মুবারক হো- সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা উম্মু আবীহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আহাব্বুন নাসি ইলান নাবিইয়ি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বিলাদত শরীফ


সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি তাদেরকে (উম্মাহকে) আমার বিশেষ বিশেষ দিনগুলো স্মরণ করিয়ে দিন।”
বলাবাহুল্য, সব বিশেষ দিনের বিশেষ দিন বা মূল দিন হচ্ছে আজকের দিনটি। যে দিন সব ঈদের ও শ্রেষ্ঠ ঈদ তথা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ। যে দিনের মহিমান্বিত স্মরণ কুল-মাখলুকের অস্তিত্বের জন্য অনিবার্য। পাশাপাশি রহমত, মাগফিরাত ও ফযীলতের সর্বাধিক ও সর্বোচ্চ প্রাচুর্যের কারণ। সুবহানাল্লাহ!
আজ মহিমান্বিত ২০শে জুমাদাল উখরা শরীফ। সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি ইয়াওমিল ক্বিয়ামাতি, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মুল ইমামাইনিল হুমামাইন, সাইয়্যিদাহ, ত্বহিরা, যাহরাহ, যাকিয়াহ, রদ্বিয়াহ, মারদ্বিয়াহ, বতূল, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আহাব্বুন নাসি ইলান নাবিইয়ি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বিলাদত শরীফ দিবস।
বিশুদ্ধ বর্ণনা মতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী ৩৭ বছর বয়স মুবারকে এবং উনার আনুষ্ঠানিক নুবুওওয়াত প্রকাশের প্রায় তিন বৎসর পূর্বে ২০শে জুমাদাল উখরা শরীফ জুমুয়ার দিন ছুবহি ছাদিকের সময় তিনি যমীনে তাশরীফ মুবারক আনেন।
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দাগণের মাঝে খুব কম সংখ্যক বান্দাই শোকর গোজারী করে।”
অন্য পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারক উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আলিমগণ উনারাই মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করেন।” ভয় এবং শোকর একে অপরের পরিপূরক।” অর্থাৎ শোকরিয়া করতে হলে দরকার ভয় এবং তারও পূর্বে দরকার ইলম। যেহেতু কম সংখ্যক বান্দাই শোকর গোজার সেহেতু কম সংখ্যক বান্দাই মূলত ইলম উনার প্রকৃত হিস্যার অংশীদার হয়।
প্রসঙ্গত বলতে হয়, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি ইয়াওমিল ক্বিয়ামাতি, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্পর্কে খুব কম লোকই প্রকৃত ইলম রাখে। উনার হাক্বীক্বত সম্পর্কে জানে। উনার আলোচনা করে। উনার ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক বর্ণনা করে। উনার অনুসরণ অনুকরণের গুরুত্ব অনুধাবন করে। অথচ উনি মহান আল্লাহ পাক উনার মহিমান্বিত গুপ্তভেদ। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত গুপ্তভেদ বরং এক অর্থে মহিমান্বিত অজুদ মুবারক। (সুবহানাল্লাহ)
স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনি আমার হতে।” অন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি আমার মুবারক কলিজা উনার টুকরা মুবারক। উনি আমার পবিত্র মনের মুবারক কথাই বলেন।” (সুবহানাল্লাহ)
এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনাকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি কত বেশি মুহববত মুবারক করতেন সে আলোচনা মুবারক উনার উল্লেখ করা হয়। কিন্তু আসলে এই মুহব্বত মুবারক উনার কথা ভাষায় অব্যক্ত। কারণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি মুহব্বত মুবারক উনার মূল। কাজেই উনিই যদি কাউকে চূড়ান্ত মুহব্বত মুবারক করেন সে মুহব্বত মুবারক উনার প্রাবল্য যে কত বেশি তা সাধারণের অনুধাবনের জন্য অকল্পনীয় এবং ভাষায় প্রকাশেরও অব্যক্ত। পক্ষান্তরে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনিও স্বীয় আব্বাজান নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কত বেশি মুহব্বত মুবারক করতেন তাও ভাষা প্রকাশে অক্ষম। তাই বিছাল শরীফ উনার বিরহে উনার মর্মস্পর্শী উক্তি মুবারক যে এই বিরহ মুবারক যদি দিনের মধ্যে প্রবেশ করানো হতো তবে তা রাত হয়ে যেতো। মূলত, এই নিসবত মুবারক, তায়াল্লুক মুবারক, মুহব্বত মুবারক অনুধাবনের যোগ্য শুধু যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মহান মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা।
মূলত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার এমন অবর্ণনীয়, অবিচ্ছেদ্য, অনবদ্য মুহব্বতের সম্পর্ক ছিল যেন দুই ধনুকের সম্মিলনীর অবস্থা। (সুবহানাল্লাহ) চরিত্রগতভাবে যেন একজন অপরজনের আয়না। (সুবহানাল্লাহ)
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সীরত-ছূরত মুবারক সর্বোত অংশেই ছিল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হুবহু অনুরূপ। যা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালামগণ উনারা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে এবং ভূয়সী ছানা-ছিফত মুবারক করে বর্ণনা করেছেন। (সুবহানাল্লাহ)
বলার অপেক্ষা রাখে না, সরকার অথবা জনগণ তথা সাধারণ মুসলমান, এসব বিষয় উপলব্ধি না করার কারণেই আজ ওৎপ্রোতভাবে বিবিধ গযবে ভারাক্রান্ত।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ- যেখানে বৌদ্ধ শতকরা ১ ভাগও নেই। তারপরও বাতিল একটি ধর্ম বৌদ্ধদের বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে সরকারিভাবে ছুটির ব্যবস্থা করা হয়।
সেক্ষেত্রে যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারই মুবারক কলিজা উনার টুকরা মুবারক সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সুমহান বিলাদত শরীফ উনাকে উপলক্ষ করে সরকারের কি প্রধান দায়িত্ব-কর্তব্যের মধ্যে পড়ে না যে, এ উপলক্ষে বিশেষভাবে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।
অপরদিকে সাধারণ মুসলমানেরও কী উচিত নয় যে, উনাকে যথাযথ মুহব্বত করে আযীমুশ শানভাবে বিশেষ ভাবগাম্ভীর্যতার সাথে সারাদেশব্যাপী মীলাদ শরীফ ও ওয়াজ শরীফ মাহফিল উনাদের ব্যবস্থা করা। উনার মুবারক শান-মান, মুবারক তা’যিম-তাকরীম জেনে-বুঝে উনাকে উত্তমভাবে অনুসরণ করে হাক্বীক্বী মুবারক রহমত হাছিল করার জন্য তথা এই দিবসের যে বারাকাত, ফুয়ুজাত, নিয়ামত, রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত রয়েছে তা লাভ করার জন্য একান্তভাবে নিবেদিত হওয়া?
উল্লেখ্য, কোনো আবনাউ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা জীবিত থাকেননি, তদ্রƒপ উনার অপরাপর বানাত উনাদের মাধ্যমে উনার মুবারক বংশীয় ধারা জারি হয়নি। কেবল সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার থেকে মুবারক বংশধারা চালু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে যে নিয়ামত দান করেছেন তার জন্য মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো। আর আমাকে মুহব্বত করো মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি লাভ করার জন্য। আর আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি লাভের জন্য।”
মূলত, উনার ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা ও বুযূর্গী সম্পর্কিত ইলম না থাকার কারণেই অনেকে উনাকে যথাযথ মুহব্বত ও অনুসরণ করতে পারছে না। যার ফলে তারা মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দি হাছিলে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই উনার সম্পর্কে জানা সকলের জন্যই ফরয। কেননা যে বিষয়টা আমল করা ফরয সে বিষয়ে ইলম অর্জন করাও ফরয। অথচ আশ্চর্যের বিষয় হলো ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশের মাদরাসা, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে উনার সম্পর্কে কোনো আলোচনাই নেই। নাঊযুবিল্লাহ! তাহলে মুসলমানগণ কি করে হাক্বীক্বী মুসলমান হবে?
আর মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি জানিয়ে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে চাও; তাহলে তোমাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, উনাদের খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়া।” (পবিত্র সূরা শুরা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বর্তমান যামানায় যিনি ত্বহিরা ওয়াত ত্বয়িবা। যিনি সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার লক্ষ্যস্থল। তিনি হচ্ছেন, নক্বীবাতুল উমাম, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত শাহযাদী ঊলা আলাইহাস সালাম। অনাগতকালে যিনি উম্মুল উমাম হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার নিয়ামত মুবারক, বরকত, মুবারক, হুবহু প্রতিফলিত করবেন। যিনি মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার কলিজা মুবারক উনার টুকরা মুবারক। উনার সাথে খাছ তাওয়াল্লুক নিসবত হাছিলের মাধ্যমেই সম্ভব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম, উনাদের রেযামন্দি ও সন্তুষ্টি হাছিল করা। সুবহানাল্লাহ!
উল্লেখ্য, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানার্থে পবিত্র রাজারবাগ শরীফ উনার মধ্যে আযীমুশ শান মাহফিল, বিশেষ তাবারক, ঘোষণাসহ নানা প্রকার শান-শওকতপূর্ণ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। (সুবহানাল্লাহ) যা একদিকে উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার প্রতি উনার বেমেছাল তায়াল্লুক মুবারক, নিসবত মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ। পাশপাশি এসব অনুষঙ্গ এ উম্মাহর জন্য উনার মর্যাদা অনুধাবন, নিসবত মুবারক হাছিল ও ফযীলত মুবারক লাভের বিশেষ মাধ্যম।
অতএব, গোটা মুসলিম উম্মাহর উচিত, মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমামে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ও সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মুল উমাম হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনাদের নেক নছীহত মুবারকে ধন্য হয়ে- উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার বিলাদত শরীফ অত্যন্ত জওক-শওক ও আদবের সাথে যথাযথ পালনে সর্বোতভাবে নিবেদিত হওয়া। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে কবুল করুন। (আমীন)

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে