মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তির কারণ নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলে তারা ইতিহাস জ্ঞানশূন্য


সমাজে নামধারী অনেক মুসলমান আছে, যারা ইসলাম সম্পর্কে তো কিছু জানেই না, ইতিহাস সম্পর্কেও ধারণা নেই। এ শ্রেণীর লোকগুলো সাধরণত দুনিয়াদার (টাকার মোহে অন্ধ) হয়ে থাকে। ইতিহাস ও ইসলামী শিক্ষায় অজ্ঞতার কারণে মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি নিয়ে এরা প্রায় সময়ই এমন কথা বলে থাকে যে, ‘আমি হুযূর (ধার্মিক মুসলমান) দেখতে পারি না। হুযূরদের মধ্যে এতো দল কেন?’ নাউযুবিল্লাহ!
আসলে তাদের বাতিল বাহাত্তুর ফিরক্বা সম্পর্কেও জ্ঞান নেই, ইতিহাস সম্পর্কেও অজ্ঞ। অজ্ঞতার কারণে এরা কাফির-মুশরিকদেরও শত্রুজ্ঞান করে না, বরং বড় কিছু মনে করে। অথচ মুসলমানদের মধ্যে এই বিভক্তিগুলো সৃষ্টি করেছে কাফির-মুশরিকরা।
কুচক্রী কাফিরদের একটা থিউরি হচ্ছে, ডিভাইডি এন্ড রুল। মুসলমানদের ইতিহাস পড়লে দেখা যায়, সঠিক ইসলাম ধরে রাখার কারণে মুসলমানগণ সবসময়ই বিজয়ী হতো, কাফিররা পরাজিত হতো; তারা মুসলমানদের গোলাম হয়ে থাকতো। তাই মুসলমানদের দমাতে ইহুদী-নাছারারা এই ডিভাইড এন্ড রুল থিউরী নিয়ে আসে ও সফলতার সাথে প্রয়োগ করে। অর্থ ও নারীর প্রলোভন দেখিয়ে তারা আলেম শ্রেণীর মধ্যে বিশ্বাসঘাতক ও উলামায়ে সূ (ধর্মব্যবসায়ী) তৈরি করে। ইতিহাসে কাদিয়ানি, বাহাই, ওয়াহাবী, ছালাফী ইত্যাদি বাতিল ফিরক্বার উৎপত্তি এইভাবেই হয়। মুসলমাদের মধ্যে দ্বিধাবিভক্তি সৃষ্টি করে সঠিক ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়াই ছিলো মূল উদ্দেশ্য। ফলে এসব ভ্রান্ত মতবাদ ও কুফরী আক্বীদায় বিশ্বাসী হওয়ার কারণে এখন মুসলমান কাফিরে পরিণত হচ্ছে, রহমতশূন্য হচ্ছে, গায়েবী মদদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বীরত্ব হারিয়ে এখন কাফিরদের গোলামে পরিণত হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
সুতরাং মুসলমানদের দ্বীন ইসলাম শিক্ষার পাশাপাশি এসব ইতিহাস নিয়েও পড়াশোনা করা উচিত। কাফির-মুশরিকদের শত্রুজ্ঞান করা উচিত।

Views All Time
2
Views Today
8
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে