানির দেশ। পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে আজও তারা নারীদেরকে গোশতের টুকরা জ্ঞান করে তাদেরকে কাড়াকাড়ি করে সম্ভ্রমহানি করে। যেমন কয়েক মাস আগে খবরে এসেছে, এক বিদেশী নারী পর্যটক ভারতে বেড়াতে এসে টং দোকানে চা পানরত একদল মুশরিকর কাছে কোনো একটি জায়গার ঠিকানা জানতে চায়। তারা তার জবাবে সাথে সাথে হিংস্র পশুর মতো উক্ত মহিলা পর্যটকের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তার সম্ভ্রমহানি করেছিল।
ভারতে কোনো বিদেশী পর্যটকের কি হলো, তা নিয়ে এদেশের বাঙালি মুসলমানদের কোনো মাথাব্যথা নেই। তবে আমাদের মাথাব্যথা হলো আমাদের দেশের প্রতিবেশী মুশরিকদের নিয়ে। কারণ তাদের আদর্শ আর ভারতীয় মুশরিকদের আদর্শ একই। তারাও শিবাজির মতো ডাকাতকে শ্রদ্ধা করে, তারাও এদেশের অস্তিত্ব মিটিয়ে দিয়ে অখ- ভারত গঠনে বিশ্বাসী। আওয়ামী নেতৃাত্বাধীন মহাজোট আমলে মুশরিক শিক্ষকরা শত শত মুসলিম ছাত্রীর সম্ভ্রমহানি করেছে। অর্থাৎ আমরা যদি এদেশ থেকে মুশরিকদের বিতাড়িত না করি, তাহলে এই বাংলার পবিত্র যমীনও ভারতের মতো সম্ভ্রমহানির রাজ্য হতে বাধ্য।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে