মহাচোর নিউটন কর্তৃক গতির সূত্রগুলো নিজের নামে চালানোর মুখোশ উম্মোচন (শেষ পর্ব)


মহাচোর নিউটন (১৬৪৩-১৭২৭) গতি সংক্রান্ত ৩টি সূত্র বিভিন্ন মুসলিম বিজ্ঞানীদের কিতাব থেকে চুরি করে তার “Philosophiæ Naturalis Principia Mathematica” বইতে তার নিজের নামে চালিয়ে দেয়। আমরা তার চুরির মুখোশ উম্মোচনের করব।

গতির তৃতীয় সূত্রে বলা হয়েছে যে,“প্রত্যেক ক্রিয়াই সমান ও বিপরীত পতিক্রিয়া আছে।” অথচ হিবাতুল্লাহ আবুল বারাকাত আল বাগদাদী (১০৮০-১১৬৫) মহাচোর নিউটনের ৫৫০ বছর পূর্বেই “আল মুকতাবার ফিল হিকমা” (The Considered in Wisdom) কিতাবে উল্লেখ করেন যে, “কুস্তির সময় একে অন্যের উপর বল প্রয়োগ করে (ঘুসি দেয়) । যদি দু’জনের একজন (ঘুসির ফলে) পিছু হটে যায় তার মানে এই নয় যে, দ্বিতীয় ব্যক্তির বলের (দ্বিতীয় বলটির) অস্তিত্ব নেই বরং দ্বিতীয় বল ব্যতীত প্রথম বলটি প্রভাব বিস্তার করতে পারে না ।”
একই সূত্রটি মানতেকের ইমাম ফক্বর উদ্দীন রাজী রহমতুল্লাহি আলাইহি (১১৫০-১২১০) উনার “আল মাবাহেত আল মাসরিকাইয়াহ ফি ইলম আল ইল্লাইয়াত ওয়া আল তাবিয়াত” ( The Eastern Disciplines in Theology and Natural Sciences) কিতাবে বলেন যে, “ দুটি সমান বল বৃত্তটিকে টানতে থাকে যতক্ষণ না পর্যন্ত বৃত্তটি মাঝখানে থেমে যায়, এখানে নিশ্চিতভাবে ধরে নেয়া হয় যে, উভয় বল একটি করে কাজ সম্পাদন করেছে যা একে অন্যের বিপরীত।”
এই বিষয়ে ইবনে হাইছাম (৯৫৬-১০৪০) তার রচিত “আল মানাথার” (The Scenes)এ  উল্লেখ করেন যে, “যদি চলমান বস্তু কোন প্রতিবদ্ধকতা দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং বলের অস্তিত্ব থাকে তাহলে প্রতিবদ্ধক বলের অনুপাতে চলমান বস্তুটি সমবেগে বিপরীত দিকে ফিরে আসে।” হিবাতুল্লাহ আবুল বারাকাত আল বাগদাদী, মানতেকের ইমাম ফক্বর উদ্দীন রাজী রহমতুল্লাহি আলাইহি এবং ইবনে হাইছাম, উনাদের প্রত্যেকের বক্তব্যের দ্বারা স্পষ্টতঃ প্রমাণিত হয় যে, মহাচোর নিউটন তৃতীয় সূত্রটিও চুরি করেছে।

সূত্রঃ www.wikipedia.org
www.islamstory.com

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

  1. MahfuzS says:

    ভাল লাগল, তেব িলংকটা িঠকমত িদেল ভাল হত

  2. মুস্তাফিজুর রহমান ফারুকমুস্তাফিজ says:

    শুধু নিউটন নয় বেশির ভাগ বিধর্মী বিজ্ঞানীরই এ অবস্থা। বিজ্ঞানে ৯৯% অবদানই মুসলমানদের। এ বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করছি।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে