মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- প্রত্যেকের সামর্থ্য অনুযায়ী নিজ নিজ আয়ের একটা অংশ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার খিদমতে ব্যয় করা


‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ সংবিধানে অন্তর্ভুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আনীত রিট মামলার বিরুদ্ধে আইনী লড়াইসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের মুসলমাদের ঈমানী দায়িত্ব হলো- প্রত্যেকের সামর্থ্য অনুযায়ী মুক্ত হস্তে খরচ করা। কারণ বর্তমান সময়ে টাকা ছাড়া কিছুই করা সম্ভব নয়। অত্যন্ত সুখবর হচ্ছে, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সংবিধানে সমুন্নত রাখার উদ্দেশ্যে আইনী লড়াই করার জন্য ঢাকার রাজারবাগ শরীফ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। লিখালিখি করা হচ্ছে, সভা-সমাবেশ করা হচ্ছে। জনতমত যাচাই করা হচ্ছে। জনগণের অভিপ্রায় ব্যাক্তর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এসব আনজাম দিতে অনেক টাকার প্রয়োজন। তাই মুসলমাদের প্রতি আমি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি- সমস্ত মতপার্থক্য ভুলে গিয়ে দলমত নির্বিশেষে মুক্ত হস্তে দান করুন। কারণ এককভাবে কারও পক্ষে কিছু করা সম্ভব নয়, সবাইকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। কেবলমাত্র সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এধরনের ঘৃণ্য কর্মকা- বন্ধ করা যেতে পারে।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে শক্তভাবে আঁকড়িয়ে ধরো, পরস্পর বিচ্ছিন্ন হইও না, নচেৎ ধ্বংস হয়ে যাবে।”
কাজেই সমস্ত মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ থাকা এবং কাফিরদের ষড়যন্ত্র মুকাবিলায় তহবিল গঠন করা একান্ত কর্তব্য। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার পবিত্র সূরা আল বাক্বারা শরীফ উনার ৩নং পবিত্র আয়াত শরীফে মুত্তাকি হওয়ার শর্ত হিসেবে প্রত্যেকের আয়ের একটা অংশ নেক কাজে ব্যয় করার কথা বলা হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে “বখীলকে (যে দান করে না) আল্লাহ পাক উনার শত্রু বলা হয়েছে, যদিও সে আবেদ হয়”।

টাকা পাঠানোর ঠিকানা-
রাজারবাগ শরীফ, ৫/১, আউটার সার্কুলার রোড, ঢাকা-১২১৭
বিকাশ নং:- ০১৭১৮-৭৪০৭৪২, ০১৮৭৬-০৪৩৯৩৪,
ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যংকিং:- ০১৭১৮-৭৪০৭৪২২
মোবাইল: ০১৭১১-২৬৪৬৯৪, ০১৭১৩-৪৫৬৮৬৫, ০১৭১২-২২১২৬৭

দান করা মুসলমানদের জন্য ফরয। অথচ মুসলমানরা তাদের পবিত্র ঈমান হিফাযতের জন্যও ব্যয় করে না। অথচ কাফিররা মুসলমানরদের ঈমান নষ্ট করে দেয়ার জন্য লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকা খরচ করে চলেছে।
অনেকের জানা রয়েছে যে, কামাল লা’নাতুল্লাহি আলাইহি ক্ষমতা দখলের পর তুর্কী সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম তুলে দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র করেছিল। তখন শিশুদের ইসলামী শিক্ষা, ধর্ম মন্ত্রণালয়, হজ্জ-ওমরা করা, নারীদের জন্য হিজাব পরিধান, সরকারি লোকদের জামাতে নামায পড়া ইত্যাদিসহ সমগ্র ইসলামী কর্মকা- নিষিদ্ধ করেছিল। শুধু তাই নয়, যারা পরবর্তীতে এ বিষয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন তাদেরকে জেলে হিংস্র কুকুর লেলিয়ে দিয়ে নির্মমভাবে শহীদ করেছিল।
বাংলাদেশেও ষড়যন্ত্রীরা বসে নেই। বাংলাদেশেও তুরস্কের কামালের বশংবদ ঘাপটি মেরে আছে। তাদের বিরুদ্ধে এখন থেকেই সোচ্চার হতে হবে। এ বিষয়ে পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী কোনো আইন পাশ হবে না- এ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সরকারকে তার ওয়াদা রক্ষায় সততা প্রমাণ করতে হবে। পাশাপাশি পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী কোনো বিষয়কে বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দিলে কোনো মুসলমান ঈমানদার থাকতে পারবেনা।।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে