মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরবানীর যে কোন কাজে বাধা প্রদানকারীকে অবশ্যই লাঞ্ছিত করবেন


যে আমলটি চির অটুট সেটি হচ্ছে পবিত্র কুরবানী। চির অটুট এজন্য যে, আবুল বাশার হযরত আদম শফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার থেকে শুরু হয়ে আজ পর্যন্ত পবিত্র কুরবানীর আমলটি বহাল রয়েছে। এটা আল্লাহ পাক উনার একটা আদেশ আর হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সুন্নত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আদম সন্তান পবিত্র কুরবানী উনার দিন যেসব নেকীর কাজ করে থাকে তন্মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় আমল হলো পবিত্র কুরবানী করা। ক্বিয়ামত দিবসে পবিত্র কুরবানী উনার পশু তার শিং, পশম ও খুরসহ উপস্থিত হবে এবং পবিত্র কুরবানীদাতার নাজাতের ব্যাপারে সাক্ষ্য প্রদান করবে।” সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, পবিত্র ঈদুল আযহা উনার দিনে বান্দা ও বান্দির পবিত্র কুরবানী উনার পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার পূর্বেই মহান আল্লাহ পাক তিনি তার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেন।” সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র কুরবানী রক্ত, গোশত ইত্যাদি কিছুই মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে পৌঁছায় না। কুরবানীদাতাই ভোগ করেন। তারপরও এতো ফযিলত, এতো নেকি একটা কুরবানীর বিনিময়ে। কারন পবিত্র কুরবানী মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ। বান্দা টাকা পয়সা খরচ করে পশু কিনে এনে তার উপর মহান আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারক উচ্চারণ করে প্রমাণ করেন যে, মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক সমস্ত কিছুর উপরে মহিয়ান। মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক বান্দা গুরুত্ব সহকারে পালন করেন। তাই মহান আল্লাহ পাক ঐ বান্দার উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান । সুবহানাল্লাহ।

পক্ষান্তরে কাফির মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদের প্ররোচনায় কেউ যদি পবিত্র কুরবানীর বিরোধিতা করে কিংবা পবিত্র কুরবানীকে কষ্টসাধ্য করার ব্যবস্থা নেয়, তাহলে স্বয়ং খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন, সে চির লাঞ্ছিত হবে, চির মালঊন হবে। অতীতে এর অনেক প্রমাণ রয়েছে। অতএব, শহরের মধ্যেই মহল্লায় মহল্লায় পবিত্র কুরবানীর হাট বসান। নির্দিষ্ট স্থানে জবাই করতে নিয়ে যাওয়ার ধারণা বাদ দেন। পবিত্র কুরবানীর পশুগুলো যাতে সুষ্ঠুভাবে ঢাকায় আসতে পারে তার ব্যবস্থা করুন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে