মুনাফিকের অন্যতম একটা বৈশিষ্ট্য হলো গালি দেয়া।


ভালো মানুষ কখনো গালি দেয় না। দিতেই পারে না। কারো প্রতি রাগান্বিত হলেও সে খারাপ ভাষা ব্যবহার করে না। ভালো মানুষের রাগ প্রকাশের ভঙ্গিটাও হয় সুন্দর ও সংযত। পক্ষান্তরে মন্দ মানুষ যখন রাগান্বিত হয় তখন সে ভুলে যায় ভদ্রতা এবং তার আসল রূপ বের হয়ে পড়ে। সে তখন গালি দিতে থাকে। সে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করতে চায়, কিন্তু নিজেই পরাস্ত হয়ে যায়। কেননা, সবাই তাকে অভদ্র বলে চিনে ফেলে। নবি করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুমিন ও মনাফিকের পরিচয় দিয়ে বলেছেন-চারটি বৈশিষ্ট্য যার মধ্যে পাওয়া যাবে সে প্রকৃত মুনাফিক। সেই,বৈশিষ্টগুলো হলো-
তাকে আমানত দেয়া হলে সে খেয়ানত করে। যখন সে কথা বলে তো মিথ্যা বলে। যখন অঙ্গিকার করে তো অঙ্গিকার ভঙ্গ করে ও যখন বিবাদে উপনীত হয় তখন গালাগালি করে। (সহিহ বুখারি ৩৪, সহিহ মুসলিম ১০৬)
মহানবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, মুমিন কখনো দোষারোপকারী, অভিশাপকারী,অশ্লীল ও গালিগালাজকারী হয় না। (জামে তিরমিযী ২০৪৩)
যারা গালিগালাজ করে তাদের ব্যপারে মহানবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
আব্দুল্লাহ ইবনে উমর হতে বর্নিত, তিনি বলেন, রাসুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কবিরা গুনাহসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বড় হল নিজের পিতা-মাতাকে লানত করা। জিজ্ঞাস করা হলো: হে আল্লাহর রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপন পিতা-মাতাকে কোনো লোক কিভাবে লানত করতে পারে? তিনি বললেন: সে অন্যের পিতাকে গালি দেয়, তখন সে তার পিতাকে গালি দেয় এবং সে অন্যের মাকে গালি দেয়, তখন সে তার মাকে গালি দেয়।” [সহিহ বুখারি: ৫৯৭৩, সহিহ মুসলিম: ৯০]
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাস’উদ রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “মুসলমানদের কে গালমন্দ করা ফাসেকী আর তাদের বিপক্ষে যুদ্ধ করা কুফরী।” (বুখারী ও মুসলিম)

এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী নিজেকে আলেম দাবী করে অশ্লীল অশালীন ভাষায় মানুষকে গালাগালি করে। এমন নোংরা ভাষা প্রয়োগকারী আলেমতো দূরের কথা সে মুনাফিকের অর্ন্তভূক্ত। কোন বিষয় নিয়ে কারো সাথে মতবিরোধ থাকতেই পারে তাই বলে তাকে বাপ মা তুলে গালি দেয়া এটা কোন শ্রেনীর মানুষের কাজ এ প্রশ্নের জবাব জাতীর কাছেই চাইলাম।

এনায়েতউল্লাহ আব্বাসী সাহেব নিজের মুখের গালাগালি শুনে ইসলামের মানদন্ডে আপনাকে মেপে নিন।ভালো মানুষ কখনো গালি দেয় না। দিতেই পারে না। কারো প্রতি রাগান্বিত হলেও সে খারাপ ভাষা ব্যবহার করে না। ভালো মানুষের রাগ প্রকাশের ভঙ্গিটাও হয় সুন্দর ও সংযত। পক্ষান্তরে মন্দ মানুষ যখন রাগান্বিত হয় তখন সে ভুলে যায় ভদ্রতা এবং তার আসল রূপ বের হয়ে পড়ে। সে তখন গালি দিতে থাকে। সে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করতে চায়, কিন্তু নিজেই পরাস্ত হয়ে যায়। কেননা, সবাই তাকে অভদ্র বলে চিনে ফেলে। নবি করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুমিন ও মনাফিকের পরিচয় দিয়ে বলেছেন-চারটি বৈশিষ্ট্য যার মধ্যে পাওয়া যাবে সে প্রকৃত মুনাফিক। সেই,বৈশিষ্টগুলো হলো-তাকে আমানত দেয়া হলে সে খেয়ানত করে। যখন সে কথা বলে তো মিথ্যা বলে। যখন অঙ্গিকার করে তো অঙ্গিকার ভঙ্গ করে ও যখন বিবাদে উপনীত হয় তখন গালাগালি করে। (সহিহ বুখারি ৩৪, সহিহ মুসলিম ১০৬)মহানবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, মুমিন কখনো দোষারোপকারী, অভিশাপকারী,অশ্লীল ও গালিগালাজকারী হয় না। (জামে তিরমিযী ২০৪৩)যারা গালিগালাজ করে তাদের ব্যপারে মহানবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,আব্দুল্লাহ ইবনে উমর হতে বর্নিত, তিনি বলেন, রাসুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কবিরা গুনাহসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বড় হল নিজের পিতা-মাতাকে লানত করা। জিজ্ঞাস করা হলো: হে আল্লাহর রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপন পিতা-মাতাকে কোনো লোক কিভাবে লানত করতে পারে? তিনি বললেন: সে অন্যের পিতাকে গালি দেয়, তখন সে তার পিতাকে গালি দেয় এবং সে অন্যের মাকে গালি দেয়, তখন সে তার মাকে গালি দেয়।” [সহিহ বুখারি: ৫৯৭৩, সহিহ মুসলিম: ৯০]হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাস’উদ রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “মুসলমানদের কে গালমন্দ করা ফাসেকী আর তাদের বিপক্ষে যুদ্ধ করা কুফরী।” (বুখারী ও মুসলিম)এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী নিজেকে আলেম দাবী করে অশ্লীল অশালীন ভাষায় মানুষকে গালাগালি করে। এমন নোংরা ভাষা প্রয়োগকারী আলেমতো দূরের কথা সে মুনাফিকের অর্ন্তভূক্ত। কোন বিষয় নিয়ে কারো সাথে মতবিরোধ থাকতেই পারে তাই বলে তাকে বাপ মা তুলে গালি দেয়া এটা কোন শ্রেনীর মানুষের কাজ এ প্রশ্নের জবাব জাতীর কাছেই চাইলাম।

Posted by Moru Kafela on Sunday, January 20, 2019

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে