মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারক-ই পবিত্র ঈমান উনার মূল


পবিত্র হাদীছ শরীফ হচ্ছেন- সমস্ত ইলিম উনার জামে’ বা সমষ্টি। কারণ, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সৃষ্টির শুধু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত ইলিম হাদিয়া মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ!!!

আর উম্মুল হাদীছ শরীফ অর্থাৎ সমস্ত হাদীছ শরীফ উনাদের মাতা বা মূল হচ্ছেন- এই পবিত্র হাদীছ শরীফ খানা,

“তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবেনা যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের পিতা-মাতা (পূর্বপুরুষ), সন্তান-সন্ততি (বংশধর), পৃথিবীর সমস্ত মানুষ এবং নিজের মাল এবং এমনকি নিজের জীবন থেকেও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সবচাইতে বেশী মুহব্বত না করবে।”

এই সম্মানিত হাক্বীক্বী মুহব্বত মুবারক লাভ করা যাবে একমাত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত মুহব্বত মুবারক উনার মাধ্যম দিয়ে। সুবহানাল্লাহ!!!

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন, “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়া’লা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো কেননা তিনি তোমাদের সমস্ত নিয়ামত, সমস্ত রিযিক দিয়ে থাকেন। আর তোমরা আমাকে অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুহব্বত করো মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত লাভ করার জন্য। আর তোমরা মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত করো, আমার মুহব্বত লাভ করার জন্য।” সুবহানাল্লাহ!!!

এই সম্মানিত হাদীছ শরীফ মুতাবিক যে, বিষয়টি স্পস্ট হয় সেটি হলো- হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারক-ই মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুহব্বত মুবারক উনাদের জামে’ বা সমষ্টি এবং পবিত্র ঈমান উনার মূল। সুবহানাল্লাহ!!!

কেউ যদি বলে যে, আমি মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করি কিন্তু উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুহব্বত করতে, উনার ছানা-ছিফত মু্বারক, উনার প্রশংসা মুবারক, উনার তা’যীম-তাকরীম মুবারক করতে আমার ভালো লাগেনা, পছন্দ লাগেনা (নাউযুবিল্লাহ!!!) সে কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবেনা। নাউযু্বিল্লাহ!!!

ঠিক একই ভাবে, কেউ যদি বলে যে- আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুহব্বত করি কিন্তু উনার মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করতে, উনাদের ছানা-ছিফত মুবারক, উনাদের প্রশংসা মুবারক, উনাদের তা’যীম-তাকরীম মুবারক করতে আমার ভালো লাগেনা, পছন্দ হয়না (নাউযুবিল্লাহ!) সে কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবেনা। নাউযুবিল্লাহ!!!

বর্তমান যামানায় আমাদের অত্যন্ত খোশ নছীব, পরম সৌভাগ্যের বিষয় যে, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম এবং মহাসম্মানিত আহলুল মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন- আখাচ্ছুল খাছ আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তুর্ভূক্ত। সুবহানাল্লাহ!!!

তাই- সমস্ত মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জ্বীন-ইনসান সকলের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম এবং মহাসম্মানিত আহলুল মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত করা, পাক ক্বদম মুবারকে এসে বাইয়াত গ্রহণ করা, উনাদের বেশী বেশী ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করা, উনাদের ছানা-ছিফত মুবারাক করা, উনাদের তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা এবং খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়া।

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে