মতভেদের অজুহাতে মি’রাজ শরীফ-এর নিয়ামত থেকে বঞ্চিত করা নয়া শয়তানী খাছলত


পবিত্র রজব মাসের অন্যতম মহান রাত্রি পবিত্র মি’রাজ শরীফ-এর মুবারক রাত সম্পর্কে অনেক ধর্মব্যবসায়ী আবোল-তাবোল লিখেছে, বলেছে। তাদের একটাই উদ্দেশ্য যাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ উক্ত মহান রাত্রির ফাযায়িল ফযীলত অনুধাবন করে যেন এর নিয়ামতের হিস্যা লাভ করে জান্নাতী না হয়। কারণ বান্দারা জান্নাতী হলে ইবলিস এবং মানুষরূপী ইবলিসের চেলা ও ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘ছূ’দের গায়ে জ্বালা ধরে। এমনই গা জ্বালা আরম্ভ হয়েছে পাকিস্তানি দেওবন্দী মুফতে শফীর ধর্মব্যবসায়ী পুত্র মৌলুভী তাকী ওসমানীর। সে পবিত্র মি’রাজ শরীফ-এর রাত্রির ইবাদত-বন্দেগীর বিরুদ্ধে বিষোদগার করে লিখেছে- ‘মি’রাজের তারিখ যেহেতু সংরক্ষিত নয়, সেহেতু আমরা একথা সহজেই বুঝতে পারি, শবে মি’রাজ যদি শবে ক্বদরের মতো (ইবাদত বন্দেগী করার) কোনো রাত হতো, এ রাতে পালন করার মতো যদি বিশেষ কোনো বিধান ও আমল থাকতো তাহলে এর তারিখ অবশ্যই যতœসহ সংরক্ষণ করা হতো। আমরা বলতে পারতাম এ তারিখটাই শবে মি’রাজের তারিখ। অথচ ইতিহাসে এটা প্রমাণিত নয়।’ নাঊযুবিল্লাহ!।
অথচ মৌলুভী তাকীর পিতা তার মা’রেফুল কোরআনে লিখেছে, ‘সাধারণভাবে খ্যাত এই যে, রজব মাসের ২৭তম রাত্রি মি’রাজের রাত্রি।’ অর্থাৎ ২৭শে রজবের রাত্রিই যে পবিত্র মি’রাজ শরীফ সংঘটিত হয়েছিল তা মিল্লাতে মুসলিমায় এত বেশি মশহুর ও প্রসিদ্ধ যে, শত-সহস্র বছর ধরে উম্মাহ বেশ ভাবগাম্ভীর্য মর্যাদা-মর্তবার সাথে ২৭শে রজবের রাত্রিতে বিশেষ নামায-কালাম, ইবাদত-বন্দেগী, মীলাদ শরীফ, ক্বিয়াম, দোয়া-মুনাজাত করে বারে ইলাহী তায়ালা উনার শুকরিয়া জ্ঞাপন করে।
অতএব, দিন তারিখ নিয়ে মতভেদের অজুহাত তুলে যারা পবিত্র মি’রাজ শরীফ-এর নাজ-নিয়ামত থেকে উম্মাহকে মাহরূম রাখতে চায় তারা ইবলিসের খাছ শাগরিদ বলেই গণ্য হবে।

 

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে