মুজাদ্দিদে আ’যম নূরে মুকাররম সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি যাদের জানাযা পড়াবেন উনারা অনেক বড় সৌভাগ্যবান। সুবহানাল্লাহ!


একাদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ আফদ্বালুল আউলিয়া, ক্বইয়ূমে আউওয়াল হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সীরতগ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে, তিনি যাদের জানাযা নামাযের ইমামতি করবেন উনাদের সকলের জন্য জান্নাত ওয়াজিব। সুবহানাল্লাহ!
বলার অপেক্ষা রাখে না, তিনি যাদের জানাযা নামাযের ইমামতি করেছেন উনারা লোক সমাজে মুসলমান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। উনাদের মধ্যে অনেকে কামিল ছিলেন এবং অনেকে হয়তো নাক্বিছও ছিলেন। তবে প্রত্যেকেই ছিলেন মুসলমান হিসেবে পরিচিত।
কিন্তু মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি যাদের জানাযা পড়াবেন তাদের মধ্যে কেউ অন্তরে ঈমান এনেছেন, বাইরে বা লোক সমাজে ঈমানের কথা প্রকাশ করেননি, এমন বক্তিও সম্মানিত জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত। সুবহানাল্লাহ!
এটা আমি বানিয়ে বলছি না, এর পিছনে আমার নিজের দেখা একটা স্বপ্ন রয়েছে। মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি যখন সারা দেশব্যাপী সফর করতেন। একেকদিন একেক জেলায় মাহফিল থাকতো। যেদিন রাজশাহী শহরের মাহফিলের তারিখ সেদিন দরবার শরীফ থেকে সংবাদ পৌছলো আমাদের এক সালিক তিনি ইনতিকাল করেছেন। খুব সম্ভব তিনি মুর্শিদ আলাইহিস সালাম উনার আত্মীয় হবেন। তখন রাজশাহী থেকে হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার তরফ থেকে নির্দেশ দেয়া হলো, দরবার শরীফে অবস্থানরত জনৈক আল্লামা তিনি যেনো উনার জানাযা নামায পড়িয়ে দেন।
সেদিন ছিল জুমুআর দিন। বাদ ফজর সকালে নাস্তা খাওয়ার পর ছলাতুয যুহর উনার পূর্ব পর্যন্ত আমরা সফরকারীরা বিশ্রাম নিতাম। ঐ বিশ্রামে স্বপ্নের মধ্যে দেখতে পেলাম, সাইয়্যিদুনা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি কারো জানাযা পড়াবেন সে বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। এরই মধ্যে আমি শুনতে পেলাম সাইয়্যিদুনা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি যদি এমন কোন মাইয়্যিতের জানাযা পড়ান যে নাকি শুধু অন্তরে ঈমান এনেছে কিন্তু কারো কাছে প্রকাশ করেনি তথাপিও তাকে ক্ষমা করা হবে, নাজাত ও জান্নাত দেয়া হবে। সুবহানাল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে