মুসলমানদের জন্য পবিত্র দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য ধর্ম ও মতবাদের নিয়ম-নীতি গ্রহণ করা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক মানুষকে আশরাফুল মাখলূকাত করে সৃষ্টি করেছেন। উদ্দেশ্য হলো এই মানুষ উনার আদেশ-নিষেধ মুতাবিক চলে উনার মুহব্বত-মা’রিফাত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করবে। এই লক্ষ্যে মহান আল্লাহ পাক মানবজাতির মধ্য হতেই হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালাম উনাদেরকে উনার খলীফা বা প্রতিনিধি মনোনীত করে যমীনে পাঠিয়েছেন। উনাদের উপর যুগে যুগে মহান আল্লাহ পাক উনার আহকাম-শরীয়ত নাযিল করেছেন। মহান আল্লাহ পাক যে যুগের যে হযরত নবী ও রসূল আলাইহিস্ সালাম-উনাদের উপর যে আহকাম বা শরীয়ত নাযিল করেছেন সে যুগের লোকদের জন্য সে শরীয়তকে মেনে চলাটা অপরিহার্য করে দিয়েছেন এবং সেটাই হিদায়েত ও নাজাত লাভের কারণ হবে সেটাও জানিয়ে দিয়েছেন। এবং সর্বশেষ যে শরীয়ত মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাধ্যমে নাযিল করেছেন তারই নামই হচ্ছে “পবিত্র দ্বীন-ইসলাম”।
যেহেতু মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ‘খাতামুন নাবিইয়ীন’ অর্থাৎ সর্বশেষ নবী ও রসূল করে পাঠিয়েছেন সেহেতু উনার প্রতি নাযিলকৃত আহকাম- পবিত্র দ্বীন-ইসলামক উনাকে পূর্ণতা দান করে উনার উপর স্বীয় নিয়ামত ও সন্তুষ্টি মুবারক দানের ঘোষণাও করেছেন। যেমন খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ১৯নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন যে, “নিশ্চয়ই ইসলামই মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে একমাত্র মনোনীত দ্বীন।”
আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “আজ আমি তোমাদের দ্বীন- ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামতকে পূর্ণ করে দিলাম এবং আমি তোমাদের জন্য ইসলামকে দ্বীন হিসেবে মনোনীত করে সন্তুষ্টি দিয়ে দিলাম।” সুবহানাল্লাহ!
আজকে যারা ইহুদী-নাছারাদের দ্বারা প্রবর্তিত গণতন্ত্রের নিয়ম-নীতিকে ইসলামের নামে বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে উঠেছে, ভোট-নির্বাচনের জন্যেও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে মাল-জান উৎসর্গ করছে, তারা প্রকাশ্য কুফরী করছে।
কাজেই, এখন আমাদের সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো ইহুদী-নাছারাদের দ্বারা প্রবর্তিত গণতন্ত্রের নিয়ম-নীতিকে ছেড়ে দিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আর্দশ মুবারকে আকঁড়িয়ে ধরা, অনুসরণ করা। তাহলে আমরা নাজাত পাবো। অন্যথায় আমাদের জন্য নাজাত পাওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে যাবে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদের সকলকে মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাহিস সালাম উনার মুবারক উসীলায় হিফাযত করেন। আমীন !

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে