মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার দোয়ার প্রতিফলন স্বরূপ মুসলমানদেরকে জুলুম নির্যাতনকারী কাফিরদের উপরে খোদায়ী গজব ভারতীয় সাবমেরিনে বিস্ফোরণ!


 

আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে প্রতিদিন গড়ে একটিরও বেশি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়ে থাকে, যার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে সেখানকার প্রশাসন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ১৯৯০ সালে ভারতের হাসিমপুরা গণহত্যা, উত্তরপ্রদেশের সশস্ত্র বাহিনীর হিন্দু সদস্যরা পঞ্চাশজন মুসলিম যুবককে লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলিবর্ষণ করে। খালের পানিতে ফেলে দেয়া সেসব লাশগুলো পরবর্তীতে ভেসে উঠে। আরো একটি ঘটনা, ট্রেন থামিয়ে মুসলমানদের চিহ্নিত করে নামিয়ে নিয়ে শহীদ করা হয়। তাঁদের অপরাধ ছিল তাঁরা মুসলমান! মুসলমানদের মসজিদ ধ্বংস করা হলো এবং রাতারাতি সেগুলোকে পরিণত করা হলো হিন্দু মন্দিরে। আর শহীদ করা মুসলমানদের পুঁতে ফেলা হয় মাটিতে। তারপর সেই জমির উপর রসূন বুনে দেয়া হয় সুদক্ষ চাষীর মতো। (তথ্যসূত্র: গোলাম আহমাদ মোর্তজা রচিত ইতিহাসের এক বিস্ময়কর অধ্যায়, পৃষ্ঠা ২৯)

ভারতে এভাবেই প্রশাসনে থাকা সন্ত্রাসী হিন্দুদের দ্বারা মুসলমানরা নির্যাতিত হয়। অথচ এসব বিষয় নিয়ে কথিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যেও কোনো উদ্বেগ-উৎকন্ঠা পরিলক্ষিত হয় না। কিন্তু খোদায়ী গযব থেমে নেই। জানা যায়, সম্প্রতি ভারতের মুম্বাইয়ে কঠোর নিরাপত্তা-বেষ্টিত সেনা বন্দরে হঠাৎ অগ্নিকা- ও বিস্ফোরণে ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি সাবমেরিন ডুবে যায়। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ. কে অ্যান্থনি নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের কাছে এটিকে ‘সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় মর্মান্তিক ঘটনা’ হিসেবে অভিহিত করে বলে যে, এতে অসংখ্য নাবিকের প্রাণহানি ঘটেছে। তবে সে এর বেশি কিছু বলতে ইচ্ছুক নয়।
উল্লেখ্য, ডুবে যাওয়ার মাসখানেক আগেই সাবমেরিনটির উন্নয়নে ভারত ৮ কোটি ডলার ব্যয় করেছিল এবং এর উন্নয়নের কাজ করা হয়েছিল রাশিয়ায়। [সূত্র: ইন্টারনেট]

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে