মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার প্রতি এবং মাখলুকাতের প্রতি মুহব্বতের দায়বদ্ধতা থেকেই যেন হয় সবুজবাংলা ব্লগে লেখা


অত্যন্ত কঠিন এবং পাপাচারে লিপ্ত একটি যুগে আমাদের জন্ম; যখন ঈমান রাখা-হাতের মধ্যে গরম কয়লা রাখার চেয়েও কঠিন।চারপাশের এমন পাপাচার, অনাচার, অবিচার, ব্যভিচারে লিপ্ত সমাজ দেখলে খুবই কষ্ট লাগে, মাঝে মাঝে মাথাটা এতটাই গরম হয় যে ইচ্ছা হয় এই দুনিয়া ছেড়ে চলে যেতে; তাহলে হয়ত গুনাহ্ এর পাল্লাটা একটু কম ভারি হবে।  হয়ত এমন অনুভব মাঝে মাঝে এই ব্লগের অনেকেই করে থাকেন, যখন ইসলামী জীবন-যাপন করতে চাইলেও আশেপাশের পরিবেশের কারনে তা করতে পারেন না।তখন হয়ত অনেকের এমনটাও ইচ্ছা হয় সমাজের হারাম, পাপাচারে, অনাচারে, ব্যভিচারে লিপ্ত লোকগুলোকে পিটিয়ে সোজা করি। আসলে কি তাদের পিটিয়ে সোজা করা সম্ভব? সহজ উওর না।কারণ তারা বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার শিকার, ইহুদী-খ্রিস্টানদের চক্রান্তের শিকার, বিষাক্ত ইঁদুরের বিষে জর্জারিত পারিবারিক পরিস্থিতির শিকার।
এখন আমরা যদি এটা বিশ্বাস করি- আমরা মুসলমান ভাই ভাই। তাহলে আপনার-আমার ভাই এমন অনাচার, পাপাচার, গোমরাহীতে লিপ্ত তার জন্য কি আপনার-আমার একটুও দয়া হয় না? বলা হয় হযরত সিদ্দিকে আকবর হযরত আবু বকর সিদ্দিক আলাইহিস সালাম উনার দুটি বিশেষ গুন ছিল-তা হল মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার প্রতি এবং মাখলুকাতের প্রতি অধিক মুহব্বত। এখন যদি আমাদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার প্রতি এবং মাখলুকাতের প্রতি সত্যিই মুহব্বত থাকে তাহলে এই অনাচার, পাপাচার, গোমরাহী সহ্য করা যায়? সহজ উওর না। তাহলে এই সমস্ত অনাচার, পাপাচার, গোমরাহীর বিরুদ্ধে অবশ্যই কিছু একটা করতে হবে।কি করতে হবে? তারও কিন্তু সহজ উওর মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন কুরআন শরীফে দিয়ে দিয়েছেন, ‘‘তোমাদের প্রত্যেক দল থেকে কেন একটা অংশ বের হয় না,যারা দ্বীন ইসলামের জ্ঞান লাভ করে এবং স্বজাতিকে সাবধান করে, যখন তারা তাদের কাছে প্রত্যাবর্তন করবে, যেন তারা বাঁচতে পারে।’’(সূরা তওবা-১২২)

মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন আমাদের সকলকে এই আয়াত শরীফের হাক্বিকী মিছদাক হওয়ার তাওফিক দান করেন এবং সকল মুসলমানদের মধ্যে হযরত সাহাবা-ই-কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের পরস্পরের মধ্যে যেমন মুহব্বত ছিল তেমন মুহব্বত পোষণ করার এবং উনাদেরকে অনুসরন করার তাওফিক দান করেন। আমীন

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+