মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থাৎ ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে বাংলাদেশের মুসলমানদের ১২টি দাবী


সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ জিন্দাবাদ!!
জারি থাকুক আবাদুল আবাদ!!
সকাল সন্ধ্যা প্রতিদিন, অনন্তকাল ব্যাপী চিরদিন!!
হাক্বীকীভাবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার কোশেশে মশগুল থাকার তাওফীক দিন!!

মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থাৎ ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে বাংলাদেশের মুসলমানদের ১২টি দাবী-

১.নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে মানহানীকর বক্তব্য, লেখা, প্রকাশনা, টিভি প্রোগ্রাম, রেডিও প্রোগ্রাম, ইন্টারনেটে স্ট্যাটাসসহ যে কোন বিষয় প্রচার, প্রকাশ ও প্রদানকারীর শাস্তি মৃত্যুদ- দিতে হবে। মানহানীকর সকল বিষয় নিষিদ্ধ করতে হবে এবং দোষী ব্যক্তির শাস্তি কার্যকরে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

২.পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ ব্যাপকভাবে পালনে সরকারীভাবে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করা।

৩.প্রজাতন্ত্রের সকল মুসলমান কর্মচারীকে পবিত্র রবিউল আউয়াল শরীফ মাসে বোনাস প্রদান করা।

৪.১২ই রবিউল আউয়াল শরীফ উনার সম্মানে সর্বপ্রকার অশ্লীল ও অশালীন কাজ বন্ধ করতে হবে। দেশে মোবাইল ও ইন্টারনেটে পর্নো এবং ভারতীয় টিভি সিরিয়াল এবং সুন্দরী প্রতিযোগীতা বন্ধে শক্ত পদক্ষেপ নেয়া।

৫.সব শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সুমহান জীবনী মুবারক বাধ্যতামূলক করতে হবে। উনাদের শানের খিলাফ বিষয়গুলো প্রত্যাহার করতে হবে।

৬.সরকারী-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠান ও মসজিদে-মাদরাসায় ১২ই রবিউল আউয়াল শরীফ দিবসে বিশেষ মীলাদ শরীফ মাহফিল ও তাবারুকের আয়োজন করা।

৭.পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা ১২ই শরীফ সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতায় রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপন করা ও নিন্মক্ত কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা।
ক) দেশের সব সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যাপকভাবে উদযাপনে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নির্দেশনা জারী করা।
খ) দেশব্যাপী সরকারী-বেসরকারী স্থাপনাসমূহ মনোরম সাজে সজ্জিত করা।
গ) পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিবসে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি এবং নিজ নিজ এলাকায় মন্ত্রী-এমপি কর্তৃক সর্বস্তরের জনগণের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করা।
ঘ) মাসব্যাপী সরকারী ছুটি প্রদান।
ঙ) বছরব্যাপী ইসলামী ও সামাজিক অনুষ্ঠানসূচী ঘোষণা করা। যেমন, ওয়াজ মাহফিল, দ্বীনি তা’লীমের ব্যবস্থা, বই প্রদর্শনী, সামরিক প্রদর্শনী, সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা, পতাকা উত্তোলন, অস্বচ্ছল ও বেকারদের চাকুরীর ব্যবস্থা দেয়া, গৃহহীনদের গৃহ দেয়ার ঘোষণা দেয়া।
চ) আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসের মতো ১২ই রবিউল আউয়াল শরীফ দিবসকে বিশ্বছুটির ঘোষণার উদ্যোগ গ্রহণ করা।

৮.পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে সরকারী সব প্রতিষ্ঠানে ছাড় দেয়া এবং বিশেষ পণ্য সামগ্রী তৈরী করা।

৯.সর্বস্তরে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জারী করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মতো স্বতন্ত্র শক্তিশালী গবেষণা কেন্দ্র এবং পৃথক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা।

১০.১২ই রবিউল আউয়াল শরীফ দিবস মুবারকে দেশের সব মসজিদ-মাদরাসা, ইয়াতীমখানা, মাজার শরীফসহ সব গরীব, দুঃখীদের নতুন পোশাক, ওষুধ বিতরণ, নগদ অর্থ বরাদ্দ ও বিশেষ খাবার সরবরাহ করা।

১১.দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে বিশেষভাবে প্রতিযোগীতার আয়োজন করা।

১২.দেশের সকল বিভাগ, জেলা, থানাভিত্তিক তথা দেশব্যাপী সব ধরনের প্রতিষ্ঠানে সর্ব সাধারণের মধ্যে প্রতিযোগীতার আয়োজন করা। যাতে সবাই ‘ফালইয়াফরাহু’ বা খুশী প্রকাশ করতে পারে। আন্তর্জাতিক সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ আন্তর্জাতিক উদযাপন কমিটিকে সর্বোচ্চ সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা করা।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে