মুসলমানদের ঈমানী বিশ্ববিদ্যালয় কোথায়, কোথায় ঈমানী একাডেমী, কোথায় ঈমানী গবেষণাকেন্দ্র?


এদেশে যবন হিন্দু মুশরিকদের নামে বিশ্ববিদ্যালয় হয়, একাডেমী হয়, গাঁজাখোর বাউল লালনের নামে একাডেমী করার দাবি তোলা হয়। অথচ আফসুস! যিনি মুসলমানদের নবী-রসূল, যিনি আমাদের ঈমান শিক্ষা দিয়েছেন, যিনি আমাদের মুসলমানিত্ব দান করেছেন- উনার নাম মুবারকে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়, উনাকে নিয়ে কোনো গবেষণাকেন্দ্র করার কোনো আওয়াজ এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের থেকে আসে না।
এদেশের সরকারগুলিও কত গাফিল, তারা এদেশের মুসলমানদের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় বসে মুসলমানদেরকেই বঞ্চিত করছে। মুসলমানদের নামে, মুসলিম ব্যক্তিত্বগণ উনাদের নামে কোনো প্রতিষ্ঠান না করে অমুসলিম, বিধর্মীদের নামে বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করছে। নাউযুবিল্লাহ!
যেহেতু এদেশের জনগণের সাথে সাথে এদেশের সরকাররাও নিজেদের মুসলমান, ঈমানদার বলে দাবি করে থাকে। তাহলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সুমহান ব্যক্তিত্বগণ উনাদের, বিশেষ করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিয়ে বিশেষ বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন সবচাইতে বড় ও আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়, একাডেমী ও গবেষণাকেন্দ্র করা- প্রত্যেক ঈমানদার মুসলমানদের জন্য অবশ্য কর্তব্য। এ ব্যাপারে শীঘ্রই যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া সরকারের কর্তব্য আর সরকারকে এ বিষয়ে উৎসাহিত করা, সহযোগিতা করা মুসলমানদের দায়িত্ব।

Views All Time
2
Views Today
4
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে