মুসলমানদের ঈদ মুসলমানদের জন্যই ‘সার্বজনীন’ বলে প্রচারণা চালানোর অপচেষ্টা করা কাট্টা কুফরী হবে


আজকাল কতিপয় মুসলমান নামধারী সুশীল সমাজের কর্তাব্যক্তি দাবিকারী লোক বিভিন্ন লেখালেখি, কথাবার্তা প্রচারণায় মুসলমানদের দ্বীনি উৎসব পবিত্র ঈদ উনাকে সার্বজনীন উৎসব হিসেবে উল্লেখ করতঃ কাফির-মুশরিকদের বাহবা পেতে চায়। অথচ এই ‘সার্বজনীন’ উৎসব কথাটিই এদেশে চালু হয়েছে- হিন্দু যোগী মুশরিকদের কল্পিত মূর্তিপূজাকে কেন্দ্র করে। তাদের কুফরী-শিরকী কর্মকা-কে মুসলমানদের মধ্যে প্রসারিত করার জন্যই তারা এই ‘সার্বজনীন’ শব্দটির প্রচলন শুরু করেছে। অথচ কোন মুসলমান যদি কাফির-মুশরিকদের কোন উৎসবে সামান্য খুশি প্রকাশ করে এক টাকা দানও করে তবে তার জীবনের সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে যাবে। এটা কাফির-মুশরিকেদের সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র। বলাবাহুল্য যে, যেকোন ঈদ হোক কিংবা অন্য কোন আমলই হোক না কেন মুসলমানদের প্রতিটি বিষয় ইবাদত-বন্দেগী হিসেবে স্বীকৃত। মুসলমান সামর্থ্যবান হবার পরও যে ব্যক্তি কুরবানী দিবেনা তাকে ঈদগাহে যেতে বারণ করা হয়েছে অর্থাৎ তার জন্য ঈদ নয়। তাহলে যে ব্যক্তি কাফির-মুশরিক এবং একই সাথে কাট্টা দ্বীন ইসলাম উনার ও মুসলিম বিদ্বেষী- তার জন্য কি করে মুসলমান ঈমানদারদের ঈদকে ‘সার্বজনীন’ বলা যেতে পারে? আসলে এই ‘সার্বজনীন’ নাম দিয়ে লোভী ব্যবসায়ীরাও ফায়দা লুটে নিতে চায়। যাতে করে মুশরিক যোগীদের মূর্তিপূজার উৎসবে এবং মুসলমানদের ঈদ উৎসবে সকলে একত্রে কেনাকাটা করতে পারে, নাচ-গানে, অশ্লীলতায় একাকার হয়ে যেতে পারে। নাউযুবিল্লাহ মিন জালিক!

Views All Time
1
Views Today
4
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে