সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল আনুগত্যতা


খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি এমন ব্যক্তি ছিলেন, যাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী আল্লাহ তা’য়ালা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ২২খানারও অধিক পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করেছেন; কাজেই উনার শান মান কত ঊর্ধ্বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ্ পাক উনার কাছে সম্পূর্ণ অনুগত ছিলেন। উনার পবিত্র আমল-আখলাক মুবারক উনার মধ্যে, পবিত্র সীরত-ছূরত মুবারক উনার মধ্যে দিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার সম্পূর্ণ আনুগত্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। একমাত্র কারণ হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার পবিত্র আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারক, নিসবত-তাওয়াল্লুক মুবারক উনার পবিত্র দিলের মধ্যে পৌঁছেছেন।
খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সময় উনার একজন সভাসদ ছিলেন, হযরত হোর ইবনে কায়েস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। তিনি একজন বড় আলিম। তিনি একবার এসে বললেন, খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম! আমার এক চাচা আছেন ওয়েন ইবনে হিসান। তিনি এসেছেন আপনার সাথে কিছু আলাপ করার জন্য। তিনি বললেন, বেশ! এক সময় নিয়ে আসেন। তারপর একবার সময়মতো তাকে নিয়ে আসা হলো আলোচনা করার জন্য। ওই ওয়েন ইবনে হিসান এসে আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে যা তা বলা শুরু করলো। নাঊযুবিল্লাহ!
যখন যা তা বলা শুরু করলো তখন খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি খুব জালালী হলেন। সে বলতে লাগলো, খলীফায়ে ছানী আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম! আপনি ইনসাফ করেন না, আমাদের ন্যায্য অধিকার দান করেন না ইত্যাদি ইত্যাদি। নাঊযুবিল্লাহ!
তিনি যখন গোস্বা করলেন তখন সাথে সাথে হযরত হোর ইবনে কায়েস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একখানা পবিত্র আয়াত শরীফ তিলাওয়াত করলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “ক্ষমাকে গ্রহণ করুন, মানুষকে মাফ করুন, সৎকাজে আদেশ দিন এবং যারা মূলত ফাসিক-ফুজ্জার, জাহিল তাদের কাছ থেকে আপনারা সরে থাকুন।”
এ পবিত্র আয়াত শরীফ যখন তিলাওয়াত করা হলো সাথে সাথে খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি চুপ হয়ে গেলেন এবং উনার নাম মুবারক-এ এই কথাটা ছড়িয়ে গেল, “খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কিতাব উনার সম্পূর্ণ অনুগত।” সুবহানাল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে