মুসলমানগণ উনারা কেমন ইমাম উনার পিছনে নামায পড়বেন?


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা কার নিকট থেকে দ্বীন শিক্ষা করতেছ তা দেখে নাও।” অর্থাৎ যার নিকট হতে দ্বীন শিক্ষা করবে তাকে যাচাই-বাছাই করে নাও। এখন মুসলমানগণ যার পিছনে ইক্তিদা করবে, তাকে অবশ্যই পরীক্ষা করে নিতে হবে। এখানে দুটি বিষয় পরীক্ষা করা জরুরী প্রথমতঃ আক্বীদা এবং দ্বিতীয়তঃ আমল। কারো যদি আক্বীদা-আমল শুদ্ধ না থাকে তবে তাকে ইমাম হিসেবে নিযুক্ত করা যাবে না। কারণ ইমাম সাহেবেরই যদি আক্বীদা শুদ্ধ না থাকে তাহলে মুসল্লীদের কারো নামায কবুল হবে না। যেমন কোনো ইমাম সাহেব যদি আক্বীদা পোষণ করে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মাটির তৈরি। নাউযুবিল্লাহ! তিনি গাইব জানেন না। নাউযুবিল্লাহ! তিনি হাযির-নাযির নন। নাউযুবিল্লাহ! তাহলে ওই ইমামের পিছনে নামায পড়া জায়িয হবে না। আবার কোনো ইমাম সাহেব যদি বেপর্দা হয়, খেলাধুলা দেখে, ছবি তুলে, গণতন্ত্র করে, হরতাল, লংমার্চ ইত্যাদি করে তাহলে তার পিছনেও নামায শুদ্ধ হবে না। এখন তাহলে মুসলমানগণ কার পিছনে নামায পড়বেন। মুসলমানগণ তার পিছনেই নামায পড়বেন যিনি আক্বীদা পোষণ করেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নূর মুবারকের তৈরি, তিনি ইলমে গাইবের অধিকারী, তিনি হাযির-নাযির এবং যিনি সুন্নতে পূর্ণ ইত্তিবা করেন একমাত্র উনাকেই ইমাম হিসেবে নিযুক্ত করতে হবে। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে সঠিক আক্বীদা অনুসরণকারী ইমাম উনার পিছনে নামায পড়ার তাওফীক দান করুন। আমীন!

 

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে