মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত ঈমানের মূল। তাই উনাদের ছানা-ছিফত ও ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক পাঠ্যপুস্তকে সংযুক্ত করা মুসলমানদের ঈমানী দাবি


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
قُل لَّا اَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرً‌ا اِلَّا الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْ‌بٰـى ۗ وَمَن يَقْتَرِ‌فْ حَسَنَةً نَّزِدْ لَهٗ فِيْهَا حُسْنًاۚ اِنَّ اللهَ غَفُوْرٌ‌ شَكُوْرٌ
অর্থ: “(হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) উম্মাহকে বলে দিন যে, তোমাদেরকে ঈমান-হিদায়েত দেয়ার কারণে তোমাদের কাছে কোনো বিনিময় চাওয়া হচ্ছে না। বিনিময় দেয়া তোমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। বিনিময় দেয়ার ইচ্ছা পোষণ করাও তোমাদের জন্য কুফরী। তোমাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে আমার ক্বুরবা বা নিকটাত্মীয় আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে তোমরা সদাচরণ করো। যে ব্যক্তি নেকী হাছিল করে, আমি তা বৃদ্ধি করে দেই। অর্থাৎ যে ব্যক্তি উনাদের সাথে উত্তম ব্যবহার করবে তার জন্য রয়েছে সর্বোত্তম প্রতিদান। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমাশীল এবং প্রতিদান প্রদানকারী।” (পবিত্র সূরা শু‘য়ারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি সদাচরণ তথা সর্বোচ্চ হুসনে যন বা সু-ধারণা পোষণ করতে হবে, উনাদের ছানা-ছিফত করতে হবে, উনাদের সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বা জীবনী মুবারক বেশি বেশি আলোচনা-পর্যালোচনা করতে হবে। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি দুনিয়া-আখিরাতে উত্তম প্রতিদান প্রদান করবেন। মহান আল্লাহ পাক উনাকে ক্ষমাশীল হিসেবে লাভ করা যাবে। জিন্দেগীর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করা হবে। খাছ খায়ের, বরকত, রহমত, সাকীনা নাযিল হবে। সমস্ত নেক মক্বছূদ পূরণ হবে। সর্বপোরি মহান আল্লাহ পাক এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে বিশেষ নিসবত মুবারক প্রতিষ্ঠিত হবে এবং উনাদের আখাছছুল খাছ সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিল হবে। সুবহানাল্লাহ! আর এ বিষয়টিই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হয়-
عَنْ حضرت جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ الْبَجَلِىِّ رضى الله تعالى عنه قَالَ قَالَ رَسُوْلُ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم مَنْ مَاتَ عَلـٰى حُبِّ اٰلِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم مَاتَ شَهِيْدا. أَلا وَمن مَاتَ عَلـٰى حُبِّ اٰلِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم مَاتَ مغفورا لَهُ. أَلا وَمن مَاتَ عَلـٰى حُبِّ اٰلِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم مَاتَ تَائِبًا. أَلا وَمن مَاتَ عَلـٰى حُبِّ اٰلِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم مَاتَ مُؤمنا مُسْتَكْمل الْإِيمَان. أَلا وَمن مَاتَ عَلـٰى حُبِّ اٰلِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم بشره ملك الْمَوْت بِالْجنَّةِ ثمَّ مُنكر وَنَكِير. أَلا وَمن مَاتَ عَلـٰى حُبِّ اٰلِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم يزف إِلَى الْجنَّة كَمَا تزف الْعَرُوس إِلَى بَيت زَوجهَا. أَلا وَمن مَاتَ عَلـٰى حُبِّ اٰلِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فتح الله لَهُ فِي قَبره بَابَيْنِ إِلَى الْجنَّة. أَلا وَمن مَاتَ عَلـٰى حُبِّ اٰلِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم جعل الله قَبره مَزَار مَلَائِكَة الرَّحْمَة. أَلا وَمن مَاتَ عَلـٰى حُبِّ اٰلِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم مَاتَ عَلَى السّنة وَالْجَمَاعَة

অর্থ: “হযরত জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ বাজালী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যিনি সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তেকাল করবেন, তিনি শহীদ হিসাবে ইন্তেকাল করবেন। সুবহানাল্লাহ! সাবধান! যিনি সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তেকাল করবেন, তিনি ক্ষমাপ্রাপ্ত হয়ে ইন্তেকাল করবেন। সুবহানাল্লাহ! সাবধান! যিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তেকাল করবেন, তিনি তওবাকারী হিসেবে ইন্তেকাল করবেন। সুবহানাল্লাহ! সাবধান! যিনি সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তেকাল করবেন, তিনি পরিপূর্ণ ঈমানদার মু’মিন হিসেবে ইন্তেকাল করবেন। সুবহানাল্লাহ! সাবধান! যিনি সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তেকাল করবেন, উনাকে মালাকুল মউত আলাইহিস সালাম, হযরত মুনকার ও নকীর আলাইহিমাস সালাম উনারা সম্মানিত বেহেশত মুবারক উনার সুসংবাদ মুবারক দিবেন। সুবহানাল্লাহ! সাবধান! যিনি সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তেকাল করবেন, উনাকে এমনভাবে সুসজ্জিত করে জান্নাতে নেয়া হবে, যেমনভাবে নববধূকে সাজিয়ে তার স্বামীর ঘরে নেয়া হয়। সুবহানাল্লাহ! সাবধান! যিনি সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তেকাল করবেন, উনার কবরে সম্মানিত জান্নাত উনার দিকে দুটি দরজা খুলে দেয়া হবে। সুবহানাল্লাহ! সাবধান! যিনি সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তেকাল করবেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি উক্ত কবরকে সম্মানিত রহমতের ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের যিয়ারতের স্থান বানাবেন। সুবহানাল্লাহ! সাবধান! যিনি সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তেকাল করবেন, তিনি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বাইদের উপর ইন্তেকাল করবেন।” সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!! সুবহানাল্লাহ!!! (তাফসীরে কুরতুবী, তাফসীরে কবীর, তাফসীরে রূহুল বয়ান, নুজহাতুল মাজালিস)
অর্থাৎ যে ব্যক্তি সম্মানিত হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তেকাল করবেন, (১). তিনি শহীদী মৃত্যু পাবেন। (২). তিনি ক্ষমাপ্রাপ্ত হয়ে ইন্তেকাল করবেন। (৩). তিনি তওবাকারী হিসেবে ইন্তেকাল করবেন। (৪). তিনি পরিপূর্ণ ঈমানদার মু’মিন হিসেবে ইন্তেকাল করবেন। (৫). উনাকে মালাকুল মউত আলাইহিস সালাম, হযরত মুনকার ও নকীর আলাইহিমাস সালাম উনারা সম্মানিত বেহেশত মুবারক উনার সুসংবাদ মুবারক দিবেন। (৬). উনাকে নববধূর ন্যায় সুসজ্জিত করে জান্নাতে নেয়া হবে (৭). উনার কবরে সম্মানিত জান্নাত উনার দিকে দুটি দরজা খুলে দেয়া হবে। (৮). মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কবরকে সম্মানিত রহমতের ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের যিয়ারতের স্থান বানাবেন। (৯). তিনি সম্মানিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বাইদের উপরই ইন্তেকাল করবেন।” সুবহানাল্লাহ!
হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তেকাল করলে উপরোক্ত নিয়ামতসমূহ লাভ করা যায়, কেউ যদি জীবিত অবস্থায় হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত না করে, উনাদের খিদমতের আঞ্জাম না দেয়, তাহলে সে কি ইন্তিকালের সময় উনাদের মুহব্বত অন্তরে রাখতে পারবে? কখনোই নয়। হ্যাঁ, যদি জীবিত অবস্থায় হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত করে, উনাদের খিদমতের আঞ্জাম দেয়, তাহলে তার জন্য উভয়কালেই কামিয়াবী।
যা অন্য হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন-
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اربعة انا لـهم شفيع يوم القيامة الـمكرم لذريتى والقاضى لـهم حوائجهم والساعى لهم فى امورهم عند اضطرارهم اليه والمحب لهم بقلبه ولسانه-
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ক্বিয়ামতের দিন আমি নিজেই চার শ্রেণীর লোককে খাছভাবে সুপারিশ করবো- ১. যে ব্যক্তি আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সম্মান করবে। ২. যে ব্যক্তি অর্থ-সম্পদ দ্বারা আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের খিদমত করবে। ৩. যে ব্যক্তি দৈহিক শক্তি দিয়ে, শ্রম দিয়ে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের খিদমত করবে। ৪. যে ব্যক্তি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মনে-প্রাণে, জবানে গভীরভাবে মুহব্বত করবে।” (আল বুরহানু ফী তাফসীরিল কুরআন লিল বাহরানী- ১/২৩, তাফসীরু নূরিছ ছাক্বালাইন লিল হুয়াইযী ২/৫০৪)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ سَلمَةَ بْنِ الأَكْوَع رَضِىَ الله تَعَالى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ النجوم أمان لأهل السماء ، وأهل بيتي أمان لأهل الأرض ، فإذا ذهبت النجوم ذهب أهل السماء ، وإذا ذهب أهل بيتي ذهب أهل الأرض
অর্থ: “হযরত সালমা ইবনে আকওয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- আকাশের তারকারাজি আসমানবাসীদের জন্য নিরাপত্তা দানকারী। আর আমার পবিত্র আহলু বাইত শরীফ তথা আওলাদুর রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা আমার উম্মত তথা গোটা কায়িনাতবাসীর একমাত্র নিরাপত্তা দানকারী তথা নাজাত দানকারী। সুবহানাল্লাহ! তারকারাজি যখন বিদায় নিবে, তখন আসমানবাসীগণও বিদায় নিবেন। আর আমার পবিত্র আহলু বাইত শরীফ তথা আওলাদুর রসূল আলাইহিমুস সালাম যখন বিদায় নিবেন, তখন যমীন ধ্বংস হয়ে যাবে।” (কানযুল উম্মাল)
অর্থাৎ যমীনে দায়িমীভাবে সবসময় খাছ পবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের কেউ না কেউ অবস্থান মুবারক করবেন। উনাদের উসীলায় এই যমীন টিকে থাকবে। ক্বিয়ামতের আগে এই যমীন পবিত্র আহলু বাইত শরীফ তথা আওলাদুর রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে খালি হবে না। তাহলে বর্তমান সময়ে পবিত্র আহলু বাইত শরীফ তথা আওলাদুর রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা কারা? সে বিষয়টিই বলা হয়েছে-
মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার যবান মুবারক-এ আমরা শুনেছি। তিনি বলেন: “আমি মুবারক স্বপ্নে দেখলাম- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অতি সুন্দর জায়গায় সুন্দর একটি আসন মুবারকে বসে রয়েছেন। উনার মুবারক সামনে ঘেরাও করা মনোরম জায়গা মুবারক রয়েছে। তিনি আমাকে এবং আমার আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে ডেকে নিয়ে ওই মুবারক জায়গায় বসালেন এবং বললেন, “আপনারা সবাই আমার আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত’।”
মূল কথা হচ্ছে- হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে যারা দুনিয়া হতে পর্দা করেছেন এবং যারা দুনিয়াতে অবস্থান মুবারক করছেন, উনাদের সকলকে সর্বাধিক মুহব্বত করতে হবে, সার্বিকভাবে উনাদের খিদমত মুবারকের আঞ্জাম দিতে হবে এবং উনাদের মুবারক শানে সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে হবে। যা ঈমান পূর্ণতার পূর্বশর্ত। আর এজন্যই মুসলিম সন্তানদেরকে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ব্যাপারে অবগত করতে মাদরাসা স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসে উনাদের আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করা অতীব জরুরী।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে