মানব বন্ধন।


বিশেষ প্রতিবেদন – ৯ আগস্ট, ২০১৫ ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩টি ইসলামিক দলের উদ্যোগে ১৭ দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিশাল মানববন্ধন দাবিসমূহ:- সূত্র: দিনকাল। * পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীকর কার্টুন প্রদর্শনী ও ছবি ছাপানো নিষিদ্ধ করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রণী ভুমিকা পালন করা এবং সংসদে নিন্দা প্রস্তাব পাস করতে হবে। * দেশের ২০ লাখ মসজিদে গরু যবেহ করে মীলাদ শরীফ পাঠের মাধ্যমে ১৫ আগস্ট ব্যাপকভাবে পালন করা এবং শোকের মাসে টিভি চ্যানেলে নাচ-গানসহ সব ধরনের কথিত বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা এবং ১৫ আগস্ট মিথ্যা জন্মদিন পালনকারী খালেদা জিয়াকে মুনাফিক হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। * কুরবানীকে বাধাগ্রস্ত করতে কুরবানীর পশুর হাট রাজধানীর বাইরে নেয়া বন্ধ করা এবং পশুর হাট বৃদ্ধি করতে হবে। * কুরবানীর স্থান নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। * বাংলাদেশকে মরুভূমিতে পরিণত করার ফাঁদ ভারতীয় আন্তঃনদী সংযোগ বাতিল করতে হবে। * ভারত, চীন, মধ্য এশিয়ান প্রজাতন্ত্রসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুসলিম নির্যাতন বন্ধে সরকারিভাবে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। * সাকা চৌধুরী, মইত্যা, মইজ্যা রাজাকারসহ সকল যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং আ’লীগ-ছাত্রলীগ-যুবলীগে জামাতী অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে। * হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসব ‘গাদীমাই’ উপলক্ষে গরু, মহিষসহ বিভিন্ন পশু বলি দেয়া বৈধ হলে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব কুরবানী উপলক্ষে পশু কুরবানী নিষিদ্ধ হবে কেন? অবিলম্বে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কুরবানীর উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ভারত সরকারকে চাপ প্রয়োগ করতে হবে। * ঈদের দিন হিন্দুদের রথযাত্রা করে মুসলমানদের ঈদের দিন মøান করার ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে। * বিদেশী স্বার্থ রক্ষাকারী দেশদ্রোহী সিএইচটি কমিশনসহ বিদেশী দালালদের নিষিদ্ধ করতে হবে। * ইসলামবিরোধী রচনা পাঠ্যক্রম থেকে বাদ ও বিতর্কিত শিক্ষানীতি বাতিল করতে হবে। * ঈদের ছুটি ১০ দিনে বর্ধিত করতে হবে। * মেয়েদের বিয়ের কোনো বয়স নির্ধারণ করা যাবে না, সুন্নতী বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কুফরী আইন বাতিল করতে হবে। * প্রশাসনে হিন্দুতোষণ বন্ধ করা। * সব ভারতীয় টিভি চ্যানেল ও পর্ন সাইট অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। * ইসলাম বিদ্বেষী লেখক ব্লগার কর্তৃক বিভিন্ন ব্লগ, ওয়েবসাইট, স্যোসাল মিডিয়ায় কুরুচিপূর্ণ নাস্তিক্যবাদী লেখা বন্ধে ধর্ম অবমাননার জন্য মৃত্যুদণ্ডের আইন প্রণয়ন করতে হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩টি ইসলামিক দলের উদ্যোগে ১৭ দফা দাবিতে শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা ১৭টি বিষয়ে বিভিন্ন দাবি ও তথ্য তুলে ধরে জোরালো বক্তব্য রাখেন। * পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীকর কার্টুন প্রদর্শনী ও ছবি ছাপানো নিষিদ্ধ করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রণী ভুমিকা পালন করা এবং সংসদে নিন্দা প্রস্তাব পাস করতে হবে: মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আগামী মাসে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইসলামবিরোধী নাস্তিক গোষ্ঠী লন্ডনে মহানবী হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কার্টুন প্রদর্শনীর সিদ্ধান্ত নিয়েছে (নাউযুবিল্লাহ!)। তাছাড়া ফ্রান্স, ডেনমার্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীকর ব্যঙ্গচিত্র, কার্টুন বের করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে। সুতরাং মানবাধিকার সনদ অনুযায়ী মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত দেয়ার বিপরীতে এসব দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চাপ তৈরিতে বিশ্বের ২য় বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অগ্রণী ভুমিকা পালন করতে হবে এবং সংসদে নিন্দা প্রস্তাব পাস করতে হবে। এতে দেশে-বিদেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভাবমর্যাদা বৃদ্ধি পাবে এবং জনগণ সরকারকে ধর্মপ্রাণদের সরকার হিসেবে গণ্য করবে। * দেশের ২০ লাখ মসজিদে গরু যবেহ করে মীলাদ শরীফ পাঠের মাধ্যমে ১৫ আগস্ট ব্যাপকভাবে পালন করা এবং শোকের মাসে টিভি চ্যানেলে নাচ-গানসহ সব ধরনের কথিত বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা এবং ১৫ আগস্ট মিথ্যা জন্মদিন পালনকারী খালেদা জিয়াকে মুনাফিক হিসেবে ঘোষণা করতে হবে: বক্তারা বলেন, সারাদেশের ২০ লাখ মসজিদে গরু যবেহ করে মীলাদ শরীফ, হামদ, না’ত, ক্বাছীদা শরীফ ইত্যাদির মাধ্যমে ১৫ আগস্ট ব্যাপকভাবে পালন করতে ব্যাপক সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে এবং শোকের মাস হিসেবে গোটা আগস্ট মাসে সব টিভি চ্যানেলে নাচ-গানসহ সব ধরনের বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। তাছাড়া ১৫ আগস্ট মিথ্যা জন্মদিন পালনকারী খালেদা জিয়ার জন্মদিন প্রত্যাহার না করলে তাকে মুনাফিক হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। * কুরবানীকে বাধাগ্রস্ত করতে কুরবানীর পশুর হাট রাজধানীর বাইরে নেয়া বন্ধ করা এবং পশুর হাট বৃদ্ধি করতে হবে: বক্তারা বলেন, ইসলামবিদ্বেষীরা প্রতিবছর কুরবানী পশুর হাট নিয়ে অপপ্রচার করে। অথচ যখন পহেলা বৈশাখে হিন্দুয়ানি পূজার অনুষ্ঠানের সময় সারা বাংলাদেশের সবচেয়ে মুমূর্ষু রোগীদের চিকিৎসার স্থান ঢাকা মেডিকেল, পিজি হাসপাতাল ও বারডেমসহ গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে আগমনের সবগুলো রাস্তাই ব্যারিকেড দিয়ে আটকানো থাকে, চর্তুদিকে থাকে হারাম বৈশাখপ্রেমী অজস্র উচ্ছৃঙ্খল মানুষের ভীড়, সেখানে অ্যাম্বুলেন্স চলাতো দূরের কথা, পায়ে হেঁটে মানুষই চলতে পারে না। তা নিয়ে ইসলামবিদ্বেষীরা কোনো মাতামাতি করে না। শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের অবস্থানের কারণে বারডেম, পিজি, ঢাকা মেডিকেলের রোগীরা টানা ৬ দিন ধরে অবরুদ্ধ ছিল। তখনও এসব ইসলামবিদ্বেষীরা কিছু বলেনি। যখন কুরবানীর সময় আসে তখন তারা কুরবানীর পশুর হাটের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগে। এ প্রেক্ষিতে এ বছর ঢাকা শহরের ভেতরে কুরবানীর পশুর হাট না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। শুধু তাই নয়; এবার গতবারের চেয়ে ৫টি পশুর হাট কমিয়ে দিয়েছে দুই সিটি কর্পোরেশন। এটা সরকারের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা হিন্দুত্ববাদী মহলের গভীর চক্রান্ত। এর মাধ্যমে তারা প্রকারান্তরে কুরবানীর প্রতি মানুষকে নিরোৎসাহিত করার চেষ্টায় লিপ্ত। কুরবানীর পশুর হাট রাজধানীর বাইরে বসলে যাতায়াতের সমস্যা, পরিবহন সমস্যা, নগদ অর্থ বহন করাসহ মারাত্মক দুর্ভোগের মধ্যে পড়বেন ঢাকা মহানগরীর লক্ষ লক্ষ কুরবানীদাতারা। অতএব প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে যদি পশুর হাটের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে বরং জনদুর্ভোগ লাগব হবে। তাই অবিলম্বে হিন্দুত্ববাদী কুচক্রীমহলের এই চক্রান্ত বন্ধ করে কুরবানীর পশুর হাট রাজধানীর বাইরে নেয়া বন্ধ করতে হবে এবং প্রত্যেক ওয়ার্ডের মাঠে ১টি করে পশুর হাট বসানোর ব্যবস্থা করতে হবে। * কুরবানীর স্থান নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: বক্তারা বলেন, গত ২১শে জুন-২০১৫ তারিখে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অজুহাতে দুই সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা হিন্দুত্ববাদী চক্রান্তের শিকার হয়ে কুরবানীর পশু জবেহ্ করার স্থান নির্দিষ্ট করে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সারাদেশের ৩২৩টি পৌরসভা ও ১১টি সিটি করপোরেশনকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এতে ঢাকা শহরের লক্ষ লক্ষ কুরবানীদাতাগণ দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে কুরবানী না করে ওয়াজিব তরক্বের গুনাহে গুনাহগার হবে। কারণ সিটি কর্পোরেশনের ঘোষণা মতো নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে লক্ষ লক্ষ কুরবানীদাতারা একই সময়ে কুরবানী করতে পারবেন না। নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানীর জন্য দীর্ঘ সারি, গোশত বহনের ঝামেলাসহ হাজারো সমস্যার সৃষ্টি হবে এতে। সুতরাং অবিলম্বে কুরবানীর বিরুদ্ধে হিন্দুত্ববাদী চক্রান্ত বন্ধ করে কুরবানীর স্থান নির্দিষ্ট করার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে সাথে সাথে সিটি কর্পোরেশনগুলোকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন করতে হবে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ লোকবল নিয়োগ করতে হবে। * বাংলাদেশকে মরুভূমিতে পরিণত করার ফাঁদ ভারতীয় আন্তঃনদী সংযোগ বাতিল করতে হবে: বক্তারা বলেন, গত ১৩ জুলাই (২০১৫) চারটি আন্তঃসীমান্ত নদীকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে ভারত। এছাড়া ব্রহ্মপুত্র, গঙ্গাসহ ৩৭টি নদীকে সংযুক্ত করারও ঘোষণা দিয়েছে ভারত। ভারত শুধু গঙ্গায় ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করেই ক্ষান্ত হয়নি; বাংলাদেশে পরিবেশগত বিপর্যয় ডেকে আনতে আরও ছয়টি নদীর উজানে তারা বাঁধ দিয়ে নদীর স্বাভাবিক পানি প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করছে। বক্তারা বলেন, ব্রহ্মপুত্রের উজানে ড্যাম ও ব্যারেজ নির্মাণ করে আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমে পানি ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে সরিয়ে নেয়ার মানে হলো অবশিষ্ট পানি প্রবাহটুকু থেকেও বাংলাদেশের বঞ্চিত হওয়া এবং গোটা বাংলাদেশেরই মরুকরণ ও লবণাক্ততার ঝুকিতে পড়া। এ প্রকল্পের কারণে জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পানি প্রবাহ থেমে যাবে। পলিমাটি স্থানান্তরিত হওয়া বাধাগ্রস্ত হবে। মাছের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বনভূমি ডুবে যাবে। বাংলাদেশের ইলিশ মাছ, চিংড়ি মাছ ও সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্থ হবে। সামুদ্রিক লোনা পানি আমাদের উপকূলের মাটি, সুন্দরবন ও পরিবেশ ধ্বংস করবে। আর ভারত এই প্রকৃিত বিধ্বংসী প্রকল্প করে যে উপকার লাভের আশা করছে বাস্তবে তা অর্জন হবে না, বরং ধ্বংস হবে দুই দেশের-ই প্রকৃতি ও সম্পদ। গঙ্গা ও তিস্তার উজানের ফারাক্কা আর গজলডোবা ব্যারেজের কারণে যেমন শুকনো মৌসুমে পানির পাওয়া না পাওয়া আর বর্ষা মৌসুমে বন্যা হওয়া না হওয়ায় ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদীরা যেমন নিয়মিত হস্তক্ষেপ করে, তেমনি আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমে গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদীর উপর ভারতীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মানে হলো গোটা বাংলাদেশের নদ-নদীর জীবন প্রবাহের নিয়ন্ত্রণ ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের হাতে চলে যাওয়া। তাই বাংলাদেশকে মরুভূমিতে পরিণত করার ফাঁদ; ভারতীয় আন্তঃনদী সংযোগ বাতিলে ব্যাপক তৎপরতা চালাতে হবে। তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে হবে। * ভারত, চীন, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুসলিম নির্যাতন বন্ধে সরকারিভাবে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে: বক্তারা বলেন, চীনে মুসলমানদের উপর যুলুমের শেষ নেই। চীন প্রতিবারের মতো এবারো পবিত্র রমযানে রোজা রাখতে দেয়নি চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলের মুসলিম সম্প্রদায়কে। ওই সম্প্রদায়ের অভিভাবকদের কাছ থেকে এই মর্মে জোর করে প্রতিশ্রুতি আদায় করেছে যে, তাদের ছেলেমেয়েরা পবিত্র রমযান মাসে কোনো রোজা রাখবে না। শুধু চীনেই নয় ভারতের অর্ধেক জনসংখ্যা মুসলমান হওয়ার পরও মুসলমানদের উপর চলছে চরম বর্বরতা, নিপীড়ন ও নির্যাতন। গত ৪ জুন (২০১৫) আসামের সাম্প্রদায়িক গভর্নর পি বি আচার্য ঘোষণা করেছে- হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান উদ্বাস্তুরা ভারতে নাগরিকত্ব পাবে, মুসলিমরা নয়। এর আগে ভারতের রাষ্ট্রীয় সমাজসেবক সংঘ-আরএসএস নেতা মোহন ভগবৎ বলেছে, ভারত-বাংলাদেশ পাকিস্তানের প্রত্যেক নাগরিক হিন্দু। তাছাড়া মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে মুসলমানদের ঘরবাড়ি লুটপাট করে দেশ থেকে বের করে দিচ্ছে সন্ত্রাসী খ্রিস্টানরা। যেসব দেশে মুসলমানদের উপর নির্যাতন চলছে সরকারীভাবে তার তীব্র প্রতিবাদ জানাতে হবে এবং ওআইসি’র মাধ্যমে সব দেশের সরকারকে মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার প্রদানে বাধ্য করার উদ্যোগ নিতে হবে। * নাস্তিক ব্লগার কর্তৃক বিভিন্ন ব্লগ, ওয়েবসাইট, স্যোসাল মিডিয়ায় কুরুচিপূর্ণ নাস্তিক্যবাদী লেখা বন্ধে ধর্ম অবমাননার জন্য মৃত্যুদ-ের আইন প্রণয়ন করতে হবে: বক্তারা বলেন, এদেশে প্রগতিশীল, বুদ্ধিজীবী ও মুক্তমনার লেবেলে নাস্তিক্যবাদকে ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা করা হচ্ছে। নাস্তিক্যবাদীরা পেপার-পত্রিকা, বইপত্র, সোস্যাল মিডিয়া, অনলাইন সর্বত্রই প্রকাশ্যে পবিত্র ইসলাম ধর্মের কুৎসা রটনা করছে। আখিরী রসূল হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলূ বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শান-মানের বিরুদ্ধে বলে যাচ্ছে। যা তসলিমা নাসরিন, সালমান রুশদী, দাউদ হায়দারদেরকেও হার মানিয়েছে। অথচ তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। (নাউযুবিল্লাহ) বক্তারা আরো বলেন, স্বঘোষিত ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক অভিজিতের মতো ব্লগাররা ধর্মব্যবসায়ীদের হাতে ইস্যু তুলে দিচ্ছে। তাই মানুষ হত্যাকারীদের যেমন খুঁজে বের করতে হবে তেমনি ইসলাম অবমাননাকারী নাস্তিকদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। মানুষ হত্যাকারীদের যেমন শাস্তি দিতে হবে তেমনি ইসলাম অবমাননাকারী নাস্তিক্যবাদী লেখা ও লেখকের শাস্তিও নিশ্চিত করতে হবে। মানুষ হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া মানে এই নয় যে, মিডিয়া ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিকদের হাইলাইট করবে। সুতরাং এসব নাস্তিক ব্লগার কর্তৃক বিভিন্ন ব্লগ, ওয়েবসাইট, স্যোসাল মিডিয়ায় কুরুচিপূর্ণ নাস্তিক্যবাদী লেখা বন্ধে ধর্ম অবমাননার জন্য মৃত্যুদ-ের আইন প্রণয়ন করতে হবে। * হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসব ‘গাদীমাই’ উপলক্ষে গরু, মহিষসহ বিভিন্ন পশু বলি দেয়া বৈধ হলে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব কুরবানী উপলক্ষে পশু কুরবানী নিষিদ্ধ হবে কেন? অবিলম্বে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কুরবানীর উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ভারত সরকারকে চাপ প্রয়োগ করতে হবে: বক্তারা বলেন, শক্তি দেবীকে খুশি করতে গরু, মহিষ, ছাগল ইত্যাদি বিভিন্ন পশু বলি দিতে সনাতন হিন্দুদের এক আতœা বিনাশী উৎসব হলো “গাধীমাই উৎসব”। “গাধীমাই উৎসব” উপলক্ষে হিন্দুরা হাজার হাজার গরু, মহিষ, ছাগল ইত্যাদি পশু বলি দেয়। এই পশু বলি দেয়াটা তাদের সনাতন ধর্মীয় মতে বৈধ। সুতরাং সনাতন ধর্মীয় মতে, গরু, মহিষ, ছাগল ইত্যাদি পশু বলি দেয়াটা হিন্দুদের জন্য যদি বৈধ হয় তাহলে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব কুরবানী অবৈধ হয় কিভাবে? সুতরাং ভারতের সব রাজ্যে কুরবানীর উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর করতে উদ্যোগ নিতে হবে। * ঈদের দিন হিন্দুদের রথযাত্রা করে মুসলমানদের ঈদের দিন মøান করার ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে: রথযাত্রা হচ্ছে হিন্দুদের আষাঢ় মাসের প্রোগ্রাম (সূত্র: নহ.রিশরঢ়বফরধ.ড়ৎম/রিশর/রথযাত্রা)। কিন্তু তা তারা এবার ইচ্ছাকৃতভাবে ফেলেছে শ্রাবণ মাসে মুসলমানদের ঈদের দিনে। ঈদের দিন ১৮ই জুলাই (২০১৫); বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে ছিলো ৩রা শ্রাবণ এবং হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে ছিলো ১লা শ্রাবন। ইসকন হিন্দুদের দাবি চন্দ্র বৎসর অনুসারে ‘আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে রথযাত্রা শুরু হয়’। এ বৎসর শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে তাদের রথযাত্রা হয়েছে। কিন্তু ২০১৪ সালেও তারা রথযাত্রা করেছে ১৪ই আষাঢ় বা ২৮ জুন। এবার সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃতভাবে মুসলমানদের ধর্মীয় দিবস খর্ব করার কাজটা করেছে পশ্চিমাদের তৈরি ইসকন মতবাদী হিন্দুরা। তাই ভবিষ্যতে ঈদের দিনসহ মুসলমানদের বিভিন্ন ধর্মীয় দিবসে রথযাত্রার নামে মুসলমানদের ঈদের দিন মøান করার ইসকনী হিন্দুদের ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে। * বিদেশী স্বার্থ রক্ষাকারী দেশদ্রোহী সিএইচটি কমিশনসহ বিদেশী দালালদের নিষিদ্ধ করতে হবে: বক্তারা বলেন, সিএইচটি কমিশন জাতিসংঘের দায়িত্বশীল কোনো সংস্থা নয়; কিংবা বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে গঠিত কোনো সংগঠন নয়। আমাদের এই ভূ-খ-ের প্রাকৃতিক-খনিজ সম্পদ গ্রাস করতে, বাংলাদেশের এক দশমাংশ পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করে স্বাধীন জুম্মল্যান্ড করতে এ অঞ্চলের উপজাতিদের নিয়ে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের ফাঁদ হলো সিএইচটি কমিশন। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিষোদগার, সাম্প্রদায়িক উস্কানী, উপজাতীয়দের প্রতি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপপ্রচার, রাজনৈতিক অস্থিশীলতা সৃষ্টি, পার্বত্য অঞ্চল থেকে বাঙালি শূন্য ও সেনা প্রত্যাহারের মাধ্যমে এই অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিজেদের আয়ত্তে এনে এই অঞ্চলকে খ্রিস্টান অধ্যুষিত অঞ্চলে পরিণত করাসহ নানা ষড়যন্ত্রে জড়িত এই সিএইচটি কমিশন। দেশের খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করতে কাজ করে যাচ্ছে এরিক এভাব্যুরি, ডেনমার্কের ড. আইডা নেকোলাইসেন, বাংলাদেশী দালাল সুলতানা কামাল, ঢাবি’র অধ্যাপক মেসবাহ কামাল, প্রথম আলো’র মতিউর, টিআইবি’র ইফতেখার, আবুল মকসুদ, পংকজ ভট্টাচার্য, ব্যারিস্টার সারা হোসেনগং নামক দালালরা। বক্তারা বলেন, এরা পাহাড়িদের আদিবাসীরূপে প্রতিষ্ঠিত করে জাতিসংঘের আদিবাসী বিষয়ক হস্তক্ষেপের অনুচ্ছেদে ফেলে; পার্বত্য চট্টগ্রামকে জাতিসংঘের হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সেজন্য এরা পাহাড় থেকে যেকোনো মূল্যে বাঙালিদের উচ্ছেদ করতে চায়। পাহাড়িদের হাতে গোটা পার্বত্য অঞ্চল তুলে দিতে চায়। বিভিন্ন সভা-সেমিনার করে পাহাড়িদের পক্ষে বিপরীতে বাঙালি ও দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার করাই; খুদকুঁড়া খাওয়া এসব দালালদের সার্বক্ষণিক কাজ। বক্তারা বলেন, এসব বিদেশী পেইড এজেন্টদের গভীর ষড়যন্ত্র রুখতে জনগণকে সাথে নিয়ে এদের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে এদেরকে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করতে হবে। এদের পৃষ্ঠপোষক বিদেশীরা এবং এনজিও মিশনারীদেরকেও পার্বত্য চট্টগ্রামে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করতে হবে। পাহাড়ে বাঙালিদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। * ইসলামবিরোধী রচনা পাঠ্যক্রম থেকে বাদ ও বিতর্কিত শিক্ষানীতি বাতিল করতে হবে: বক্তারা বলেন, ইসলাম ধর্মের প্রতি যাদের কোনো আস্থা বা বিশ্বাস নেই; বরং ইসলামবিদ্বেষী এমন সব বামপন্থী ব্যক্তি; জাতীয় শিক্ষানীতি কমিটির চেয়ারম্যান কবীর চৌধুরী, কো-চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ, সদস্য ড. জাফর ইকবাল, অধ্যাপক নিতাই চন্দ্র সূত্র ধরদের দিয়ে বর্তমান শিক্ষানীতি প্রণয়ণ করা হয়েছে। অথচ এসব কট্টর ইসলামবিদ্বেষী ব্যক্তিদের প্রণীত শিক্ষানীতি মুসলমানদের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। তারা মূলত এদেশের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের মন-মগজ থেকে দ্বীন ইসলাম উঠিয়ে দিয়ে নাস্তিক্যবাদী মন-মনন গড়তে এ শিক্ষানীতি প্রণয়ণ করেছে। এদেশকে নাস্তিক্যবাদী দেশ বানাতে এই ইসলামবিরোধী শিক্ষনীতি তৈরি করা হয়েছে। বর্তমান পাঠ্যপুস্তকে কট্টর ইসলামবিরোধী হিন্দু ও নাস্তিক লেখকদের লেখাকে নিরঙ্কুশ প্রাধান্য প্রদান করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ ১ম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বাংলা বইয়ে অন্তর্ভূক্ত গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধসমূহের মধ্যে মুসলমান লেখকদের তুলনায় বিধর্মী হিন্দু লেখকদের লিখাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। যেমন ১ম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত গল্প ও কবিতার সংখ্যা ১৯৩টি। এর মধ্যে হিন্দু ও নাস্তিকদের লেখার সংখ্যা হলো ১৩৭টি। যা সর্বনিম্ন শতকরা ৫৭ ভাগ থেকে সর্বোচ্চ ৮২ ভাগ প্রাধান্য পেয়েছে। বক্তারা বলেন, দ্বীন ইসলামকে কটাক্ষ করে লেখালেখি করে এদেশের জাতীয় পর্যায়ে যেসব চিহ্নিত ইসলামবিদ্বেষী লেখক রীতিমতো কুখ্যাতি অর্জন করেছে, তাদের লেখা পাঠ্যবইয়ের প্রত্যেক শ্রেণীতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। যেমন কুখ্যাত ইসলামবিদ্বেষী ও নাস্তিক হুমায়ূন আজাদ, তসলিমা নাসরিনের স্বামী রুদ্র শহীদুল্লাহ, সেলিনা হোসেন, সনজীদা খাতুন, কবীর চৌধুরী এবং এরকম আরো অনেকে। যা এদেশের মুসলমানদের কাছে কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। বক্তারা বলেন, আশ্চর্যের বিষয় হলো- বাংলাদেশে বহু ইসলামী ঐতিহ্যবাহী পুরাকীর্তি ও স্থাপত্য নিদর্শন থাকলেও তা নিয়ে কোনো অধ্যায় বা প্রবন্ধ সংযোজন করাতো দূরের কথা, বরং তা নিয়ে কোনোপ্রকার বর্ণনা দিতেও চরম কার্পণ্য করা হয়েছে। এসব বই দেখলে বোঝার উপায় নেই যে, এদেশে মুসলমানরা বসবাস করে। বক্তারা বলেন, কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী বক্তব্য যুক্ত ও ষড়যন্ত্রমূলক এসব পাঠ্যপুস্তক অবিলম্বে বাজেয়াপ্ত করতে হবে। সাথে সাথে ইসলামবিরোধী প্রচলিত শিক্ষানীতি বাতিল করতে হবে। ৯৮ ভাগ মুসলমানের এদেশের শিক্ষানীতি সম্পূর্ণ ইসলামিক করতে হবে। * ঈদের ছুটি ১০ দিনে বর্ধিত করতে হবে: ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আদ্বহা তথা দুই ঈদ হলো মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় প্রধান উৎসব। এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠি মুসলমান। এদেশের রাষ্ট্রধর্ম হলো ইসলাম। অথচ দুই ঈদে ছুটি দেয়া হয় মাত্র তিন দিন। ফলে দেশের রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা, পরিবহন সংকট, অসহনীয় যানজট ইত্যাদি কারণে যেতে-আসতেই দুই দিন চলে যায়। তাহলে ঈদের ছুটি থাকে কোথায়? অথচ ইউরোপ-আমেরিকায় তাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব খ্রিস্টমাস ডে উপলক্ষে মাসব্যাপী ছুটি দিয়ে থাকে। সুতরাং এদেশে কেন ঈদের ছুটি ১০ দিন দেয়া হবে না? অবিলম্বে দ্ইু ঈদের ছুটি ১০ দিন দিতে হবে। * মেয়েদের বিয়ের কোনো বয়স নির্ধারণ করা যাবেনা, সুন্নতি বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কুফরী আইন বাতিল করতে হবে: বক্তারা বলেন, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী বলেছে, ‘মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ বছরের নিচে কমানো হবে না’ (নাউযুবিল্লাহ)। অথচ আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মীনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে ৬ বছর বয়স মুবারকে শাদী মুবারক করেছেন এবং ৯ বছর বয়স মুবারকে ঘরে তুলেছেন। ইসলামী শরীয়তে বিয়ের বয়স নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়নি। তাই মেয়েদের বিয়ের বয়সের ক্ষেত্রে নারীবাদী, প্রগতিবাদীদের চাপে কোনো বয়স নির্দিষ্ট করা যাবে না। মেয়েদের বিয়ের বয়স নির্ধারিত করে দেয়ার ফলে এবং অনৈতিকতার আশঙ্কা থাকলেও ১৮ বছরের পূর্বে মেয়ের লাখ লাখ মেয়েকে অভিবাবকরা বিয়ে দিতে পারছেন না। শুধু তাই নয় বাবা-মা বৃদ্ধ হয়ে গেলে অথবা মেয়ের কোনো অভিবাবক না থাকলে শুধুমাত্র বিয়ের বয়স নির্দিষ্ট করার ফলে লাখ লাখ অভিবাবক সমস্যায় রয়েছেন। তাছাড়া ১৮ বছরের নিচের মেয়েরা যখন অহরহ কুমারী মাতা হচ্ছে তখন নারীবাদীরা কিছু বলছে না। ১৮ বছরের নিচে কুমারী মাতা হলে অপুষ্টিতে মারা যাবে তা কিন্তু নারীবাদী বা এনজিওরা কিছু বলে না। কিন্তু যখন বৈধ বিয়ের মাধ্যমে মেয়েরা মা হচ্ছে তখনই তথাকথিত নারীবাদীরা চিৎকার করছে। সুতরাং অবিলম্বে সুন্নতি বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কুফরী আইন বাতিল করতে হবে এবং বিয়ের কোনো বয়স নির্ধারিত করা যাবে না। * প্রশাসনে হিন্দুতোষণ বন্ধ করা: বক্তারা বলেন, চাকরির ক্ষেত্রে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানদের নিয়োগ আনুপাতিকহারে করতে হবে। হিন্দুদেরকে মুসলমানদের চেয়ে বেশি নিয়োগ দিয়ে বৈষম্য করা যাবে না। প্রশাসনকে হিন্দুকরণ চলবে না। কারণ ২০১৩ সালের অক্টোবরে পুলিশের এসআই পদে নিয়োগে ১৫২০ জনের মধ্যে হিন্দু নিয়োগ দেয়া হয়েছে ৩৩৪ জন যা মোটের ২১.৯৭ শতাংশ। ২০১১ সালে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইতে নিয়োগের ৯৩ জনের মধ্যে হিন্দু নিয়োগ করা হয়েছে ২৩ জন। যা মোটের ২৪.৭৩ শতাংশ। সম্প্রতি ৬ষ্ঠ ব্যাচে সহকারী জজ পদে নিয়োগ দেয়া ১২৪ জনকে। এর মধ্যে ২২ জনই হিন্দু। শতকরা হিসেবে ১৭ শতাংশ। এসব বিতর্কিত সিদ্ধান্তে মুসলমান দেশে মুসলমানদের প্রতি ব্যাপক বৈষম্যের দাবিই দৃঢ় হচ্ছে। যাতে হেফাজতসহ বিরোধীরা সুযোগ পাচ্ছে। * সব ভারতীয় টিভি চ্যানেল ও পর্ন সাইট অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে: বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে যাদের বাড়িতে ডিশ কানেকশন আছে, তারাই শুধু বলতে পারবেন ভারতীয় টিভি চ্যানেল সংস্কৃতিচর্চার নামে কী ধরনের অপসং¯ৃ‹তি ও কী রকম সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। সঙ্গীতের নামে এসব টিভি চ্যানেলে চলে চরম অশ্লীলতা, যা কার্যত পরিবেশিত হয় তরুণসমাজকে বিপথে পরিচালিত করার গোপন উদ্দেশ্য মাথায় রেখে। ভারতীয় টিভি চ্যানেলের সিরিয়ালগুলো ব্যাপকভাবে বিপথগামী করছে আমাদের তরুণ-তরুণীদের। পারিবারিক বন্ধন তথা সমাজব্যবস্থা ভেঙ্গে দিচ্ছে। তাই বাংলাদেশ কেন এখনো এসব পর্ন সাইট বন্ধ করছে না? তাই অবিলম্বে সব ভারতীয় টিভি চ্যানেল ও পর্ন সাইট এদেশে বন্ধ করতে হবে। * সাকা চৌধুরী, মইত্যা, মইজ্যা রাজাকারসহ সকল যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর করতে হবে এবং আ’লীগ-ছাত্রলীগ-যুবলীগে জামাতী অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে: রাজাকার কাদের মোল্লা ও কামরুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরে সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তারা আরো বলেন, এদের কার্যকর করে আত্মতৃপ্তিতে থাকলে হবে না বরং সাকা চৌধুরী, মইত্যা, মইজ্যা রাজাকারসহ বাকী সব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত শেষ করে এদেরও অবিলম্বে ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। কারণ এরা মুক্তিযোদ্ধের সময় লক্ষ লক্ষ মুসলমানদের শহীদ করেছে। শহীদ হওয়া এসব লক্ষ লক্ষ মুসলমানরা তাদের মাফ না করলে কোনো আদালতই তাদের ক্ষমা করতে পারে না। তাছাড়া সম্প্রতি লক্ষ্য করা গেছে দেশের বিভিন্ন জেলায় আ’লীগ-ছাত্রলীগ-যুবলীগে জামাতী অনুপ্রবেশ ঘটছে। কিন্তু কেন্দ্রীয়ভাবে এদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। বিভিন্ন জেলায় আ’লীগ-ছাত্রলীগ-যুবলীগে জামাতী অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে। দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে। সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, পীরজাদা পীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ মাওলানা মুহম্মদ আখতার হুসাইন বুখারী, (পীর সাহেব, টাঙ্গাইল), সভাপতি- বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ। এছাড়া বক্তব্য রাখেন- আলহাজ্জ কাজী মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী, সাধারণ সম্পাদক- বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ, আলহাজ্জ হাফেজ মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার, সভাপতি- সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদ, আলহাজ্জ লায়ন মাওলানা মুহম্মদ আবু বকর ছিদ্দীক্ব, সভাপতি- জাতীয় কুরআন শিক্ষা মিশন, শায়েখ আলহাজ্জ মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফেয়ী, সভাপতি, বঙ্গবন্ধু ওলামা ফাউন্ডেশন। সভাপতি- বাংলাদেশ এতিমখানা কল্যাণ সমিতি, মাওলানা মুহম্মদ শওকত আলী শেখ সিলিমপুরী, দপ্তর সম্পাদক- বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ, মাওলানা মুজিবুর রহমান চিশতি-সহ সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ। হাফেজ মাওলানা মোস্তফা চৌধুরী বাগেরহাটি-সভাপতি বাংলাদেশ এতিমখানা কল্যাণ সমিতি। মাওলানা রুহুল আমীন নূরী, পীরজাদা আল্লামা ক্বারী কাজী মাওলানা মুহম্মদ মাসুদুর রহমান, সভাপতি-বাংলাদেশ ইমাম মুয়াজ্জিন মুসল্লী দ্বীনী কল্যান পরিষদ। মাও: ক্বারী আসাদুজ্জামান ছুন্নী জালালী আল কাদরী-প্রিন্সিপাল কোরআন-সুন্নাহ হাফিজিয়া মাদরাসা, হাফেজ, ক্বারী, মাওলানা, মুফতী মুহম্মদ আব্দুর রহীম (পীর সাহেব), আল্লামা আলহাজ্জ খোরশেদ আলম রেজভী, মুহম্মদ আজিজুল হাসান ইমরান-যুগ্ম সম্পাদক সম্মিলিত ইসলামী পরিষদ, মাওলানা শহিদুল ইসলাম-যুগ্ম সম্পাদক সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদ, কাজী মাওলানা অধ্যাপক নোমান চৌধুরী, মুফতি মাও. মো. মনোয়ার হুসাইন আনোয়ার-সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামালীগ, আল্লামা মুহম্মদ হাবীবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ আব্দুল গফুর ব্যাপারী, টাঙ্গাইল। মো: আব্দুল খালেক, ক্বারী মুহাম্মদ আখতার হুসাইন খান শরীয়তপুরী, শেখ আসাদুজ্জামান, মুহম্মদ শুক্কুর আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা দানু মিয়া, মাওলানা মুহম্মদ মোতাহার হুসাইন, মাওলানা মুহম্মদ আব্দুল হালীম সিরাজী, ক্বারী মাওলানা মুহম্মদ লোকমান হুসাইন, মুহম্মদ সাইফুল ইসলাম, আলহাজ্ব মাও. মুফতি ফেরদৌস, আল্লামা

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে