মানুষের নফস সাফল্যের পথে একটি বাধা!


মানুষ সাধারণত নিজের দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখে এবং অন্যের দোষ খুঁজে বেড়ায়। বিষয়টি ফিকিরের। মানুষ যদি এই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের কারণ বুঝতে পারে, তাহলে সম্ভবত চেষ্টা করে এই ত্রুটি থেকে মুক্তি পেতে পারে। মানুষ আসলে নিজকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে। এই মুহব্বতই মানুষের নিজের খারাবী আড়াল করে রাখে এবং অন্যের দোষ খুঁজে বেড়ায়। মুহব্বতের চরম অবস্থাই হলো- নিজকে মুহব্বত করা। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুহব্বত করার নাম ঈমান। এই মুহব্বতের শুরু হবে স্বীয় মুর্শিদ ক্বিবলা থেকে। মুহব্বতের শেষ স্তর ও ঈমানের পরিপূর্ণতা হলো নিজের চেয়ে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুহব্বত করা। নিজের চেয়ে অন্য কাউকে মুহব্বত করার আলোচনা সহজ। কিন্তু বাস্তব অত্যন্ত কঠিন। মানুষ নিজে নিজে চেষ্টা এই অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে না। এজন্য প্রয়োজন স্বীয় অদম্য প্রচেষ্টা আর হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার তরফ থেকে ইত্তেহাদী তাওয়াজ্জুহ। যিকির-ফিকির ও ছোহবতের মাধ্যমে এমন অবস্থার সৃষ্টি করতে হবে। নিজের অস্তিত্ব বিলীন করতে পারলেই আত্ম মুহব্বত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। ফানা ও বাক্বার মাধ্যমেই নিজের চেয়ে কাউকে বেশি মুহব্বত করা যায় অন্য কোনো পন্ধা নেই। হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি আমাদের তাওফীক দান করুন, যাতে আমরা ফানা-বাক্বায় গিয়ে পরিপূর্ণ মু’মিন ও মুকাম্মিল হতে পারে।

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে