মুসলমানদের পারিবারিক বন্ধনের প্রতি হিংসা করেই বিধর্মীরা বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করে থাকে


বাল্যবিবাহ নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব এবং তাদের প্ররোচনায় এদেশেও বহু আলোচনা হচ্ছে। সরকার না বুঝে ব্রিটিশদের তৈরি আইন বলবৎ রাখছে। আমাদের সমাজের রীতিনীতি নিয়া এই সব অসভ্যদের এতো মাথা ব্যথা কেন? যাদের সমাজ থেকে বিবাহ প্রথা উঠে গেছে, যারা সমলিঙ্গে বিয়ের নামে বিকৃত রুচির প্রকাশ ঘটাচ্ছে, পশুর মতো পূরুষ মহিলা বসবাস করছে, তারা মুসলমানদের বহু বিবাহ ও তাদের ভাষায় বাল্যবিবাহ নিয়ে এত আলোচনা, সমালোচনা করে কেন? এছাড়া আমাদের সমাজে জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করতে তারা নিজেদের অর্থ, মেধা ও শ্রম ব্যয় করছে কেন? বিনা স্বার্থে কেউ আঙ্গুলটি পর্যন্ত দেখায় না সেই বিধর্মী-বিজাতীরা আমাদের জন্য এত দরদ দেখাচ্ছে কেন?

১২ বৎসরে যে আবহাওয়ায় একজন মেয়ে সাবালগ হয় সেখানে ১৮ বৎসরের মেয়ে বাল্যবিবাহের দোহাই দিয়ে বিবাহ বন্ধ করে কিভাবে? আসল কথা হলো- আমাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি আর পাশ্চাত্যের জনসংখ্যা কমে যাওয়া। জনসংখ্যার এই অবস্থা চলতে থাকলে কাফিররা পৃথিবীতে সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে এবং পৃথিবীতে তাদের আধিপত্য খর্ব হবে। তাদের দেশে জনসংখ্যা বাড়াতে নানা রকম সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে। যেমনি আমাদের দিচ্ছে জনসংখ্যা কমাতে অনুদান। বাল্য বিবাহের নামে তারা ১৮ বৎসরের মেয়েদের বিবাহ রোধ করছে জনসংখ্যা কমানো উদ্দেশ্য।

বাল্যবিবাহ সুন্নত, চারটা পর্যন্ত বিবাহ করা (প্রয়োজনে) জায়েয যা মহান আল্লাহ পাক উনার বিধান। এ ব্যাপার যারা খোড়া যুক্তি দেখিয়ে এই প্রথা বন্ধ করতে চায়, তারা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের শত্রু। নাউযুবিল্লাহ!

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে