সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

মুসলমানদের প্রতি বিধর্মী-বিজাতীরা যে কত কঠিন বিদ্বেষ পোষণ করে সেটা তাদের লেখা না পড়লে বুঝা মুশকিল।


পূণ্যবতী হযরত জেবুন্নিসা রহমতুল্লাহি আলাইহার চরিত্র অধিকতর জঘন্যভাবে চিত্রিত করতে বঙ্কিম মালউন কণামাত্র দ্বিধাবোধ করেনি। না করবারই কথা। মুসলমানের প্রতি অন্ধ বিদ্বেষে আগাগোড়া বাদশাহ আওরংজেব-আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি ও উনার বিদূষী কন্যা হযরত জেবুন্নিসা রহমতুল্লাহি আলাইহার চরিত্র জঘন্যরূপে বিকৃত করে বঙ্কিম মালউন তার মনের গালিজ ঢেলেছে।
‘দুর্গেশনন্দিনী’ গ্রন্থে জগৎসিংহের সাথে এক কল্পিতা মুসলিম মহিলার অবৈধ প্রণয় কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। এই প্রসঙ্গে আরেক মালউন যদুনাথ ‘দুর্গেশনন্দিনী’ সম্পর্কে বলে: “বঙ্কিমচন্দ্রের ‘দুর্গেশনন্দিনী’তে সত্য ইতিহাস কতটুকু আছে? মানসিংহ, জগৎসিংহ, কুৎলু খাঁ, খাজা ইসা, উসমান ইহারা সকলেই ঐতিহাসিক পুরুষ.ইহা ভিন্ন ‘দুর্গেশনন্দিনী’র আর সব কথা কাল্পনিক।
…….., তিলোত্তমা, বিমলা সকলেই কাল্পনিক। এগুলি আসিয়োছে ঐতিহাসিক নামজাদা একজন ঘোর কাল্পনিক হাসেবের লেখা হইতে, সে কাপ্তান আলেকজান্ডার ডাও (অষবীহফবৎ উড়)ি। সে ফিরিশতা রচিত হিন্দুস্থানের ইতিহাস ইংরাজীতে প্রায়শ অনুবাদ করিয়া দিতেছে বলিয়া এবং নিজ গ্রন্থের নামপত্রে ফিরিশতার নাম সংযোগ করিয়া দিয়া অপর্যাপ্ত মেকী কথা চালাইয়াছে, যাহা ফিরিশতাতো লেখেন নাই, এমনটি, কোনও পারসিক লেখকের পক্ষে সেরূপ সম্ভব ছিল না”। -[বঙ্কিম রচনাবলী, ষষ্ঠ প্রকাশ ১৩৮২ (উপন্যাস প্রসংগ) পৃঃ ২৯-৩০।]
একথা সত্য যে, মুসলমানদের ইতিহাস ও চরিত্র বিকৃতকরণে ইংরেজ এবং হিন্দু উভয়েই ইতরামি প্রদর্শন করেছে।
‘আনন্দমঠে’ বঙ্কিম মালউন মুসলিম শাসনের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে বলছেঃ “দেখ যত দেশ আছে মগধ, মিথিলা, কাশী, কাঞ্চী, দিল্লী, কাশ্মীর, কোন দেশের এমন দুর্দশা, কোন দেশে মানুষ খেতে না পেয়ে ঘাস খায়? কাঁটা খায়? উইমাটি খায়? বনের লতা খায়? কোন দেশে মানুষ শিয়াল-কুকুর খায়, মড়া খায়? কোন দেশের মানুষের সিন্দুকে টাকা রাখিয়া সোয়াস্তি নাই, সিংহাসনে শালগ্রাম রাখিয়া সোয়াস্তি নাই, ঘরে ঝি-বউ রাখিয়া সোয়াস্তি নাই, ঝি-বউদের পেটে ছেলে রাখিয়া সোয়াস্তি নাই? পেট চিরে ছেলে বার করে। আমাদের মুসলমান রাজা রক্ষা করে কই? ধর্ম গেল, জাতি গেল, মান গেল, কুল গেল, এখন ত প্রাণ পর্যন্ত যায়। এ নেশাখোর নেড়েরদের না তাড়াইলে আর কি হিন্দুর হিন্দুয়ানী থাকে?’ (‘আনন্দমঠ’, প্রথম খন্ড, দশম পরিচ্ছেদ।) নাউযুবিল্লাহ!!!

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে