ভাস্কর্য-প্রতিকৃতিসহ সর্বপ্রকার প্রাণীর ছবি শয়তানের কাজ


হালাল-হারাম তথা আহকাম সম্বলিত পাঁচশত আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যে অন্যতম বিশেষ একখানা আয়াত শরীফ হচ্ছেন পবিত্র সূরা হজ্জ শরীফ উনার ৩০নং পবিত্র আয়াত শরীফ। এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْاَوْثَانِ
অর্থ: “তোমরা মূর্তিসমূহের তথা প্রতিমা বা ভাস্কার্যসমূহের খারাবী, অপবিত্রতা, নাপাকী, নিষিদ্ধতা বা শাস্তি থেকে বেঁচে থাকো।” (তাফসীরু আহকামিল কুরআন লিল জাসসাস)
এ প্রসঙ্গে আরো একখানা পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَآ أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوْهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, মূর্তি, তথা প্রতিমা বা ভাস্কার্য, বেদী, ভাগ্য নির্ধারণকারী তীর এসবগুলোই শয়তানের তথা ইবলিসের কাজ। অতএব, এগুলো থেকে তোমরা বিরত থাকো বা দূরে থাকো। অবশ্যই তোমরা সফলতা লাভ করবে।” (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৯০)
উপরোক্ত পবিত্র আয়াত উনার মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো যে মূর্তি, প্রতিমা, ভাস্কর্য, ম্যানিকেন ও সর্বপ্রকার প্রাণীর ছবি তোলা, আঁকা রাখা সম্পূর্ণরূপে হারাম ও নাজায়িয ।
আর এগুলো তৈরি করা, নির্মাণ করা, প্রস্তুত করা, বানানো এবং বানানোর ব্যবস্থা করা সবগুলোই ইবলিস শয়তানের কাজ। কাজেই যারা শয়তান প্রকৃতির তারাই মূর্তি-প্রতিমা, ভাস্কার্য, ম্যানিকেন এবং সর্বপ্রকার ছবি তোলে ও তোলায়, আঁকে ও আঁকায়, প্রস্তুত বা তৈরি করে ও করায়, স্থাপন করে ও করায় এবং পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে