মানবজাতির শুরু থেকেই পবিত্র কুরবানী কায়েম রয়েছে এবং থাকবে


পবিত্র কুরবানী নিয়ে আমাদের দেশে এ পর্যন্ত যত কাহিনী রচিত হয়েছে, যেমন যানজটের অজুহাতে শহর থেকে কুরবানীর পশুর হাট শহরের প্রান্তে নিয়ে যাওয়া, কুরবানীর স্পষ্ট নির্ধারণ করা, পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার নিয়ম চালু করা- ইত্যকার কাহিনী পর্যালোচনা করার পর একটি বিষয় অত্যন্ত স্পষ্ট হয়েছে যে, এগুলোর উদ্দেশ্য হলো মুসলমানদের একটা সম্মানিত ফযিলতপুর্ণ আমলে বাধা সৃষ্টি করা। এটা মুসলমানদের ঈমান, আকীদা, আমল নষ্ট করে দেয়ার লক্ষে কাফির-মুশরিকদের দীর্ঘমেয়াদী চক্রান্তেরই একটা অংশ। এর যথেষ্ট প্রমাণ মেলে কাফির-মুশরিকরা উন্নয়নের নামে বাংলাদেশে যে সব কার্যক্রম পরিচালনা করছে সেগুলোর লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের মধ্যে।

এদেশের নারীদের বেপর্দা করা, বেহায়াপনাকে উস্কে দেয়া, সম্মানিত সুন্নতী আমল বাল্যবিবাহ রোধ করা, মুসলমানদের সংখ্যা বাড়তে না দেয়া, ছবি-টিভি চ্যানেল, খেলাধুলা ইত্যাদিসহ সম্মানিত শরীয়তে যেসব বিষয়গুলো হারাম করা হয়েছে, মুসলমানদের সেসবের মধ্যে মশগুল করে দেয়া। আর যেসব বিষয় হালাল এবং ফযীলত-রহমত-বরকত পূর্ণ সেগুলো থেকে মুসলমানদের ফিরিয়ে রাখা। নাউজুবিল্লাহ! আর এ বছর করোনা ভাইরাসের কারণে একটা মোক্ষম মওকা পাওয়া গেছে। কতটা বিধি-নিষেধ আরোপ করা যেতে পারে তা নিয়ে সিটি কর্পোরেশনে গলদঘর্ম সভা চলছে।

সভা চলুক, বাধা দেয়ার লক্ষ্যে যত পারে তত ফিকির করুক। তবে তাদের জানা থাকা আবশ্যক- পবিত্র কুরবানী এমন একটি সম্মানিত আমল যা মানবজাতীর ইতিহাসের শুরু থেকে ছিল, এখনও আছে এবং ভবিষ্যতেও কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বরং এটাকে নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করেছে, পরিণামে তারাই ধ্বংস হয়েছে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে