মুসলমানদের উচিত জুলুমকারী কাফির-মুশরিকদের বিরুদ্ধে বেশি বেশি বদ-দোয়া করা


মুসলমানদের জন্য করণীয় হচ্ছে- যারা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের ও হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের ব্যাপারে চু-চেরা ক্বিল-ক্বাল করে থাকে, উনাদের শান-মান সম্পর্কে এলো-মেলো কথা বলে, উনাদের ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করে ও করতে চায়, পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ যালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করতে চায়, মুসলমান উনাদের শহীদ করে ও করতে চায় এদের বিরুদ্ধে কঠিন বদ-দোয়া করা। যেমন বদ-দোয়া করেছিলেন হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি।

পবিত্র সূরা ফীল শরীফ উনার শানে নুযুলে বর্ণিত রয়েছে- আবরাহা এসেছিলো পবিত্র কা’বা শরীফ ধ্বংস করার জন্য। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র কা’বা শরীফ উনার দেখা-শুনা, রক্ষণা-বেক্ষণের দায়িত্ব ছিল হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপরে। হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দেখলেন আবরাহার মুকাবিলা করা সম্ভব না। কারণ আবরাহা হঠাৎ করে এসেছে। তাই তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে পার্শ্ববর্তী পাহাড়ের কিনারায় অবস্থান মুবারক করলেন। তবে যাওয়ার আগে তিনি পবিত্র কা’বা শরীফ উনার গিলাফ মুবারক ধরে বদ-দোয়া করেছিলেন- আয় আল্লাহ পাক! আমাদের যুদ্ধের প্রস্তুতি নেই, আর এখন প্রস্তুতি গ্রহণ করাও সম্ভব হচ্ছে না, যা দিয়ে আবরাহার মুকাবিলা করি।
আয় মহান আল্লাহ পাক! পবিত্র কা’বা শরীফ উনার মালিক আপনি। সুতরাং আপনিই পবিত্র কা’বা শরীফ হিফাযত করুন। ইত্যাদি দোয়া করে তিনি চলে গেলেন।
যখন আবরাহা পবিত্র কা’বা শরীফ ধ্বংস করার জন্য আসলো, মহান আল্লাহ পাক তিনি আবাবীল নাম ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি পাঠিয়ে আবরাহার হস্তি বাহিনীসহ সবাইকে ধ্বংস করে দিলেন। সুবহানাল্লাহ!
তাই আমাদেরকেও হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণে তাবত কাফির-মুশরিকদের বিরুদ্ধে বদ-দোয়া করতে হবে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে