মুসলমানদেরকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার উপর আরো বেশি দৃঢ়ভাবে অটল থাকতে হবে


পৃথিবীর তাবৎ বিধর্মী-বিজাতিদেরকে কখনোই দেখা যায় না- তাদের মনগড়া বাতিল ধর্মের নিয়মনীতির সাথে সাথে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নিয়মনীতি গ্রহণ করতে। তারা সর্বাবস্থায় মুসলমানদের খিলাফ আমল করতে পারলেই নিজেদেরকে বিরাট কিছু মনে করে থাকে। অথচ বিপরীত দিকে দেখা যায়, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অনুসারী বলে দাবিদার অনেক মুসলমান নামধারীদের কথা বার্তা, চাল চলন, সাজ সজ্জা, পোশাক-আশাক, আনন্দ উৎসব সর্বক্ষেত্রেই বিধর্মী-বিজাতিদেরকে অনুসরণ অনুকরণ করে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
মুসলমানদের জানা উচিত, ফিকির করা উচিত- মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দা দাবি করতে হলে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত দাবি করতে হলে কখনোই কোনো অবস্থাতেই বিধর্মী-বিজাতিদের অনুসরণ অনুকরণ করা যাবে না। তাদের প্রশংসা বা ছানা-ছীফত করা যাবে না। তাদেরকে ‘ভাই’ ‘বন্ধু’ বলা যাবে না। কোনো ক্ষেত্রেই তাদের মুহতাজ হওয়া যাবে না। এটাই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার শিক্ষা; যা আমল করা, বাস্তবায়ন করা মুসলমানদের জন্য ফরয-ওয়াজিব।
মনে রাখতে হবে, এর বিপরীতে বিধর্মী-বিজাতিদের নিয়মনীতিতে রুজু হলে, সন্তুষ্ট হলে বা মন থেকে একটুও তাদের তর্জ-তরীকা ভালো লাগলে সেটা হবে সুস্পষ্ট কুফরী। কারণ খালিক্ব মালিক মহান রব আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- “ঈমান আনার পর যে ব্যক্তি কুফরী করলো তার সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে গেলো। আর সে ব্যক্তি পরকালে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সামিল হয়ে যাবে।” (পবিত্র সুরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৫)
অতএব, কোনো মুসলমান কি করে বিধর্মী-বিজাতিদের অনুসরণ করতে পারে? বরং মুসলমানদের উচিত- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নিয়মনীতি তর্জ-তরীক্বার উপর আরো আরো বেশি দৃঢ় অটল থাকা। কারণ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম পূর্ণাঙ্গ অপরিবর্তনীয়; যা ক্বিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে একইরুপে একই আঙ্গিকে। তাহলেই মুসলমানরা অবারিত বরকত রহমত দয়া দান ইহসানের মধ্যেই ইহ-পরকাল পার করতে পারবেন। মহান রাব্বুল ইজ্জত আল্লাহ পাক তিনি এমন দৃঢ়চিত্ত মুসলমান উনাদেরকে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম দ্বারা গায়েবী মদদ করে সাহায্য করবেন। সুবহানাল্লাহ!

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে