মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক সুমহান তাজদীদ-২ ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে মিলানোও সহজ তাই ফিঙ্গারপ্রিন্টের কোন বিকল্প নাই


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “আসমান-যমীনের সৃষ্টি এবং মানুষের ভাষা ও বর্ণের ভিতরে বিভিন্নতা রয়েছে।”
ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙ্গুলের ছাপ মিলানো সহজ। কেননা; ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙ্গুলের ছাপ ভালভাবে দেখলেই মিলানো যায়, আবার আধুনিক পদ্ধতিতে কম্পিউটার বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারের মাধ্যমে অতি দ্রুত ও সহজে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিলানো যায়। এতে কোন মানুষের আলাদা করে পর্যবেক্ষণেরও প্রয়োজন হয় না। কিন্তু পর্যবেক্ষণকারীর সরাসরি পর্যবেক্ষণ ছাড়া ছবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিলানো সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। আবার বয়সের সাথে সাথে মানুষের চেহারা পরিবর্তন হয়। এছাড়া চুলের আচড়ানো বা স্টাইল, পোশাক পরিচ্ছদ, সাজ-সজ্জা ইত্যাদি কারণেও চেহারার পরিবর্তন হয়। আবার ছবি মিলানো অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে, কারণ অনেকের চেহারা প্রায় একই রকম হয়। এছাড়াও ছবির দ্বারা সনাক্ত করা খুবই কঠিন। এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “প্রত্যেক ছবি তুলনেওয়ালা জাহান্নামী। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
এর দ্বারা বুঝা যায় যে, হারাম ছবির চেয়ে শরীয়তসম্মত ফিঙ্গারপ্রিন্টই সর্বশ্রেষ্ঠ। তাই বর্তমান সরকরের উপর ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, এই হারাম ছবি বাদ দিয়ে হালাল এবং শরীয়তসম্মত ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) তৈরি করা। কারণ কুরআন শরীফ-এর আয়াত শরীফ অনুযায়ী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, সনাক্তকরণ, চিহ্নিতকরণ ইত্যাদি সব ক্ষেত্রেই এটাই সর্বত্তম।
অতএব, এ ধরনের সব বিষয়ে সঠিক ফায়ছালা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল দেশের মুসলমান জনগণ-সরকার সকলেরই উপর ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, বর্তমান পনের হিজরী শতকের মহান মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদ আ’যম, হাবীবে আ’যম, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, আস সাফফাহ, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, আওলাদে রসূল, ঢাকা রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ছোহবতে আসা। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে সে তাওফীক দান করুন। (আমীন)

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+