মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত ১২জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্য থেকে অন্যতম একজন আখাচ্ছুল খাছ বিশেষ খলীফা তথা ১১তম খলীফা হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম।


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرِ بْنِ سَـمُرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰی عَنْهُ قَالَ سَـمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ لَا يَزَالُ الْاِسْلَامُ عَزِيْزًا اِلَى اثْنَىْ عَشَرَ خَلِيْفَةً كُلُّهُمْ مّـِنْ قُرَيْشٍ وَفِىْ رِوَايَةٍ لَا تَزَالُ أُمَّتِىْ عَلَى الْحَقِ ظَاهِرِيْنَ ولَا يَزَالُ اَمْرُ أُمَّتِىْ صَالِـحًا لَا يَضُرُّهُمْ عَدَاوَةُ مَنْ عَادَاهُمْ حَتّٰى يَلِيَهُمُ اثْنَا عَشَرَ خَلِيْفَةً كُلُّهُمْ مّـِنْ قُرَيْشٍ وَفِىْ رِوَايَةٍ لَا يَزَالُ الديْنُ قَائِمًا حَتّٰى تَقُوْمَ السَّاعَةُ أَوْ يَكُوْنُ عَلَيْهِمُ اثْنَا عَشَرَ خَلِيْفَةً كُلُّهُمْ مّـِنْ قُرَيْشٍ .
“হযরত জাবির ইবনে সমুরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শুনেছি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, দ্বীন ইসলাম ততদিন পর্যন্ত পরাক্রমশালী থাকবে, কুওওয়াতশালী থাকবে যতদিন পর্যন্ত ১২ জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক আর্বিভাব ঘটবে। উনারা প্রত্যেকেই সম্মানিত কুরাইশ বংশীয় হবেন। অন্য বর্ণনায় এসেছে, আমার সম্মানিত উম্মত উনারা ততদিন পর্যন্ত সম্মানিত হক্ব উনার উপর অবিচল থাকবেন, উনাদের সম্মানিত শাসন ব্যবস্থা তথা সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবরক ততদিন পর্যন্ত সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে এবং উনাদের শত্রুরা উনাদের বিরোধিতা করে কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবে না, যতদিন পর্যন্ত উনাদের মাঝে ১২জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনারা সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক পরিচালনা করবেন। উনারা প্রত্যেকেই সম্মানিত কুরাইশ বংশীয় হবেন। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ক্বিয়ামত অবধি সময়ের মধ্যে দ্বীন ইসলাম শক্তিশালী থাকবে ১২ জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাধ্যমে। উনারা প্রত্যেকেই সম্মানিত কুরাইশ বংশীয় হবেন।” (সুবহানাল্লাহ) {দলীল সমূহ : (১) বুখারী, (২) মুসলিম, (৩) আবূ দাউদ, (৪) তিরমিযী, (৫-১০) মুসনাদে আহমদ এছাড়াও পৃথিবীর আরো অন্যান্য বিশ্বখ্যাত কিতাব মুবারক উনাদের মধ্যে আলোচ্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা রয়েছে। (সুবহানাল্লাহ)}
ধারাবাহিকতার দিক থেকে যেহেতু ছিদ্দীক্বে আকবর সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি ১ম খলীফা, ফারূক্বে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত উমর ইবনুল খত্ত্বাব আলাইহিস সালাম তিনি ২য় খলীফা, সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাঈন আলাইহিস সালাম তিনি ৩য় খলীফা, আসাদুল্লাহিল গালিব সাইয়্যিদুনা হযরত আলী র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি ৪র্থ খলীফা, ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম তিনি ৫ম খলীফা, ছাহিবুস সির সাইয়্যিদুনা হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ৬ষ্ঠ খলীফা, সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ৭ম খলীফা, হযরত ওমর বিন আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৮ম খলীফা, আমীরুল মু’মিনীন, শহীদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৯ম খলীফা, সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা, খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি ১০ম খলীফা এবং হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম তিনি ১২তম খলীফা। সুতরাং সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা, খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল উমাম হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি মুবারক ধারাবাহিকতার দিক থেকে অবশ্যই অবশ্যই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে বর্ণিত ১২জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্য থেকে অন্যতম একজন আখাচ্ছুল খাছ বিশেষ খলীফা তথা ১১তম খলীফা হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম। এখানে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই। (সুবহানাল্লাহ)
কেননা উনার সম্মানিত শান মুবারক-এ মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ‘আমার যত লক্বব মুবারক রয়েছে সমস্ত লক্বব মুবারক উনার অধিকারী হচ্ছেন আমার সুযোগ্য আওলাদ খলীফাতুল উমাম হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম তিনি। (সুবহানাল্লাহ) উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি আমার হুবহু ক্বায়িম মাক্বাম করেছেন।’ (সুবহানাল্লাহ)
খলীফাতুল উমাম আল মানছূর হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত ১২জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্য থেকে অন্যতম একজন আখাছ্ছুল খাছ বিশেষ খলীফা তথা ১১তম খলীফা হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম, তার আরো একটি অতি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হচ্ছে, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি আমাদের মাঝে, সমস্ত কায়িনাতের মাঝে উনার সুযোগ্য আওলাদ ১১তম খলীফা হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম উনার একখানা বিশেষ লক্বব মুবারক প্রকাশ করেছেন। আর সেই সম্মানিত বিশেষ লক্বব মুবারকখানা হচ্ছে, ‘খলীফাতুল উমাম’। (সুবহানাল্লাহ) এই সম্মানিত লক্বব মুবারক উনার অর্থ মুবারক হচ্ছে, সমস্ত উম্মত তথা সমস্ত কায়িনাতের খলীফা। (সুবহানাল্লাহ) অর্থাৎ ১১তম খলীফা, খলীফাতুল উমাম, আল মানছূর হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম উনার পক্ষ থেকে সমস্ত উম্মতের জন্য, তামাম বিশ্ববাসীর জন্য, সমস্ত কায়িনাতের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ খলীফা। (সুবহানাল্লাহ) তিনি সারা পৃথিবীব্যাপী, সারা কায়িনাতব্যাপী সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক পরিচালনা করবেন। তাই উনার সম্মানিত লক্বব মুবারক হচ্ছে, ‘খলীফাতুল উমাম’। (সুবহানাল্লাহ)
সুতরাং এই কথা আর বলার অপেক্ষাই রাখে না যে, অবশ্যই অবশ্যই আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল উমাম সাইয়্যিদুনা ইমাম হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ এবং পূর্ববর্তী সম্মানিত আসমানী কিতাব মুবারক উনাদের মধ্যে বর্ণিত ১২জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্য থেকে অন্যতম একজন বিশেষ খলীফা তথা ১১তম খলীফা হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম । (সুবহানাল্লাহ)
এটাই হচ্ছে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, সম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ সম্মত সর্বোত্তম বিশুদ্ধ ফায়সালা। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম,মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনা মুবারক অনুযায়ী নূরে মুজাস্সাম, হবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম উনার সম্মানার্থে, উনার হুবহু ক্বায়িম মাক্বাম হয়ে হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনার ন্যায় সারা পৃথিবীতো অবশ্যই; এমনকি সীমাহীন প্রতাপ ও ব্যাপকতার সাথে শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ব্যতীত সারা কায়িনাত বলতে যা বুঝায়, সেই সারা কায়িনাতব্যাপী সুদীর্ঘ ৩০-৪০ বৎসর যাবত সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক পরিচালনা করবেন। (সুবহানাল্লাহ) আর উনার পর উনার হুবহু নক্বশা মুবারক হয়ে, কায়িম মাক্বাম হয়ে উনার অনুকরণে উনার সুমহান আওলাদ, খলীফাতুল উমাম, আল মানছূর হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহি সালাম তিনিও সারা পৃথিবীব্যাপী, সারা কায়িনাতব্যাপী সুদীর্ঘ ৩০-৪০ বৎসর যাবত সম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক পরিচালনা করবেন। (সুবহানাল্লাহ) উনার আযীমুশ শান এই মহাসম্মানিত খিলাফত ‘আলা মিনহাজিন নুবুওওওয়াহ মুবারক উনাকে’ কেউ বিনষ্ট করতে পারবে না। কেননা তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, সম্মানিত হদীছ শরীফ এবং পূর্ববর্তী সম্মানিত আসমানী কিতাব মুবারক উনাদের মধ্যে বর্ণিত ১২ জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্য থেকে ১১ তম খলীফা তথা মহান খলীফা আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম,হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম। (সুবহানাল্লাহ) উনার মুবারক শানে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
وَاَمَّا الْـمَنْصُوْرُ فَلَا تُرَدُّ لَهٗ رَايَةٌ
“আর যিনি মহান খলীফা হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম হবেন, উনার সম্মানিত খিলাফতী নিশান মুবারক উনাকে কেউ অবনত করতে পারবে না। অর্থাৎ উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনাকে কেউ বিনষ্ট করতে পারবে না।” (সুবহানাল্লাহ) (জামিউল আহাদীছ ৭/৪২০, ১৭/২৫৭, বাইহাক্বী ও আবূ নাঈম উনদের বরাতে সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ১০/৯২)
অন্যদিকে তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সেই সম্মানিত আখাছ্ছুল খাছ খুছূছিয়াত মুবারক উনার অধিকারী, যেটা নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত শান মুবারক-এ বলা হয়েছে,
تَوَجَّهْ حَيْثُ شِئْتَ فَاِنَّكَ الْـمَنْصُوْرُ
“(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম!) আপনি যে দিকে ইচ্ছা ভ্রমণ করুন। (আপনার শত্রুরা আপনার কোন ক্ষতি সাধন করতে পারবে না।) কেননা আপনি হচ্ছেন, আল মানছূর তথা চরম গইবী মদদপ্রাপ্ত।” (সুবহানাল্লাহ) (আবূ নাঈম শরীফ, খছাইছুল কুবরা শরীফ লিস সুয়ূত্বী ১/৩৮ ও ১০৫, সিয়ারু আ’লামিন নুবালা ১/১৬৭, জামউ ওয়াসায়িল ফী শরহে শামাইল, তুহফাতুল আহওয়ায ৯/৫৪)
কাজেই এই আখাছ্ছুল খাছ খুছূছিয়াত বা বৈশিষ্ট্য মুবারক উনার অধিকারী মহান খলীফা, খলীফাতুল উমাম, আল মানছূর হযরত শাহাযাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সাথে যারা শত্রুতা পোষণ করবে, উনার যারা বিরোধীতা করবে, তারা কস্মিনকালেও উনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না এবং উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনারও কোন ক্ষতি করতে পারবে না; বরং তারা নিজেরাই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে, ধ্বংস হয়ে যাবে, তাদের অস্থিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। (সুবহানাল্লাহ)

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে