মুখ ও দাঁতের জন্য খাদ্য


সাধারণত: আমরা ক্ষিধে পেলে খাই। কিন্তু শুধু পেট ভরলেই পুষ্টি হয় না। তাই যদি হতো তবে প্রতিদিন শুধু এক বাটি মিষ্টি বা এক গামলা ভাত খেলেই স্বাস্থ্যবান থাকা যেতো। মোটকথা খাদ্য এমন হওয়া চাই যাতে দেহের বৃদ্ধি, গঠন, ক্ষয়পূরণ এবং কর্ম ও মননশক্তির বিকাশ হতে পারে। আমরা সাধারণত: পাঁচ ধরনের পুষ্টি উপাদান খাই, যেমন-

১। শর্করা বা কাবের্াহাইড্রেট-এর কাজ হচ্ছে তাপ ও শক্তি জোগানো। বিভিন্ন রকমের চিনি, চাল, ডাল, গম, বজরা, ভূট্টা, দুধ, ফল ও শাকসবজিতে আছে শর্করা। এর অভাবে ওজন বাড়বে না, দেহ হবে দুর্বল।

২। লেহ পদার্থ বা ফ্যাট: এদেরও কাজ তাপ ও শক্তির জোগান দেওয়া। ফ্যাট দেহে চর্বি হিসাবে জমা হয়। প্রাণিজ চর্বি ও বিভিন্ন উদ্ভিদের তেল, ঘি, মাখন ইত্যাদিতে লেহ পদার্থ আছে।

৩। প্রোটিন: দেহের বৃদ্ধি ও গঠন, ক্ষয়পূরণ এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তি ইত্যাদি প্রোটিনের কাজ। মাংস, ডিম, মাছ, ডাল, বাদাম, ছোলা, সয়াবিন ইত্যাদিতে প্রোটিন আছে। দুধ এবং সবজিতেও কিছু প্রোটিন পাওয়া যায়। এর অভাবে শিশু বাড়ে না, দেহ হয় রুগ্ন।

৪। খনিজ পদার্থ: খনিজ পদার্থ আমাদের পুষ্টি সমেত সমগ্র জৈবক্রিয়ার সহায়ক। ক্যালসিয়াম, লোহা, ফসফরাস, আয়োডিন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, সালফার, তামা দস্তা, কোবাল্ট ইত্যাদি সবই খনিজ পদার্থ। এর অভাবে হাঁড় ও দাঁত হবে দুর্বল। এ্যনিমিয়া, গলগন্ড ইত্যাদিও খনিজ পদার্থের অভাবে হতে পারে।

৫। ভিটামিন: সমগ্র পুষ্টি উপাদান আত্মস্থ হতে ভিটামিনের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। এর অভাবে হতে পারে রাতকানা রোগ, ঠোটের কোণায় ও জিভে ঘা, বেরিবোরি, রিকেট, স্কার্ভি, চর্মরোগ ইত্যাদি। দাঁতের এবং জিবের সাহায্যে আমরা খাদ্যবস্তুকে চিবিয়ে পিসে ফেলি। খাদ্য দেখে, তার গন্ধে, স্বাদে এবং স্মৃতিতে চিবানোর সময় তিন জোড়া লালাগ্রন্থি থেকে ক্ষরিত হয় লালা। তরল খাদ্য লালা নিঃসরণ করে কম। লালায় আছে জল, শেস্নষ্মা, কিছু অজৈব লবণ এবং টায়ালিন নামে শর্করাভঞ্জক এনজাইম। দৈনিক খাদ্যে বিভিন্ন উপাদানের পরিমাণ কতটা থাকা উচিত তা নির্ধারণ করা হয় বয়স, ওজন, উচ্চতা ও শ্রমের নিরিখ্ তে;বে মোট খাদ্যের ১০-১৪ ভাগ প্রোটিন, ২০-৩০ ভাগ ফ্যাট এবং ৬০-৭০ ভাগ শর্করা থাকা প্রয়োজন।

দাঁত ও মাড়ির সুস্থ গঠনের জন্য ও রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রতিদিনের খাবারে তিনটি গুণের সমন্বয় ঘটানো প্রয়োজন যেমন:-

১। দাঁত গঠনের উপযোগী- মাছ, মাংস, ডিম, ছোলা, বাদাম, সয়াবিন, গম ইত্যাদি।

২। শক্তি সরবরাহকারী- চাল, ডাল, গম, তেল, মাখন, চিনি, ছোলা, আলু।

৩। প্রতিরোধমূলক- শাকসবজি, ফল, দুধ ইত্যাদি।

ভিটামিন:ভিটামিনের অন্য নাম হলো খাদ্যপ্রাণ। বিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখেছেন যে, সুদীর্ঘ জলপথের যাত্রায় নাবিকরা অনেক সময় এমন ব্যাধিত ভুগতেন যাতে মাড়ি ফুলে দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত বের হয়ে আসতো বা সামন্য আঘাতেই রক্তপাত হতো অথচ ঘাটে বা বন্দরে জাহাজ এসে পেঁৗছলে টাটকা লেবুর রস খেলে ধীরে ধীরে সেরে যেত ঐসব লক্ষণ। তাছাড়া আফ্রিকার অনেক অঞ্চলেও এই রোগ দেখা দিত। কিছুকাল আগে আমাদের দেশেও লক্ষ্য করা যেত মাড়ি ফুলে দাঁতের গোড়া থেকে অঝোরে রক্ত পড়তে। বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে রোগটির নাম স্কার্ভি। দীর্ঘদিন টাটকা শাকসবজি ও ফল খেতে না পারায় ভিটামিন সি-এর অভাবে ঘটতো এই রোগ। আরও অন্যান্য ক্ষেত্রের কারণেও ভিটামিনের ঘাটতি হয়। যেমন-

১। অজ্ঞতা বা দারিদ্রের কারণে দৈনিক খাদ্যে কোনো বিশেষ উপাদানের অভাব।

২। রন্ধন প্রণালীর দোষে বা খাদ্য সংরক্ষণের ভ্রান্ত পদ্ধতির কারণেও ভিটামিন নষ্ট হয়। যেমন, শাকসব্জি কাটবার পর পানিতে ধোয়ার কারণে বি-কমপেস্নক্স-এর ঘাটতি, ফেন ফেলা ভাতে ভিটামিনের ঘাটতি অন্যতম।

৩। ভিটামিন এ, ডি, কে’র বিপাক হয় ফ্যাটের উপস্থিতিতে। জলে দ্রবীভূত হয় ভিটামিন বি-কমপেস্নক্স, বি কমপেস্নক্স যুক্ত অন্যান্য ভিটামিন, ভিটামিন সি এবং ডি।

ভিটামিন-এঃ (১) দেহের বৃদ্ধিতে এবং হাড় ও দাঁতের গঠনে সাহায্য করা। (২) আবরণী কলা এপিথিলিয়াম দেহের বাইরে ও ভিতরের সমস্ত অংশকে ঢেকে রাখে, সমস্ত অংশকে ঢেকে রাখে, সমস্ত বহিঃশক্তির বিরুদ্ধে সেই আবরণী কলার স্বাভাবিক প্রতিরোধ শক্তি বজায় রাখে। ফলে এর অভাব হলে এপিথিলিয়াম কোষগুলোর ক্ষয়িষ্ণু পরিবর্তন হতে থাকে এবং রোগ জীবানুর বিরুদ্ধে স্বাভাবিক প্রতিরোধ হারিয়ে ফেলে। ভিটামিন-এ পাওয়া যায়- দুধ, ডিম, ডাল, ভাত, রুটি ইত্যাদিতে।

ভিটামিন-ডিঃ শৈশবে হাড় ও দাঁতের কাঠামো তৈরি করতে হাড়ে ও দাঁতে ক্যালসিয়ামের ভূমিকা অবিসংবাদী। হাড়ে ও দাঁতে ক্যালসিয়াম, ফসফেট সঞ্চিত হওয়ার সহায়ক অ্যালকালাইন ফসফেট নামক এনজাইমকে নিয়ন্ত্রণ করে, সাহায্য করে নিউক্লিয়াসের আর, এন এ, পরিবহনে । ক্যালসিয়ামের পূর্ণ ভিটামিন-ডি বেশি পাওয়া যায় কড মাছ ও হাঙ্গরের যকৃতের তেলে। তবে হেরিং, স্যামোন, ইলিস ও খয়রা মাছ, ডিমের কুসুম, মাখন দুধেও কিছুটা পাওয়া যায়। ভিটামিন-ডি এর অভাব হলে দাঁতের গঠন ব্যহত হয়, দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং উঠলেও অগঠিত থাকে।

ভিটামিন সি: ভিটামিন-সি এর কাজ হলো- ১। আমাদের দেহ কোষগুলির অন্তর্বতী স্থলে কোলাজেন নামে যে পদার্থ পাওয়া যায়, যার সাহায্যে কোষগুলি স্বস্থানে পারস্পরিক সম্পর্কে অবস্থান এবং সেই কোলাজেনের গঠনাকৃতি বজায় রাখতে সাহায্য করা। যেমন, মাড়িতে রয়েছে প্রচুর কোলাজেন। ২। হাড়, দাঁত, তরুণাস্থি (কাটিলেজ) এবং সংযোজক কলার কানেকটিভ টিসু্যর- গঠনের অংশ নেওয়া। ৩। বিভিন্ন সংক্রামক রোগে এবং প্রবল জ্বরে টিসু্যর ভিটামিন সি কমে যায় তাই ঐ সময় অতিরিক্ত সি ভিটামিন প্রয়োজন ৪। ক্ষত পূরণে সাহায্য করা। ভিটামিন সি পাওয়া যায় প্রধানত: টাটকা শাকসবজি, ফল ও কিছুটা দুধে। আমাদের দেহে দৈনিক ৭০-১০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি প্রয়োজন। ভিটামিন সি সহজেই জলে দ্রবণীয়। তাই শাকসবজি জলে ভিজিয়ে রাখলে বা সিদ্ধ করার পর সেই জলের সাথে শতকরা ৬০-৭০ ভাগ বের হয়ে যায়। ভিটামিন সি ঘাটতি হলে স্কার্ভি রোগ হতে পারে। বর্তমান বিশ্বে সচেতনতা বৃদ্ধির কারণে এই রোগটি এখন নাই বললেই চলে। শিশু ছয়মাস বয়স থেকে শিশুকে তার দাঁতের সুস্থ গঠনের জন্য সবজি ও টাটকা ফল দেয়া প্রয়োজন। আমাদের দেশে বারো মাসই আমলকি, আম, জাম, লিচু, জামরুল, পেয়ারা, কলা, শশা, পেঁপে, আনারস, তরমুজ, নাসপাতি, কমলা, মুসাম্বি, অঙ্গুর, আপেল ইত্যাদি পাওয়া যায় এদের মধ্যে প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে।

ভিটামিন বি কমপেস্নক্স: এই গোষ্ঠির মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন সত্তার অনেকগুলি ভিটামিন রয়েছে সম্মিলিতভাবে। বি-কমপেস্নক্স গোষ্ঠিভুক্ত ভিটামিনগুলির মধ্যে পুষ্টির দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হল- ১। বি-ওয়ান বা থিয়ামিন ২। বি-টু বা রিবোফ্লাবিন ৩। ফোলিক এ্যাসিড ৪। নিকোটিনিক এ্যাসিড বা নায়াসিন ৫। বি-১২ বা সায়ানোকোবালমিন, ভিটামিন বি-কমপেস্নক্স গোষ্ঠির প্রধান কাজ হলো বিশেষ বিশেষ এনজাইমের অংশ হিসাবে খাদ্যকে অর্থাৎ প্রোটিন, ফ্যাট ও শর্করাকে বিশিস্নষ্ট হতে এবং আন্তর্নিহিত শক্তিকে মুক্ত হতে সাহায্য করা।

ভিটামিন বি-টু (রিবোফ্লাবিন): সাধারণতঃ আমরা যা খাই তার মধ্যে রিবোফ্লাবিন যথেষ্ট পাওয়া যায় দুধে এবং অংকুরিত শস্যে। সবুজ শাক, কড়াইশুটি, বিন, সিম ইত্যাদি সবজি, মাছ, মাংস এবং ডিমেও সন্তোষজনক পরিমাণে রিবোফ্লাবিন খাওয়ালে অপুষ্টির এই লক্ষণ গুলি দূর হয়।

খনিজ পদার্থ: যেসব পদার্থ দিয়ে আমাদের দেহটি গড়া তার মোট ওজনের শতকরা প্রায় ৪ ভাগ হল খনিজ পদার্থ। তার মধ্যে প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। দেহের এই ফসফরাস তাই ক্যালসিয়ামের সঙ্গে একযোগে অস্থি ও দাঁতের উপাদান গঠন করে। খনিজ পদার্থগুলো প্রথমত: শৈশব, কৈশোরে, অন্তঃসত্ত্বা ও প্রসূতি অবস্থায় দেহ গড়া ও বাড়ার জন্য প্রতিদিন প্রতি খাবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রয়োজন।

ক্যালসিয়াম:মানবদেহে যতটা ক্যালমিয়াম আছে তার শতকরা ৯৯ ভাগ থাকে হাড় ও দাঁতে। ক্যালসিয়ামের প্রধান কাজ হচ্ছে ফসফরাসের সঙ্গে একযোগে অস্থি ও দাঁতের উপাদান গঠন করা। ক্যালসিয়াম পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায় দুধে। তাছাড়া পালং শাক, সজনে, কুমড়া ইত্যাদি শাকে এমং মাছে যতেষ্ট ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। শিশুদের প্রতিদিন তিন থেকে চার কাপ দুধ খাওয়ালে হাড় ও দাঁতের বৃদ্ধির চাহিদা মেটানো যায়। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে শিশুদের হাড় ও দাঁত নরম ও দুর্বল হয়।

ফসফরাস:দেহের জন্য ক্যালসিয়ামের পরেই ফসফরাসের স্থান। শতকরা ৪০ ভাগ ফসফরাসই ক্যালসিয়ামের সহযোগিতায় হাড় ও দাঁতের কাঠামো তৈরি করে আর বাকিটা থাকে কোমল টিসু্যতে ও জলীয় অংশে। ফসফরাসের কাজ হলো হাড় ও দাঁতের কাঠামো তৈরি করা। দুধ, ডিম, মাংস ইত্যাদির মতো প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ খাবারের যথেষ্ট পরিমাণে ফসফরাস পাওয়া যায়। আমাদের ঐতিহ্যের মধ্যে আরও আছে, যেমন লাল চালের ফ্যানভাত খাওয়ার প্রথাতে বি ভিটামিনের অভাব দূর হচ্ছে, সেই রকম লোহার কড়াইতে তরকারি রাখার ফলে তরকারির সঙ্গে লোহাযুক্ত হয়ে অ্যানিমিয়ার প্রতিষেধক হয়ে উপকারে আসছে। তবে কিছু কিছু কুসংস্কারও আমাদের দেশে রয়েছে যার ফলশ্রুতিতে দেহের পুষ্টির সমতা রক্ষায় মাঝে মাঝে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। যেমন মায়ের পেট খারাপ বা অম্বল হলে শিশুকে দুধ দিতে নেই, শিশুর পেটের অসুখে দুধ বন্ধ রাখতে হবে। আমাশয় হলে মাছ, ডিম বন্ধ করে কাঁচা কলা, ঝোল তরকারি বা চিড়ের মণ্ড খাওয়ানো, ডাবের বদলে ডাবের জল, তরকারির কাটার পর ধুয়ে জল ফেলে রান্না করা ইত্যাদির কারণে পুষ্টিকর অনেক খাদ্য থেকে আমরা ভিটামিন হারাই যা শুধু আমাদের পেটকেই শুধু ভর্তি করতে পারে কিন্তু গুণগত মান থেকে বঞ্চিত রাখে। সুতরাং প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এমন সমস্ত ভিটামিন সমৃদ্ধ উপাদান রাখতে হবে যাতে দাঁত ও মাড়ির সুস্থতার জন্য মুখগহ্বরের ঘা ও বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকতে পারি। যাদের দেহে অন্যান্য রোগের কারণে প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এবং যারা তামাক পাতা সেবন বা ধূমপান করেন এবং অপুষ্টিতে ভোগেন তাদের মুখের ঘা বেশি হয়। এমন অনেক ঘা-কেই এখন ক্যান্সারের পূর্বাবস্থা হিসাবে বিজ্ঞানীরা বর্ণনা দিয়েছেন। সুতরাং দেহের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে যেমন পুষ্টিকর খাদ্য উপাদান নিয়মিত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তেমনি রোগ থেকে মুক্ত থাকতেও প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে নিয়মিত অভ্যাস করা প্রয়োজন। গুড়ের মধ্যে আছে পর্যাপ্ত লোহা ও ভিটামিন বি কমপেস্নক্স যা মাড়ি ও মুখগহ্বরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আবার আমাদের ঐতিহ্য, ডালের সঙ্গে নারকেল-আলু-কড়াই শুটি, ডাটা, শাকসবজির সাথে মাছের মাথাসহ মুড়িঘন্টা, চাল, ডাল, সবজি মেশানো খিচুড়ি বিভিন্ন অসম্পূর্ণ প্রোটিনকে সম্পূর্ণ প্রোটিনে রূপান্তরিত করে, দেহের ক্ষয়পূরণের কাজকে সুগম করে এবং এগুলো খেয়ে গর্ভবতী মা যেমন নিজের দাঁত ও মাড়িকে সবল ও সুস্থ রাখতে পারেন, তেমনি ভবিষ্যতে শিশুর দাঁতকেও মজবুত করতে সাহাস্য করে।

Views All Time
3
Views Today
4
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

  1. রেপিডশেয়ার rapidshare says:

    প্রিয় পোস্টে যোগ করলাম। ধন্যবাদ Rose

  2. মুস্তাফিজুর রহমান ফারুক মুস্তাফিজ says:

    খুব সুন্দর ও উপকারী পোস্ট। তবে ‘মাংস’ না বলে ‘গোশত’ বলতে হবে।

  3. বাংলা ব্লগ বাংলা ব্লগ says:

    খুবই দরকারী পোষ্ট! Rose ভাই একটা কথা কন লোহা কেমনে খায়?

  4. দিগ্বিজয়ী দিগ্বিজয়ী says:

    সুন্দর Watermelon

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে