মসজিদে যেতে বারণ করার অধিকার কাউকে দেয়া হয়নি


পবিত্র মসজিদ মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর। পবিত্র মসজিদ মুসলমানদের নিরাপত্তার স্থান, রহমত-বরকত লাভের স্থান। রোগ-শোক, আযাব-গযব থেকে রক্ষা পেতে দোয়া কামনার স্থান। পবিত্র ছলাত তথা নামায আদায় করার স্থান।

একজন ঈমানদার, একজন মুসলমান মসজিদে যাবে, জামায়াতে নামায পড়বে, দোয়া-মুনাজাত করবে; এটা তার ঈমানী অধিকার।
কোন দেশের সরকার বা প্রশাসন কখনোই কোনভাবেই মহান আল্লাহ পাক উনার এ ঘর পবিত্র মসজিদে প্রবেশে কোন মুসলমান কোন ঈমানদারকে বাধা দেয়ার অধিকার রাখে না। কারণ মুসলমানদেরকে পবিত্র মসজিদে যাওয়া, জামায়াতে নামায পড়া এ অধিকার দিয়েছেন স্বয়ং যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি।

কিন্তু সম্প্রতি কাফিরদের উপর আপতিত করোনা গযবের অজুহাতে মুসলমানদের এ অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে বিভিন্ন দেশের সরকার। নাউযুবিল্লাহ! এমনকি খোদ আমাদের বাংলাদেশের সরকারও কয়েকটি স্থানে মসজিদে জামায়াতে নামায নিষিদ্ধ করেছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!

সরকারের এ ধরণের খোদাদ্রোহী, দ্বীন ইসলামদ্রোহী ঘোষণা কখনোই মেনে নেয়া যায় না। মসজিদে জামায়াত নিষিদ্ধ করা, মসজিদে যাওয়ায় বাধা দেয়া কাট্টা কুফরী। যে বা যারা এ ধরণের ঘোষনার সাথে জড়িত থাকবে তাদের উপর কুফরী তথা মুরতাদের ফতওয়া বর্তাবে। নাউযুবিল্লাহ!
তাই সরকারের উচিত অতিসত্বর এ ধরণের কুফরী আদেশ তুলে নেয়া। বরং সরকারের উচিত- মানুষকে আরও বেশি বেশি মসজিদে যেতে উৎসাহিত করা এবং মসজিদে গিয়ে মহান আল্লাহ পাক যেন আমাদের এ দেশকে হেফাজত করেন, তার জন্য বেশি বেশি দোয়া কামনা করার ব্যাপারে তাগিদ দেয়া।

এটা না করে সরকার যদি বিপরীত কাজ করে তাহলে সরকারের উপরই আযাব-গযব নেমে আসার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তাই এখনই সাবধান হতে হবে, সতর্ক হতে হবে।

বিশেষ করে মুসলমানদের উচিত, বেশি বেশি মসজিদে গিয়ে পবিত্র কুরআন শরীফ তেলওয়াত করা, পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা। তাহলেই সকল বালা-মুছীবত, আযাব-গযব থেকে মহান আল্লাহপাক তিনি আমাদেরকে হেফাজত করবেন। ইনশাআল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে