মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দোয়া ও রোবের প্রতিফলন: খোদায়ী গযব অব্যাহত-৩


যুক্তরাষ্ট্রের ৬ স্টেটে ১৩ টর্নেডো আঘাত

গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য পশ্চিমাঞ্চলে ১৩টি শক্তিশালী টর্নেডো আঘাত হেনেছে। নেব্রাস্কা, মিসৌরী, ইলিনয়েস, কানসাস, ইন্ডিয়ানা এবং কেনটাকি অঙ্গরাজ্য এই সিরিজ টর্নেডোর আঘাতে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবরে বলা হয়, টর্নেডোর আঘাতে বিধ্বস্ত হয় সহস্রাধিক বাড়িঘর, এছাড়া বহু এলাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কানসাস অঙ্গরাজ্যের হারভিভ্যালির ৪০ শতাংশ বাড়িঘর ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ায় স্টেটজুড়ে জরুরী অবস্থা জারি করেছে সরকার।

মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েছে সুনামি বিধ্বস্ত জাপানীরা দেশ জুড়ে ভূতের আতঙ্ক!

সুনামি বিধ্বস্ত জাপানে এবার আসর জমিয়েছে ভূতের আতঙ্ক! ভয়াবহ ভূমিকম্প এবং সুনামির ধ্বংসলীলার এক বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে, কিন্তু তার পড়েও মন থেকে এই দুঃস্মৃতি দূর করতে পারছে না তারা। মূলত স্বজনহারা বেদনা এবং সুনামি ধ্বংসযজ্ঞ খুব কাছ থেকে প্রত্যক্ষ করায় মানসিক ভাবে বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েছে দেশটির নাগরিকরা। বিষয়টি এমনই প্রকট আকার ধারণ করেছে যে, ভূতের ভয়ে ফুকুশিমায় নির্মাণ কাজ পর্যন্ত বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
জাপানের ইশিনোমাকি শহরে ছড়িয়ে পড়েছে ভূতের ভয়। মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়া জাপানিরা বলছে, গত বছরের ভয়াবহ ভূমিকম্প এবং সুনামির ছোবলে মারা যাওয়া মানুষের আত্মা নাকি এখন ওই অঞ্চলে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং স্থানীয়দের ওপর নানাভাবে ভর করছে। এমন আতঙ্ক থেকে স্থানীয় একটি নির্মাণ প্রকল্পের কাজও স্থগিত করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২০১১ সালের মার্চে ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত একটি বাজার পুননির্মাণ করা হচ্ছিল। কিন্তু মাঝপথেই সেই কাজ থামিয়ে দেয়া হয়। সেই অর্ধসমাপ্ত ভবনের দিকে দেখিয়ে ৬৪ বছর বয়সি কুসংস্কারাচ্ছন্ন সাতোশি আবে জানায়, “আমি শুনেছি, যারা এই ভবনটি পুননির্মাণের কাজ করছিল তারা ভৌতিক প্রভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আসলে অসংখ্য মানুষ মারা গিয়েছিল এখনে যার ফলে এখন এসব হচ্ছে।”
এক সময় জমজমাট মাছ ধরা ও কেনাবেচার বন্দর ছিল এই ইশিনোমাকি। কিন্তু ২০১১ সালের সুনামি ওই অঞ্চলকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছিল। সেই ধ্বংসযজ্ঞের ওপর আবারো গড়ার চেষ্টা করছে বাজার-ঘাট, রাস্তা, বিদ্যালয়। কিন্তু হারানো স্বজনদের আর কখনোই ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। তাদেরই স্মৃতি সারাক্ষণ ঘুরে ফিরছে দুর্যোগ থেকে বেঁচে যাওয়া জাপানিদের মনে। সেসব স্মৃতিই এখন ভূতের আসর হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে বলে মনে করছে সেই এলাকার বাসিন্দা শিনিচি সাসাকি।
শিনিচি সাসাকি জানায়, “২০১১ সালের ১১ই মার্চ বারবার আমাদের মনে ফিরে ফিরে আসে। আপনি যদি এমন কাউকে চিনতেন যিনি এখানে হঠাৎ করেই মারা গেছেন, তাহলে মনে হবে যেন সেই ব্যক্তি এখনো এখানেই দাঁড়িয়ে আছে। আমি বুঝতে পারি যে কেন সারা শহর জুড়ে এমন ভূতুড়ে শঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে।”
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ভূতের এই ভয় শহরের ট্যাক্সি চালকদেরও পেয়ে বসেছে। পথের মধ্যে ট্যাক্সি চালকদের থামতে ইঙ্গিত করা হলেও অনেকেই না দাঁড়িয়ে চলে যাচ্ছে। তাদেরই একজন জানালো, ট্যাক্সি চালকরাও এখন আতঙ্কে রয়েছে যে, তাদের আশঙ্কা হয়তো পথে যে থামতে বলছে সে কোনো মানুষ না হয়ে কোনো ভূত হতে পারে।
স্থানীয় এক মহিলা জানিয়েছে, সে বেশ কিছু ঘটনা শুনেছে যে, মানুষরা এখন মাঝেমধ্যেই দেখতে পায়- অসংখ্য মানুষ দল বেঁধে দূর পাহাড়ের দিকে দৌড়াচ্ছে তেড়ে আসা জলের ছোবল থেকে আত্মরক্ষার জন্য। এ যেন মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার তাদের নিষ্ফল প্রচেষ্টা, যার কোনো শেষ নেই এবং পরিণতিও নেই।

অর্থনৈতিক মন্দা: ভারতে দু’বছরের মধ্যে প্রবৃদ্ধি সর্বনিম্নে

দু’বছরের মধ্যে ভারতের প্রবৃদ্ধি সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। চলতি অর্থবছরের শেষ ভাগে এসে এ অবস্থা দেখা দিয়েছে দেশটির অর্থনীতিতে। চলতি অর্থবছরের শেষ ত্রৈমাসিকে ভারতের আর্থিক প্রবৃদ্ধির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬.১ শতাংশে। ২০০৯ সালের পর ভারতে এটাই সবেচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি। বাজেট অধিবেশনের আগ মূহুর্তে দেশের অর্থনীতির এ অবস্থা ক্ষমতাসীনদের জন্য বিব্রতকর বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী ১৬ মার্চ বাজেট পেশ করবে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি।
বিশ্লেষকরা বলছে, সুদের উচ্চ হার এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দাভাবের কারণে এ অবস্থা তৈরি হয়েছে।

 

সূত্র: দৈনিক আল ইহসান/ ১ মার্চ, ২০১২

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+