মিলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ সম্পর্কে মক্কা শরীফ-মদিনা শরীফ-এর মুফতীগণের প্রাচিন ফতোয়ার কালেকশন


بسم الله الرحمن الرحيم

আল্লামা আব্দুর রহীম তুর্কমানী (রহঃ) ১২৮৮ হিজরী সনে মক্কা ও মদিনা এবং জেদ্দাহ ও হাদিদার উলামায়ে কেরামের দ্বারা মিলাদ ও কিয়াম সম্পর্কে একটি ফতোয়া লিখিয়ে হিন্দুস্তানে নিয়ে আসেন এবং নিজ গ্রন্থ ” রাওয়াতুন নাঈম ” -এর শেষাংশে ছেপে প্রকাশ করেন ।
( আনওয়ারে ছাতেয়া দেখুন )

প্রশ্নঃ আল্লাহ তায়ালা অসীম রহমত আপনার উপর বর্ষিত হোক । নিম্নে বর্নিত বিষয়ে আপনার অভিমত ও ফতোয়া কি ?

” মিলাদ শরীফ পাঠ করা – বিশেষ করে নবী করিম সাল্লাল্লাহয় আলাইহে ওয়াসাল্লামের পবিত্র জন্ম বৃত্তান্ত পাঠকালে কিয়াম করে সম্মান প্রদর্শন করা , মিলাদের জন্য দিন তারিখ নিদিষ্ট করা , মিলাদ মজলিস কে সাজানো , আতর গোলাপ ও খুশবু ব্যাভার করা। কুরআন শরীফ হতে সুরা ক্বেরাত পাঠ করা এবং মুসলমানদের জন্য খানাপিনা (তাবারুক) তৈরি করা – এই ভাবে অনুষ্ঠান করা জায়েয কিনা এবং অনুষ্ঠানকারীগন এতো সাওয়াবের অধিকারী হবেন কিনা ? বর্ণনা করে আল্লাহর পক্ষ হতে পুরস্কৃত হোন ।
– আব্দুর রহীম তুর্কমানী – হিন্দুস্তান ,১২৮৮ হিজরি ।

মক্কা শরীফের ফতোয়াদাতাগনের জবাব ও ফতোয়া

অনুবাদঃ ” জনে নিন – উপরে বর্নিত নিয়মে (কিয়াম) মিলাদ শরীফের অনুষ্ঠান করা মোস্তাহসান ও মুস্তাহাব । আল্লাহ ও সমস্ত মুসলমানের নিকট ইহা উত্তম । ইহার অস্বীকারকারীগন বিদআতপন্থী ও গোমরাহ্‌ । হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে বর্নিত হুজুর (দঃ) -এর হাদিস আছে -
” মুসলমান যে কাজকে পছন্দনীয় বলে বিবেচনা করেন -তা আল্লাহর নিকট ও পছন্দনীয় “।
( মুসলিম )।
এখানে মুসলমান বলতে ঐ সমস্ত মুসলমানকে বুঝায়-যারা কামেল মুসলমান । যেমন পরিপুর্ন আমলকারী উলামা , বিশেষ করে আরবেরদেশ , মিশর , সিরিয়া ,তুরস্ক ও স্পেন-ইত্যাদি দেশের উলামাগন সলফে সালেহীনদের যুগ থেকে অদ্যবধি (১২৮৮ হিঃ)
সকলেই মিলাদ কেয়াম কে মুস্তাহসান, উত্তম ও পছন্দনীয় বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন । সর্বযুগের উলামাগনের স্বীকৃতির কারনে মিলাদও কিয়ামের বিষয় বরহক ।
উহা গোমরাহী হতে পারে না । নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন । ” আমার উম্মত গোমরাহ বিষয়ে একমত হতে পারে না ” ( আল হাদিস )
সুতরাং যারা মিলাদ ও কিয়াম কে অস্বিকার করবে-শরিয়তের বিচারকের উপর তাদের যথাযথ শাস্তি প্রদান করা ওয়াজিব । ( ফতুয়া সমাপ্ত )
মক্কা শরিফের ফতোয়াদাতা মুফতীগনের স্বাক্ষর ও সিলমোহর
১। আল্লামা আব্দুর রহমান সিরাজ ।
২।আল্লামা আহনদ দাহলান ।
৩।আল্লামা হাসান ।
৪। আল্লামা আব্দুর রহমান জামাল ।
৫। আল্লামা হাসান তৈয়ব।
৬।আল্লামা সোলায়মান ঈছা ।
৭। আল্লামা আহমদ দাগেস্তানী ।
৮। আল্লামা আব্ডুল কাদের সামস ।
৯। আল্লামা আব্দুর রহমান আফেন্দী ।
১০। আল্লামা আব্দুল কাদের সানখিনী।
১১। আল্লামা মুহাম্মদ শারকী ।
১২ । আল্লামা আব্দুল কাদের খোকীর ।
১৩। আল্লামা ইবরাহিম আলফিতান।
১৪। আল্লামা মুহাম্মদ জারুল্লাহ ।
১৫। আল্লামা আব্দুল মুত্তালিব ।
১৬। আললামা কামাল আহমেদ ।
১৭। আল্লামা মুহাম্মাদ ছায়ীদ আল-আদাবি ।
১৮। আল্লামা আলি জাওহাদ ।
১৯। আল্লামা সৈয়দ আব্দুল্লাহ কোশাক।
২০। আল্লামা হোসাইন আরব।
২১ । আল্লামা ইব্রাহিম নওমুছি।
২২। আল্লামা আহমদ আমিন।
২৩। আল্লামা শেখ ফারূক ।
২৪। আল্লামা আব্দুর রহমান আযমী ।
২৫। আল্লামা আব্দুল্লাহ মাশশাত ।
২৬। আল্লামা আব্দুল্লাহ কুম্মাশী।
২৮। আল্লামা মুহাম্মদ বা-বাসীল।
২৯। আল্লামা মুহাম্মদ সিয়ুনী।
৩০। আল্লামা মুহাম্মদ সালেহ জাওয়ারী।
৩১। আল্লামা আব্দুল্লাহ জাওয়ারী।
৩২। আল্লামা মুহাম্মাদ হাবীবুল্লাহ ।
৩৩। আল্লামা আহমদ আল মিনহিরাভী ।
৩৪ । আল্লামা সোলাইমান উকবা ।
৩৫। আল্লামা সৈয়দ শাত্বী ওমর ।
৩৬। আল্লামা আব্দুল হামিদ দাগেস্তানী ।
৩৭। আল্লামা মুস্তফা আফীফী ।
৩৮। আল্লামা মানসুর।
৩৯ । আল্লামা মিনশাবী ।
৪০। আল্লামা মুহাম্মদ রাযী ।
(১২৮৮ হিজরী) ।

[আমার মনে হয় লেখাটি  সংরক্ষন করার মত। তাই ব্লগারগন পোষ্টটি  প্রিয়তে রাখতে পারেন]

সংগৃহীত

Views All Time
1
Views Today
9
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

৪৬টি মন্তব্য

  1. সুবহানাল্লাহ! মিলাদ শরীফ, ক্বিয়াম শরীফ সম্পর্কে চমৎকার দলিল। আল্লাহ পাক এর উত্তম বদলাহ আপনাকে দান করুন।
    “রাওয়াতুন নাঈম” বা “আনওয়ারে ছাতেয়া” থেকে এর স্ক্রীন প্রিন্ট বা স্ক্যান কপি সংগ্রহ করতে পারলে বিষয়টা আরো জোড়ালো হতো বলে আমার ধারণা।
    শুকরিয়া। Rose

  2. কাশ্মিরী ফুলকাশ্মিরী ফুল says:

    মিলাদবিরোধীদের জবাব দিতে লাগবে। তাই প্রিয়তে রাখলাম………. Moon

  3. খুবই সুন্দর পোস্ট।তাই প্রিয়তে রাখলাম Rose Present Coffee

  4. MH. Noble says:

    আসসালামু আলাইকুম!!
    সুপ্রিয় লেখক ও পাঠকবৃন্দের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আপনি লিখেছেন মিলাদ শরীফ ও কিয়াম শরীফ অত্যন্ত পুন্যের কাজ এবং আরবের আলেমগনের ফাতওয়া দেখিয়েছেন। এখন দেখুন আপনি উল্লেখ্য করেছেন মিলাদ শরীফ পড়া সম্পর্কে কি বলা হয়েছে এবং তা কখন কিভাবে আবিস্কৃত হয়েছে। প্রথম আপনাকে ধারণা দেব। মিলাদ শব্দের আভিধানিক অর্থ সম্পর্কে- মিলাদ আরবী শব্দ ওলাদা থেকে এসেছে যার অর্থ জন্মগ্রহণ করা। ওলাদা থেকে মিউলাদ বা জন্মতারিখ এবং এর থেকে মিলাদ বা জন্মদিবস। এখন দেখুন আপনি লিখেছেন মিলাদ শরীফ পড়া। তাহলে কি দাড়ালো জন্মদিবস পড়া। এটা কি করে সম্ভব যে কারো জন্মদিবস পড়া যায়? শুধু আমার নয় কোন অল্পশিক্ষিত মানুষেরও বোধগম্য নয়।দেখুন এ সম্পর্কে ইতিহাস কি বলে।
    ইতিহাসের আলোকে যতটুকু জানতে পারা যায় তাহলো সর্ব প্রথম ৩৫২ হিজরীতে বাগদাদে আব্বাসী খলীফার প্রধান প্রশাসক ও রাষ্ট্রের প্রধান নিয়ন্ত্রক বনী বুয়াইহির শিয়া শাসক মুইজ্জুদ্দৌলা এটি প্রথম প্রবর্তন করেন। যেহেতু শিয়ারা মুসলিম এর অন্তর্ভূক্ত নয় সেহেতু তাদের কোন কথা আমরা কিভাবে মেনে নিব। তাছাড়া নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহিস ওয়াসাল্লাম এর যুগে কেউ তা পালন করেননি, তাঁর খোলাফায়ে রাশেদীন করেননি, সাহাবায়ে কেরাম কেউ করেননি, তাবেঈগণ করেননি, তাবে-তাবেঈগণ, পরবর্তী ইমামগণও এবং শ্রদ্ধেয় মাযহাবের ইমামগণও তা পালন করেননি বা জানেননি। তাহলে কিভাবে আপনি এটাকে পড়েন? নিজেকে একবার প্রশ্ন করুন? মূল কথা হলো ইহুদিদের একটি চক্রান্তকারী দল তারা সবসময় ইসলামকে ও মুসলিমকে কিভাবে বিপথে নিবে সবসময় সে চক্রান্তে লিপ্ত থাকে।তাই তারা কৌশলে শিয়াদের মাধ্যমে এ প্রথাটি চালু করে। কারণ তারাতো ঈশা (আঃ) জন্মদিন পালন ২৫ ডিসেম্বর। তারা দেখল মুসলিমদেরকে এটা দিয়ে সুন্নাহ থেকে কিছুটা হলেও পতভ্রস্ট করা যাবে। তাই মিলাদ তাদের চক্রান্তের ফল একটি বিদ’আত। আপনি যাদের ফতোয়া পেশ করেছেন এর কোন ভিত্তি নেই। যদিও থেকে থাকে তাহলে সবাই তারা গোমরাহী। আপনি সঠিকটি জানেন না তাই আপনি েএটি যারা অস্বীকার করে তাদেরকে বিদ’আতী বলেছেন। আগে জানুন ইতিহাস পড়ুন।এ সংক্রান্ত ব্যাপারে লিখেতে অনেক লম্বা হয়ে যাবে। তাই সংক্ষেপে লিখলাম। সহীহ হাদীস পড়ুন। নিজেকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন। অবশ্যই আল্লাহ আপনার সহায় হবেন। আমীন!!

    • @MH. Noble, যারা মীলাদ শরীফের বিরোধিতা করে অবশ্যই তারা ‘হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উনাকে হাক্বীক্বী মুহব্বত করে না

    • @MH. Noble, মীলাদ শরীফ-কিয়াম শরীফ নূরে মুজাস্‌‌সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের যামানাতেই ছিল।
      মীলাদ শব্দের অর্থ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ছানা-ছিফত করা ও তাঁর প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা। অতএব, তা আল্লাহ পাক ও তাঁর রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামসহ সবারই সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত।
      আমরা যেভাবে মজলিস করে মীলাদ মাহফিল করে থাকি তা খোদ আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুগণের যামানাতেই ছিল।
      এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি একদা তাঁর নিজ গৃহে সমবেত ছাহাবীগণকে আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফ-এর ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছিলেন। এতে শ্রবণকারীগণ আনন্দ ও খুশী প্রকাশ করেছিলেন এবং আল্লাহ পাক-এর প্রশংসা তথা তাছবীহ তাহলীল পাঠ করছিলেন এবং আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর (ছলাত-সালাম) দুরূদ শরীফ পাঠ করছিলেন। এমন সময় হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথায় উপস্থিত হলেন। (তিনি যখন উপস্থিত হলেন, সমবেত লোকজন দাঁড়িয়ে অর্থাৎ
      ক্বিয়াম শরীফ করে ছলাত ও সালাম পেশ করতঃ আসনে বসালেন) তিনি লোকজনের মীলাদ শরীফ পাঠের অনুষ্ঠান দেখে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন,
      “তোমাদের জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব। (সুবুলুল হুদা ফি মাওলিদে মোস্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হাক্বীক্বতে মুহম্মদী ও মীলাদে আহমদী, পৃষ্ঠা ৩৫৫)
      আরো ইরশাদ হয়েছে, হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে হযরত আবূ আমের আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু-এর গৃহে উপস্থিত হয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি তাঁর সন্তানাদি এবং আত্মীয়-স্বজন, জ্ঞাতী-গোষ্ঠী, পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফের ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছেন এবং বলছেন, এই দিবস অর্থাৎ এই দিবসে রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যমীনে তাশরীফ এনেছেন। (তিনি যখন উপস্থিত হলেন সমবেত লোকজন দাঁড়িয়ে কিয়াম শরীফ করে ছলাত ও সালাম পেশ করতঃ আসনে বসালেন।)
      তিনি লোকজনের মীলাদ শরীফ পাঠের অনুষ্ঠান দেখে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা তাঁর রহমতের দরজা তোমাদের জন্য উন্মুক্ত করেছেন এবং সমস্ত ফিরিস্তাগণ তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছেন এবং যে কেউ কিয়ামত পর্যন্ত তোমাদের মত এরূপ করবেন। তোমার মত সেও নাজাত ও ফযীলত লাভ করবে।” (কিতাবুত তানবীর ফী মাওলিদিল বাশীর ওয়ান নাযির, ছুবুলুল হুদা ফী মাওলিদে মোস্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
      উপরোক্ত হাদীছ শরীফদ্বয়ের দ্বারা অকাট্যভাবে প্রমাণিত হলো যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ স্বয়ং মীলাদ শরীফ পাঠ করতেন এবং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর তা’যীম বা সম্মানার্থে কিয়াম করতেন। বর্তমানে যে সুনির্দিষ্ট তর্জ-তরীকায় মীলাদ মাহফিল হয় তাতে নূরে মুজাস্‌‌সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ছানা-ছিফত সংক্ষিপ্তভাবে করা হয়ে থাকে যা খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত।

  5. @MH. Noble, ধর্য্য ধরুন, আপনার কমেন্টের খণ্ডনমূলক জবাব দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

  6. নয়ন মণিনয়ন মণি says:

    প্রিয় পোস্টে যোগ করা হয়েছে! Rose

  7. MH. Noble says:

    দারুন লিখেছেন আবু বকর সিদ্দিকী ভাই।
    আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।

  8. MH. Noble says:

    জনাব কনভার্টার আগে নিজেকে কোরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে কনভার্ট করুন। তার পর অন্যদেরককে কনভার্ট করুন। অবশ্যই আল্লাহ আপনার সহায় হবেন।

  9. মীলাদ শরীফ মূলতঃ তিনটি শব্দের সমষ্টি যেমন-(মীলাদ) অর্থাৎ জন্মের সময়, (মাওলিদ) অর্থাৎ জন্মের স্থান এবং (মাওলুদ) অর্থাৎ সদ্য প্রসূত সন্তান। অতএব সব মিলিয়ে মীলাদ শরীফের অর্থ দাঁড়ায়-সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সানা-ছীফত ও জন্ম বৃত্তান্ত আলোচনা করা ও তাঁর প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর এরূপ সানা-ছিফত করা, পবিত্র বিলাদতের আলোচনা করা, আল্লাহ পাক, ফেরেশতা, ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আহহুম ও আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম সকলেরই সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। কারণ আল্লাহ পাক কুরআন শরীফের সকল স্থানেই তাঁর হাবীব-এর প্রতি সানা-ছিফত করেছেন এবং আল্লাহ পাক ও তাঁর ফেরেশতাগণ সর্বদা তাঁর হাবীবের প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করছেন এবং আমাদেরকেও পাঠ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ-এ ‘সূরা আহযাব’-এর ৫৬ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইরশাদ ফরমান, “নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক তিনি ও উনার ফেরেশতা উনারা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ছলাত পাঠ করেন। হে ঈমানদারগণ! তোমরাও উনার প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ কর পাঠ করার মতো।” বস্তুত বান্দার প্রতি আল্লাহ পাক উনার সরাসরি নির্দেশ হচ্ছে তারাও যেন হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করেন অত্যন্ত আদব ও শরাফত-এর সাথে।

    মীলাদ শরীফ পাঠই হচ্ছে- প্রকৃতপক্ষে আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত ও জীবনী মুবারক আলোচনা করা ও উনার প্রতি ছলাত-সালাম পাঠ করা। হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি আমার উপর একবার ছলাত পাঠ করবে, আল্লাহ পাক তিনি তার উপর দশটি রহমত নাযিল করবেন, দশটি গুনাহ মাফ করবেন এবং দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন।” ‘তিরমীযী শরীফ’-এ আরো বলা হয়েছে, “ওই ব্যক্তিই ক্বিয়ামতের দিন আমার সবচেয়ে নিকটে থাকবে, যে আমার প্রতি অধিক মাত্রায় ছলাত পাঠ করবে।”

    নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত বর্ণনা করতে গিয়ে আল্লাহ পাক তিনি ‘সূরা আলাম নাশরাহ’ সূরায় ইরশাদ করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনার আলোচনা বা প্রশংসাকে সমুন্নত করেছি।” সুবহানাল্লাহ! হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত আছে যে, আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “যে আমার আলোচনা করবে, তার জন্য আল্লাহ পাক উনার রহমতের দরজা খুলে দেয়া হবে এবং তার জন্য আমার সুপারিশ ওয়াজিব হবে।” সুবহানাল্লাহ!

    হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সকলে একত্রিত হয়ে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক নিয়ে আলোচনা তথা মীলাদ শরীফ পাঠ করেছেন, উনার ছানা-ছিফত বা প্রশংসা বর্ণনা করেছেন। যেমন এ প্রসঙ্গে “কিতাবুত তানবীর ও সুবুলুল হুদা” নামক কিতাবদ্বয়ে উল্লেখ আছে, হযরত আবু দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত যে, তিনি একদিন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আমির আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ঘরে গেলেন। সেখানে সকলেই ক্বিয়াম করে ছলাত ও ছালাম পাঠ করে নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বসালেন। তখন তিনি সেখানে দেখতে পেলেন যে, হযরত আমির আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নিজ সন্তানাদি ও আত্মীয়-স্বজনদের একত্রিত করে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে আলোচনা করছেন। এটা দেখে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অত্যন্ত খুশি হলেন এবং বললেন, “হে আমির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক তিনি আপনার জন্য উনার রহমতের দ্বার উন্মুক্ত করেছেন। সকল ফেরেশতা উনারা আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। আর আপনার ন্যায় এরূপ আমল যারা করবে তাঁরাও আপনার ন্যায় নাজাত পাবে।” সুবহানাল্লাহ!

    হাদীছ শরীফ-এ আরো বর্ণিত আছে যে, “একদিন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সেখানকার সকল লোকদেরকে উনার নিজ ঘরে একত্রিত করে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ সম্পর্কে আলোচনা করেন, যা শুনে উপস্থিত সকলেই আনন্দ চিত্তে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ছলাত-সালাম পাঠ করলেন। এমন সময় হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেখানে উপস্থিত হলেন। তখন সেখানে সকলেই ক্বিয়াম করে ছলাত ও সালাম পাঠ করে নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বসালেন। তখন তিনি উনাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, আপনাদের জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব হয়ে গেল।” সুবহানাল্লাহ!

    অতএব, এ হাদীছ শরীফ দু’খানা দ্বারা সুস্পষ্টভাবেই প্রমাণিত হয় যে, স্বয়ং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা মীলাদ শরীফ-এর মজলিস করেছেন। আর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উক্ত মীলাদ শরীফ মাহফিলকে শুধু সমর্থনই করেননি; বরং ফযীলত বর্ণনা করে উম্মতদেরকে মীলাদ শরীফ-এর মজলিস করার জন্য উৎসাহিত করেছেন। (সুবহানাল্লাহ)

  10. বর্তমানে যে পদ্ধতিতে মীলাদ শরীফ পাঠ করা হয় তা অবশ্যই কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ সম্মত। কেননা কেউই প্রমাণ করতে সক্ষম হবে না যে, মীলাদ শরীফের মধ্যে যে সকল আমল রয়েছে, এর একটিও শরীয়ত বিরোধী, বরং এর প্রত্যেকটাই শরীয়সম্মত। যেমন-মীলাদ শরীফের প্রথমেই পবিত্র কালামে পাক হতে তিলাওয়াত করা হয়। অতঃপর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি ছলাত অর্থাৎ দরূদ শরীফ পাঠ করা হয়। বরকত লাভের উদ্দেশ্যে “তাওয়াল্লুদ শরীফ” অর্থাৎ পবিত্র বিলাদতের বর্ণনা আলোচনা করা হয় এবং সম্মানার্থে ও আদব রক্ষার্থে ক্বিয়াম করে বা দাঁড়িয়ে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহ ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি সালাম পাঠ করা হয়। কেননা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর প্রতি দাঁড়িয়ে সালাম পেশ করাই প্রকৃত আদব। তাছাড়া এখনো মদীনা শরীফে গিয়ে দাঁড়িয়ে সালাম পেশ করতে হয়। কারণ আল্লাহ পাক ঈমানদারদেরকে তাঁর হাবীবের প্রতি ছলাত ও সালাম পাঠ করার আদেশ দিয়েছেন। এরপর সওয়াব রেসানী করে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।

    নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ আলোচনা করা, উনার ছানা-ছিফত বা প্রশংসা তথা মীলাদ শরীফ পাঠ করা আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব উনাদের উভয়ের তরফ থেকে নাজাত ও শাফায়াত এবং চির সন্তুষ্টি লাভেরও অন্যতম কারণ।

    যে মীলাদ শরীফের অস্তিত্ব আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর যামানায় ছিলো সে মীলাদ শরীফ পাঠকারীকে বিদয়াতী বলা বা মীলাদ শরীফ অবজ্ঞা করা কুফরী।

    মূলকথা হলো- মীলাদ শরীফ নতুন কোনো বিষয় নয়; বরং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাই মীলাদ শরীফ-এর মজলিস করেছেন- যা অসংখ্য হাদীছ শরীফ দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত। সেহেতু অসংখ্য আলিম, মুহাদ্দিস, মুফাসসির, ফক্বীহ, বুজুর্গ ইমাম, মুজতাহিদ ও আওলিয়ায়ে কিরামগণ করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে পৃথিবীর প্রায় অধিকাংশ মুসলমান মীলাদ-ক্বীয়াম করেন এবং এটাকে উত্তম মনে করেন। সুতরাং মীলাদ-ক্বিয়াম করা শরীয়তে সম্পূর্ণ জায়িয বরং সুন্নতে সাহাবা ও সুন্নাতে উম্মত বা মুস্তাহসান। কাজেই মীলাদ-ক্বিয়ামকে বিদয়াত ও নাজায়িয বলা গোমরাহী ও অজ্ঞতার নামান্তর। অতএব, মীলাদ শরীফকে অস্বীকার করা মূলত হাদীছ শরীফকে অস্বীকার করার নামান্তর। যা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

  11. এত দলীল দিয়া বিষয় টাকে ঝালাই করার পরেও যদি বেকুবগং না বুঝে তালি পরে ক্যামনে হবি?এ তো দেখসি ওই গং গুলানকে আল্লাহ পাকের কাছে Handcuffs গেরেপ্তার হতি হবি।

  12. লজিক২০১০লজিক২০১০ says:

    @MH. Noble, ভাই এত দলিল দেওয়ার পর ও আপনি বুঝলেন না। আফসুস। পারলে কুরআন শরীফ,হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণ করেন মীলাদ শরীফ পড়া বেদয়াত।

    • MH. Noble says:

      @লজিক২০১০,
      ০১।আপনারা লিখেন এক বলেন অন্য যেমন- লিখেছেন, জন্মের সময়, জন্মের স্থান ও সদ্য প্রসূত সন্তান এর অর্থ কিভাবে দাড়ায় পাঠ করা? কেউ যদি কোথায় কখনও জন্মগ্রহণ করে কিভাবে তার জন্মের দিন পাঠ করা যায়? কিভাবে জন্মের স্থান পাঠ করা যায়? বা কিভাবে সদ্য প্রসূত সন্তান পাঠ করা যায়? (ক)হয় জন্মদিন পালন করবেন। (খ) জন্মস্থানের আলোচনা করবেন। না হয় (গ) সদ্য প্রসূত সন্তান সম্পর্কে আনন্দ প্রকাশ করবেন। আমার মনে হয় আপনারা বাংলাও জানেন না।সাহাবায়ে কেরামগণের সুন্নাত তা করে হয়? এর কোন দলিল আপনি জীবনেও সহীহ, দুর্বল বা জাল হাদীস দ্বারা প্রমাণ করতে পারবেন না যে, মিলাদ সাহাবাগনের সুন্নাত। হতে পারে আপনার আউলিয়া কেরামের সুন্নাত যা পরবর্তীতে নবসৃষ্ট এবং প্রত্যেক নবসৃষ্টেই গোমরাহী ও প্রত্যেক গোমরাহী জাহান্নামী।আপনার এত বড় সুন্নাত তাহলে কি হাদীস সংগ্রহকারী ইমামগণ বাদ রাখলেন বা তারা কি কখনো এ হাদিস শুনেনি (নাউজুবিল্লাহ)।
      ০২। হ্যাঁ আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই তার নবীর প্রতি ছলাত ও সালাম পেশ করার বলেছেন। এবং তা নাবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের শিখিয়ে দিয়ে গেছেন ও সহীহ হাদীস দ্বারা তা প্রমাণীত। আর সেটা হলো দরুদে ইব্রাহীম। যা আমরা সকলে সলাতে পাঠ করে থাকি। এটাই হচ্ছে সর্বোচ্চ ও উত্তম দরুদ। আপনি যদি একবার অর্থের দিকে দিয়ে তারতম্য করেন তাহলে আপনাদের নবসৃষ্ট মিলাদী দরুদ মনে আর পাঠ করবেন না। দেখুন- আপনার বলেন- ইয়া নবী সালামু আলাইকা- (অর্থ- হে নবী আপনাকে সালাম)। ইয়া রাসুল সালামু আলাইকা (অর্থ- হে রসুল আপনাকে সালাম)। ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা- অর্থ- হে বন্ধু আপনাকে সালাম।কিভাবে নাবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সরাসরি দোস্ত বানিয়ে ফেললেন। এটাকে বাড়াবাড়ি বা বেয়াদবী ছাড়া কিছুই না। বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত- নাবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহিস ওয়াসাল্লাম বলেছেন- “তোমরা ইহুদি-খ্রীষ্ঠানদের মত আমাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করিওনা। এবং যারা বাড়াবাড়ি করে তার উপর আল্লাহর লানত বলেছেন। পক্ষান্তরে দেখুন হাদীসে বর্ণিত দরুদ পড়লে আপনি কি বলেন- হে আল্লাহ! তুমি মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর বংশধরের উপর শান্তি বর্ষিত কর।যেমন রহমত বর্ষন করেছে ইব্রাহীম (আঃ) এর বংশধরের উপরে।নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত। হে আল্লাহ! তুমি মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর বংশধরের উপর বরকত নাযিল কর।যেমন বরকত নাযিল করেছে ইব্রাহীম (আঃ) এর বংশধরের উপরে।নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত। হ্যাঁ এ দরুদ পাঠ একবার করলে আল্লাহ সুবাহানাহু তায়ালা তার উপর দশবার রহমত বর্ষন করেন। বুখারী, মুসলিম ও মিশকাত ৮৬ পৃষ্ঠা।তাছাড়া তাশাহুদেও নাবীর প্রতি দরুদ বা সলাত পেশ করা হয়। ভাল করে এর অর্থ দেখুন। তাহলে আপনাদের ভ্রান্তি দূর হবে ইনশাআল্লাহ।
      ০৩। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত হাদীস খানা কোন কিতাব থেকে নিয়েছেন এর কোন প্রমাণ আপনার কাছে নেই। উল্লেখ্য যে, নাবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-“যে ব্যক্তি আমার উল্লেখ্য করে মিথ্যা হাদীস রচনা করবে বা লোকের কাছে প্রচার করবে। সে যেন সেচ্ছায় জাহান্নাম কিনে নিল।হ্যাঁ এখানে ‘তিরমীযী শরীফ’ যা বলা হয়েছে, “ওই ব্যক্তিই ক্বিয়ামতের দিন আমার সবচেয়ে নিকটে থাকবে, যে আমার প্রতি অধিক মাত্রায় ছলাত পাঠ করবে।” ঠিক আছে আপনারা সহীহ হাদীসে বর্ণিত দরুদ বেশী বেশী পাঠ করুন অবশ্যই বর্ণিত নেকী পাবেন।
      ০৪।কিতাবুত তানবীর ও সুবুলুল হুদা” নামক কিতাবদ্বয়ের কথা উল্লেখ করে হযরত আবু দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত যে, হাদীস খানা উল্লেখ্য করেছেন তা কোন হাদীস কিতাবের নাম উল্লেখ্য করেননি। সহীহ হাদীসে এ ধরণের কোন কথা বা হাদীস নেই্। আসলে আপনি যে কিতাবদ্বয়ের উল্লেখ্য করেছেন তা বিদ’আতীদের কিতাব। আর বিদ’আতীরা কি না লিখতে পারে। সময় থাকতে সহীহ হাদীস আঁকড়ে ধরুন বিদ’আত ত্যাগ করুন। আল্লাহ এখনও আপনাদের জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন।
      ০৫।আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, যিনি নাবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আপন চাচাত ভাই ও একজন গুরুত্বপূর্ণ সাহাবী এবং তখনকার আমলের শিক্ষিত সাহাবী। তাঁর নামেও মিথ্যা হাদীস রচনা করেছেন। যারা এখনও অন্ধ বিশ্বাস নিয়ে এ সমস্ত বিদ’আত এ জড়িত আছেন তারা দয়া করে সহীহ হাদীস নাবী জীবন পড়ুন। তাহলে আপনাদের সামনে সত্য উদঘাটিত হবে। আল্লাহ আপনাদের হেদায়েত দান করুন।
      পরিশেষে, আল্লাহ তায়ালার বানী দিয়ে শেষ করব।
      وَمَن يُشَاقِقِ الرَّسُولَ مِن بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُ الْهُدَىٰ وَيَتَّبِعْ غَيْرَ سَبِيلِ الْمُؤْمِنِينَ نُوَلِّهِ مَا تَوَلَّىٰ وَنُصْلِهِ جَهَنَّمَ ۖ وَسَاءَتْ مَصِيرًا [٤:١١٥]
      “(আবার) যে ব্যক্তির কাছে প্রকৃত সত্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পরও রসুলের বিরুদ্ধাচারন করবে এবং ঈমানদারদের পথ ছেড়ে (বেইমান লোকদের)নিয়ম-নীতি অনুসরণ করবে, তাকে আমি সেদিকেই ধাবিত করব, যেদিকে সে ধাবিত হয়েছে, (এর শাস্তি হিসেবে) তাকে আমি জাহান্নামে পুড়িয়ে দেব, (আর) কতই নিকৃষ্ট আবাসস্থল”।সূরা-নিসা/১১৫

    • @MH. Noble,আপনি বলেছেন, হতে পারে আপনার আউলিয়া কেরামের সুন্নাত যা পরবর্তীতে নবসৃষ্ট এবং প্রত্যেক নবসৃষ্টেই গোমরাহী ও প্রত্যেক গোমরাহী জাহান্নামী।………ভাই মাদরাসায় পড়াতো তাহলে বিদয়াত!তাই না??কারন প্রচলিত মাদরাসা ব্যবস্হা হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানায় ছিল না।

    • MH. Noble says:

      @উদীয়মান সূর্য,
      তখন মাদ্রাসা ছিলনা ঠিকই কিন্তু নাবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাসজিদে নববীতে সাহাবীদের সকল বিষয়ে শিক্ষা দান করেছেন।এজন্য ইবনে হিসাম এর নাবী জীবনী অথবা, রাহমাতুল্লিল আল আমিন না হয় আর রাহীকুল মাখতুম। তাহলে আপনার কাছে সবকিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে। আর মাদ্রাসায় পড়া বিদ’আত হবে কেন? যদি আপনি বিদ’আত সম্পর্কে ওয়াকিবহাল অবশ্যই তা পরিত্যাগ করবেন।

    • @MH. Noble, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা হতে বর্ণিত।হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন,ঐ ব্যক্তিই ক্বিয়ামতের দিন আমার সবচেয়ে নিকটে থাকবে, যে ব্যক্তি আমার প্রতি অধিক মাত্রায় ছলাত পাঠ করবে।”(তিরমিযী শরীফ,মিশকাত শরীফ,শরহুত ত্বাবী,মায়ারিফুস সুনান,মুযাহিরে হক্ব)

    • @MH. Noble, নিশ্চয়ই আমি আপনাকে(হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে) সাক্ষী,সুসংবাদদাতা এবং সতর্ককারী হিসেবে পাঠিয়েছি যেন তোমরা আল্লাহ তায়ালার উপর এবং উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর ঈমান আনো এবং তোমরা উনার খিদমত করো ও উনার তা’যীম-তাকরীম করো এবং উনার ছানা-ছিফত করো সকাল-সন্ধ্যা। (সূরা ফাতহ্: আয়াত ৮-৯)

    • @MH. Noble, আপনার কথা মতে তাহলে প্রচলিত মাদরাসা ব্যবস্হা বিদয়াত। কারণ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনিতো মসজিদে তালিম দিয়েছেন,মাদরাসাতে তো আর দেননি।কি বলেন??

    • MH. Noble says:

      @উদীয়মান সূর্য,
      জনাব আপনারা কোরআনে বলা হয়েছে নাবীর প্রতি সলাত পেশ করার জন্য সেটা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিক্ষা দেননি। যে দরুদ বার বার পাঁচ ওয়াক্ত সলাতে পাঠ করা হয়, তার চেয়ে কি বেশী গুরুত্বপূর্ণ আপনাদের প্রচলিত দরুদ। যাক আপনারতো উপমহাদেশের প্রখ্যাত লেখক আলীম জনাব আশরাফ আলী থানভী (রঃ) এর কিতাব পড়েছেন। উনি কি মাদ্রাসায় পড়েননি। আপনি উনার কিতাব “আশ্রাফুল জবাব” পৃষ্ঠা নং ৯০, ইসলামী ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত পড়ে দেখুন। উনি কেন মিলাদকে বিদ’আত বলেছেন। উনি কি আমার আপনার চেয়ে বেশী বুজুর্গ ছিলেন না।

    • @MH. Noble, ভাই আমার প্রশ্নের উওর দিলেন না তো??আগে প্রশ্নের উওর দেন, তারপর আপনার সব কথা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ,ঈজমা,ক্বিয়াস দ্বারা খন্ডন করে দিব । ইনশাআল্লাহ

    • MH. Noble says:

      @উদীয়মান সূর্য,
      নাবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে কে বলেছে মাদ্রাসা ছিল না? হুজুর সাল্লাহু আল্লাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে মাসজিদে নববীই ছিল শ্রেষ্ঠ রাজদরবার, শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা, শ্রেষ্ঠ বিচারালয় এমনকি তিঁনি মাসজিদে সাহাবীদেরকে অস্র চালানোও শিখিয়েছেন। আর ঐ মাসজিদ থেকেই সমস্ত কার্যক্রম পরিচালিত করতেন। এখন কিভাবে বলবেন মাদ্রাসা ছিল না। আসলে মাদ্রাসা অর্থ কি তা আমার চেয়ে মনে হয় আপনি ভাল জানেন। তারপরও বলি, মাদ্রাসা আসলে আরবী শব্দ এর বাংলারূপ হলো বিদ্যালয় বা শিক্ষালয়। এর অর্থ এই দাড়ায় না যে, যদি কেউ মাদ্রাসায় পড়ে তাহলে তার সবকিছু ঠিক বা আলীম/ জ্ঞানী। আর কেউ মাদ্রাসায় পড়েনি এজন্য সে ইসলাম সম্পর্কে কিছু জানেনা। এখানে মাদ্রাসার দোষ কোথায় পেলেন? কথা হচ্ছিল ইবাদত ও আমল নিয়ে। হ্যাঁ ইবাদত ও আমল ঐভাবেই করতে হবে যেভাবে নাবী কারীম সাল্লাহু আল্লাইহি ওয়াসাল্লাম পড়েছেনে বা করেছেন অথবা তার সাহাবীদের শিক্ষা দিয়ে গেছেন। আল্লাহু সুবহানাহু তায়ালা পবিত্র কোরআনে ১০০ বেশী আয়াতে উল্লেখ করেছেন “তোমরা আল্লাহু ও রাসুলকে অনুসরণ কর”। ভাই সাহেব আপনি অনুগ্রহপূর্বক আল্লামা ছফিউর রহমান মোবারকপুরী রচিত নাবী জীবনী “আর রাহীকুর মাখতুম’ পড়ুন অথবা ইবনু হিশাম অথবা রহমাতুল্লিল আল আমিন পড়ুন। তাছাড়া “আসহাবে রসুল নামে” রচিত সাহাবীদের জীবনী পড়ে দেখুন। আপনি আপনার সকল অনাকাঙ্খিত প্রশ্নের জবাব পেয়ে যাবেন। এখানে মাদ্রাসা কেন বিদ’আত হবে মাদ্রাসাতো সহায়িকা ক্রিয়া বা (অক্সুলারী ভার্ব) কথা হবে কর্তাকে নিয়ে। কর্তা কি শিখল বা কর্তা কর্তৃক কি শিখানো হল। তাছাড়া কথা হচ্ছে ইবাদত ও আমল নিয়ে, মাদ্রাসাতো কোন ইবাদত বা আমল নয়। মাদ্রাসা হচ্ছে মাধ্যম। তাছাড়া আমিওতো মাদ্রাসা পড়েছি। বিষয় হবে আমি কি শিখেছি- তাই মাদ্রাসা হচ্ছে আমল বা ইবাদত শিক্ষার মাধ্যম। আর মাধ্যম কখনো বিদ’আত হতে পারে না। মাদ্রাসা কি আপনাকে বলেছে যে, এটা করেন, ঐটা করেন না। আশকরি আপনার উত্তর পেয়েছেন। যাজাক আল্লাহু খায়রান!

    • @MH. Noble, দেওবন্দ ও আশরাফ আলী থানভী সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন:
      http://www.sabujbanglablog.net/7631.html

    • @MH. Noble, মসজিদে নববীতে তালিম দেওয়া হত ঠিক আছে, কিন্তু বর্তমানের প্রচলিত মাদ্রাসা ব্যবস্থা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানায় ছিল না, পরবর্তিতে হয়েছে। আসল কথা হল- এমন কোন কাজ বা আমল হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানার পরে জারি করলে তা সেই সময়ই গ্রহনযোগ্য হবে,যখন তা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ,ঈজমা,ক্বিয়াস মোতাবেক হবে। যেমন: তারাবীহ নামাযে কুরআন শরীফ খতম করা, যা হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানায় ছিল না,উনি সূরা তারাবীহ পড়েছেন,কিন্তু উহা গ্রহনযোগ্য, কারন তা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ,ঈজমা,ক্বিয়াস সম্মত। ঠিক তেমনি মাদ্রাসার ব্যাপারটাও। আর মিলাদ শরীফের ব্যাপারে তো কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ,ঈজমা,ক্বিয়াসেই নির্দেশ রয়ে গেছে। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উক্ত মীলাদ শরীফ মাহফিলকে শুধু সমর্থনই করেননি; বরং ফযীলত বর্ণনা করে উম্মতদেরকে মীলাদ শরীফ-এর মজলিস করার জন্য উৎসাহিত করেছেন।

  13. নীল গগনের সুর্যNil Gogoner Shurzo says:

    @MH. Noble,khub ii koshto laglo,eto dolil deowar por oo apner ontorchokkhu khulche na……..eto dolil deowar por o apni bolchen Milad Shareef puber jamanay chilo na.(nauzubillah)….

  14. nurnila says:

    লেখক ভাই দয়া করে http://www.islamforuniverse.com/archives/799 সাইটে গিয়ে দেখবেন আশাকরি উপকৃত হবেন।

    • @nurnila, আজকে আমার এক ভাই মাওলানা রুমী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে কথা বলছিলেন- কিভাবে তুর্কীরা উনার সম্পর্কে মিথ্যা ইতিহাস তৈরি করেছে।
      আরেকজন বললেন, ঠিক বলেছেন; মুসলমানরা সঠিক ইতিহাসতো জানেইনা বরং জানে শুধু যেটুকু ভুল আর মিথ্যা।
      ঠিক একই অবস্থা আপনার, আপনি যে সাইটটির লিংক দিয়েছেন, তাতে ওই বিকৃতি আর তথ্য গোপন এগুলো এবং অসম্র্পুর্ণ ব্যাখ্যাই রয়েছে। আপনাকে ইসলাম জানতে হলে পরির্পণূটাই জানার চেষ্টা করতে হবে। নচেত হাতুড়ে ডাক্তারি করে মানুষের ঈমান নষ্ট করে শুধু গুনাহের বোঝাই ভারি করবেন।

  15. সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত, ছানা-ছিফত, প্রশংসা তথা মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে সর্বপ্রথম ঈদ পালন করেছেন মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন তিনি স্বয়ং নিজে।
    http://www.al-ihsan.net/qwoulshareef/Default.aspx?language=BN&vt=full&init_id=1690

  16. @nurnila, বরং আপনি উক্ত ওহাবী ওয়েবসাইট অনুসরণ করা ছেড়ে দিন.. উপকৃত হবেন। তাদের ঐ আর্টিকেলে প্রত্যেকটি পয়েন্টে কুফরী রয়েছে। ঈদে মীলাদুন ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে কেউ গান-বাজনা করে কোথাও দেখেছেন আপনি? কেউ যদি করে থাকে তবে তার জন্য তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সেজন্য তো উক্ত দিবসকে হারাম বলা যাবেনা। আপনি এই পোস্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভাল করে সব কমেন্টসহ পড়ুন। তারপর বলুন সমস্যা কোথায়। আর মীলাদ শরীফে কি কোন হারাম কাজ হয়? দেখাতে পারবেন যে একটা হারাম কাজ হয়?

  17. তবে এ সম্পর্কে সুধারণা পেতে প্রথমে নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সুধারণা, সঠিক আক্বীদা পোষণ করতে হবে। যার উনাকে নিজেদের মত সাধারণ মানুষ মনে করে, তারা শুধু মীলাদ শরীফ কেন ইসলামের কোনো বিষয়ই বুঝবে না।

  18. ডাঃ শাহনুর সায়েমনূর says:

    একটাই কথা, যারা মীলাদ শরীফ মানে না তারা কাফির, চির জাহান্নামী, ইসলামের শত্রু, মুরতাদ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে