মুসলমানদের সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের কি দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, ইসলাম সম্পর্কে কতটা গভীর বিদ্বেষ ছিল, রবীন্দ্র সাহিত্য বিশ্লেষণে এসবের প্রমাণ এন্তার (২)


{মুসলিম বিদ্বেষ ওদের জাতিগত। এ অভ্যাস ওদের বহু পুরান।
এ অভ্যাস ওদের দীর্ঘদিনের
এ অভ্যাস ওদের আদি ও অভয়ক্রম।
মুসলমানদেরকে অশ্লীল অশ্রাব্য ভাষায় গালি প্রদান এবং মুসলমানদের প্রতি মিথ্যা কালিমা লেপনের নিকৃষ্ট নজির স্থাপন করেছে। বঙ্কিমচন্দ্র, ঈশ্বরচন্দ্র, নবীনচন্দ্র, রঙ্গলাল, হেমচন্দ্র, দীনবন্ধু মিত্র, দামোদর মুখোপাধ্যায়, থেকে খোদ রবীন্দ্রনাথসহ সব হিন্দু কবি-সাহিত্যিকই।
বাংলা সাহিত্যে এসব হিন্দু কবি-সাহিত্যিকদের ঘৃণ্য সাম্প্রদায়িকতা ও চরম বিদ্বেষের শিকার হয়েছেন মুসলমানরা।

বঙ্কিমচন্দ্র তার শেখা প্রায় সবকটি গালি ‘আনন্দ মঠ’ উপন্যাসে মুসলমানদের উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করেছে। ‘ম্লেচ্ছ’ হতে শুরু করে ‘যবন’ পর্যন্ত। এমনকি প্রাচীনকালে বৌদ্ধদের দেয়া ‘নেড়ে’ গালিটাকেও সে উহ্য রাখেনি।
শুধু তাই নয়, তারা ম্লেচ্ছ, যবন, নেড়ে ছাড়াও মুসলমানদের পাষ-, পাপিষ্ঠ, পাপাত্মা, দুরাত্মা, দুরাশয়, নরাধম, নরপিশাচ, পাতকী, বানর, এঁড়ে, দেড়ে, ধেড়ে, অজ্ঞান, অকৃতজ্ঞ, ইতর এ জাতীয় কোনো গালি দিতে বাদ দেয়নি।

তন্মধ্যে রবীন্দ্রনাথ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে মুসলিম বিদ্বেষ ও হিন্দু সাম্প্রদায়িক শক্তিকে চাঙ্গা করার জন্য অনেক গল্প, প্রবন্ধ, উপন্যাস, কবিতা রচনা করেছে। রবীন্দ্রনাথের লেখনি তার সমকালীন হিন্দুদেরকে চরম মুসলিমবিদ্বেষী হতে উৎসাহিত করেছিল।
রবীন্দ্রনাথ কী রকম ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী ছিল, তা একটা প্রমাণেই বুঝা যাবে। তার ‘রীতিমত নভেল’ নামক ছোটগল্পে মুসলিম চরিত্র হরণ করেছে এভাবে-
“আল্লাহো আকবর শব্দে বনভূমি প্রতিধ্বনিত হয়ে উঠেছে। একদিকে তিন লক্ষ যবন (মুসলিম) সেনা অন্য দিকে তিন সহস্র আর্য (হিন্দু) সৈন্য। … পাঠক, বলিতে পার … কাহার বজ্রমন্ডিত ‘হর হর বোম বোম’ শব্দে তিন লক্ষ ম্লেচ্ছ কণ্ঠের ‘আল্লাহো আকবর’ ধ্বনি নিমগ্ন হয়ে গেলো। ইনিই সেই ললিতসিংহ। কাঞ্চীর সেনাপতি। ভারত-ইতিহাসের ধ্রুব নক্ষত্র।”
শুধু ‘রীতিমত নভেল’ই নয়। রবীন্দ্রনাথ তার ‘সমস্যা’ ‘পুরান’, ‘দুরাশা’ ও ‘কাবুলীওয়ালা’ গল্পে মুসলমানদের জারজ, চোর, খুনি ও অবৈধ প্রণয় আকাঙ্খিণী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। (নাঊযুবিল্লাহ!)

বিশেষ করে ‘দুরাশা’ গল্পের কাহিনীটি আরো স্পর্শকাতর। এখানে দেখানো হয়েছে, একজন মুসলিম নারীর হিন্দু ধর্ম তথা ব্রাহ্মণদের প্রতি কি দুর্নিবার আকর্ষণ এবং এই মুসলিম নারীর ব্রাহ্মণ হবার প্রাণান্তকর কোশেশের চিত্র।
রবীন্দ্রনাথ এমন এক ব্যক্তি যে ভারতবর্ষব্যাপী শুধুমাত্র হিন্দুদের নিয়ে একক ও ঐক্যবদ্ধ হিন্দু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্খা পোষণ করতো। মহারাষ্ট্রের ‘বালগঙ্গাধর তিলক’ ১৮৯৫ সালের ১৫ এপ্রিল ‘শিবাজী উৎসব’ প্রতিষ্ঠা করেছিল উগ্র হিন্দু জাতীয়তা ও সাম্প্রদায়িকতা প্রচার ও প্রসারের জন্য।

‘সঞ্চয়িতা’ কাব্যগ্রন্থে ‘শিবাজী উৎসব’ কবিতায় যবন, ম্লেচ্ছ রবীন্দ্রনাথ এ আকাঙ্খা করে বলে-
“এক ধর্ম কাব্য খন্ড ছিন্ন বিক্ষিপ্ত ভারত বেঁধে দিব আমি …….
…….. ‘এক ধর্ম রাজ্য হবে এ ভারতে’ এ মহাবচন করিব সম্বল।”
‘শিবাজী-উৎসব’ নামক কবিতায় রবীন্দ্রনাথ আরো বলেছে- শিবাজী চেয়েছে হিন্দুত্বের ভিত্তিতে ভারতজুড়ে এক ধর্ম রাজ্যের প্রতিষ্ঠা। কিন্তু বাঙালিরা সেটা বোঝেনি। না বুঝে করেছে ভুল।
কিন্তু এতসব ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী সাম্প্রদায়িক বক্তব্য দেয়ার পরও, এতসব লেখার পরও এদেশের মুসলিম নামধারী রবীন্দ্র পূজারী মহলের বোধোদয় হচ্ছে না! }

(গত পর্বের পর )
ঊনিশ শতকের শেষ পদে দাঁড়িয়ে হিন্দু পুনরুত্থানবাদী কথিত উচ্চবিত্ত আর ইংরেজদের দালাল হিন্দু মধ্যবিত্তের একটা প্রধান লক্ষ্য ছিল প্রাচীন ভারত আর হিন্দুদের বীরত্বগাথাকে নিয়ে মিথ বা কল্পকাহিনী তৈরী করা।
যবন, ম্লেচ্ছ বঙ্কিমচন্দ্র থেকে রবীন্দ্রনাথ পর্যন্ত সকলের মাঝে হিন্দু বীর অনুসন্ধান কিংবা হিন্দু বীর নিয়ে মিথ বা কল্পকাহিনী তৈরির একটা প্রয়াস বরাবরই লক্ষ্য করা যায়। আত্মগোপনকারী মারাঠী সন্ত্রাসী, খুন, হত্যা আর লুণ্ঠনকারী শিবাজীকে দেবতুল্য করে রবীন্দ্রনাথের ‘শিবাজী উৎসব’ কবিতা এ প্রয়াসেরই অংশ।
হিন্দু সমাজের নতুন প্রজন্মের কাছে কট্টর মুসলিম বিদ্বেষী, সন্ত্রাসী যবন, ম্লেচ্ছ শিবাজীকে আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য হলো রবীন্দ্রনাথের ‘প্রতিনিধি’ কবিতা। এই যবন, ম্লেচ্ছ রামদাস ছিল মুসলিম বিদ্বেষী চিন্তার অগ্রপুরুষ। শিবাজী তার কাছ থেকে মুসলিম বিদ্বেষী দীক্ষা গ্রহণ করে।

যবন, ম্লেচ্ছ রবীন্দ্রনাথ শিবাজী উৎসব (১৯০৪) কবিতাটি যখন রচনা করে তখন সে কবি হিসেবে পরিচিত। একই সঙ্গে কলকাতার যবন, ম্লেচ্ছ হিন্দু মহলেও সে সমাদৃত। ঊনিশ শতকের শেষ এবং বিশ শতকের শুরুর পর্বে রবীন্দ্রনাথের চিন্তা ও কর্মের ধারাবাহিকতার সাথে কবিতাটির মর্মার্থ ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

মহারাষ্ট্রের বালগঙ্গাধর তিলক ১৮৯৫ সালের ১৫ এপ্রিল সেখানে শিবাজী উৎসবের প্রতিষ্ঠা করে। তিলক শিবাজী উৎসব প্রতিষ্ঠা করেছিল উগ্র হিন্দু জাতীয়তা ও সাম্প্রদায়িকতা প্রচার ও প্রসারের জন্য। ক্রমে শিবাজী উৎসবের অনুকরণে চালু হয় গণপতি পূজা। ইতিপূর্বে ১৮৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত গোরক্ষনী সভা ওই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে।
মহারাষ্ট্রের শিবাজী উৎসবের অনুকরণে সখারাম গণেশ দেউস্করের প্রচেষ্টায় কলকাতায় শিবাজী উৎসব প্রচলিত হয় ১৯০২ সালের অক্টোবর মাসে। দুর্গাপূজার মহাষ্টমীর দিনে বীরাষ্টমী উৎসব প্রচলন হয়। সে ১৯০৩ সালের ১০ মে শিবাজী উৎসবের অনুকরণে প্রতাপাদিত্য উৎসব প্রচলন করে এবং একই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর তারিখে প্রবর্তন করে উদয়াদিত্য উৎসব।

কলকাতার বাইরে থাকার কারণে যবন, ম্লেচ্ছ রবীন্দ্রনাথ শিবাজী উৎসবের অনুকরণে প্রবর্তিত এই তিনটি উৎসবে উপস্থিত ছিল না। কিন্তু ফসলী সন ১২ আশ্বিন, ১৩১০ (২৯ সেপ্টেম্বর, ১৯০৩) দুর্গাপূজার মহাষ্টমীর দিনে ২৬ বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে জানকীনাথ ঘোষালের বাড়িতে যে বীরাষ্টমী উৎসব অনুষ্ঠিত হয় রবীন্দ্রনাথ তাতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেয়। প্রদত্ত এই তথ্যগুলো থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে যবন, ম্লেচ্ছ রবীন্দ্রনাথের আনুকূল্যতায় ও উৎসাহ-উদ্দীপনায় কট্টর মুসলিম বিরোধী, সাম্প্রদায়িক শিবাজী উৎসব কলকাতার উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত যবন, ম্লেচ্ছ হিন্দু মহলে জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

১৩১০ ফসলী সনের ১লা শ্রাবণ কলকাতার ক্লাসিক থিয়েটারে সুরেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শিবাজী উৎসবে বিপিনচন্দ্র পাল, শরৎচন্দ্র মল্লিক, পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়, নিখিলনাথ রায় প্রমুখরা বক্তৃতা করে। এই সভায় মহারাষ্ট্রের অধিবাসী সখারাম গণেশ দেউস্করের শিবাজীর মহত্ত্ব পুস্তিকাটি বিনামূল্যে সকলের মাঝে বিতরণ করা হয়।

এখান থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে মুসলিম বিরোধী শিবাজী উৎসবের প্রসার ও বিস্তারে কলকাতার উচ্চবিত্তের তথা হিন্দু জমিদার শ্রেণীর আর্থিক সহায়তা বিরাজমান ছিল। কলকাতায় বহিরাগত যবন, ম্লেচ্ছ সখারাম গণেশ দেউস্করের পক্ষে বিনামূল্যে বই বিতরণের বিষয়টি তৎকালীন আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটে কোনক্রমেই সম্ভব ছিল না। সখারামের সাথে শিবাজী উৎসবের অনুকরণে রবীন্দ্রনাথের যোগসূত্র গড়ে উঠেছিল অনেক আগে থেকে, নানা উপলক্ষে সে আর্থিক সাহায্যও পেয়েছে বলে ক্যাশবহিতে তার উল্লেখ পাওয়া যায়।

এতে একটি বিষয় সুস্পষ্ট হয়ে উঠে যে, মারাঠা থেকে আগত বাংলায় শিবাজী উৎসবের প্রবর্তক সখারাম গণেশ দেউস্করের সাথে যবন, ম্লেচ্ছ রবীন্দ্রনাথের সম্পর্কটি ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। তাদের মধ্যে একটা আর্থিক লেনদেনের সম্পর্কও গড়ে উঠেছিল। এজন্যই কুখ্যাত যবন, ম্লেচ্ছ সখারামের পক্ষে সম্ভব হয়েছিল শিবাজী মহত্ত্ব লিখে বিনামূল্যে জনসাধারণের মাঝে বিতরণ করা।

আর শিবাজী মহত্ত্ব মানেই হলো উগ্র মুসলিম বিরোধিতা এবং চরম সাম্প্রদায়িকতা। বঙ্গভঙ্গের আবহাওয়া যখন বাংলার হিন্দু মুসলমান উভয়কে আন্দোলিত করছে। দেশের দুই প্রধান সম্প্রদায়ের মধ্যে বঙ্গভঙ্গের পটভূমিতে ক্রমাগত যে দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল কিংবা অন্যভাবে বলা যায়, বাংলার কথিত হিন্দু জমিদার ও মধ্যবিত্ত সমাজ যেভাবে মুসলিম বিদ্বেষী হয়ে উঠছিল শিবাজী উৎসব তার মাত্রাকে আরো তীব্রতর করেছিল।

শিবাজী উৎসবের মূল মন্ত্র ছিল চরম মুসলিম বিদ্বেষ, সন্ত্রাস এবং সাম্প্রদায়িকতা। বস্তুত এই শিবাজী উৎসবের সূত্র ধরেই বাংলায় সন্ত্রাসবাদী রাজনীতির এবং সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তি স্থাপিত হয়। এর ফলশ্রুতিতে বাঙালি হিন্দু ও বাঙালি মুসলমান পরস্পর বিপরীত পথে ধাবিত হয়। ঐতিহাসিকভাবে এটা অনস্বীকার্য যে, এই সন্ত্রাস আর সাম্প্রদায়িক রাজনীতির দায়ভার পুরোপুরিভাবে বর্তায় যবন, ম্লেচ্ছ হিন্দু জমিদার আর মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উপর। শিবাজী উৎসব পালনের মধ্য দিয়ে সমগ্র বাংলায় যখন মুসলিম বিদ্বেষ আর সাম্প্রদায়িক রাজনীতি এবং সমাজনীতির ভূমি নির্মাণ করা হয় তখন সাথে সাথে বাঙালি মুসলিম সমাজকে অর্থে বিত্তে, শিক্ষায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে পিছিয়ে দেয়া হয়। (ইনশাআল্লাহ চলবে
প্রথম পর্ব http://www.sabujbanglablog.net/22663.html

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

৮টি মন্তব্য

  1. রবীন্দ্রনাথ কী রকম ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী ছিল, তা একটা প্রমাণেই বুঝা যাবে। তার ‘রীতিমত নভেল’ নামক ছোটগল্পে মুসলিম চরিত্র হরণ করেছে এভাবে-
    “আল্লাহো আকবর শব্দে বনভূমি প্রতিধ্বনিত হয়ে উঠেছে। একদিকে তিন লক্ষ যবন (মুসলিম) সেনা অন্য দিকে তিন সহস্র আর্য (হিন্দু) সৈন্য। … পাঠক, বলিতে পার … কাহার বজ্রমন্ডিত ‘হর হর বোম বোম’ শব্দে তিন লক্ষ ম্লেচ্ছ কণ্ঠের ‘আল্লাহো আকবর’ ধ্বনি নিমগ্ন হয়ে গেলো। ইনিই সেই ললিতসিংহ। কাঞ্চীর সেনাপতি। ভারত-ইতিহাসের ধ্রুব নক্ষত্র।”
    শুধু ‘রীতিমত নভেল’ই নয়। রবীন্দ্রনাথ তার ‘সমস্যা’ ‘পুরান’, ‘দুরাশা’ ও ‘কাবুলীওয়ালা’ গল্পে মুসলমানদের জারজ, চোর, খুনি ও অবৈধ প্রণয় আকাঙ্খিণী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। (নাঊযুবিল্লাহ!)

  2. রবীন্দ্রনাথ তার ‘সমস্যা’ ‘পুরান’, ‘দুরাশা’ ও ‘কাবুলীওয়ালা’ গল্পে মুসলমানদের জারজ, চোর, খুনি ও অবৈধ প্রণয় আকাঙ্খিণী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। (নাঊযুবিল্লাহ!
    এই যবন, ম্লেচ্ছ .রবীন্দ্রনাথের সমস্ত লেখা বাতিল করা হোক ……..

  3. আল ফুরকান says:

    আবূ ইয়াকুব রাসেল ভাই । আপনি ঠিক বলছেন এই
    যবন, ম্লেচ্ছ .রবীন্দ্রনাথের সমস্ত লেখা… ব্যান করা হোক ইস্কুল কলেজ থেকে বাতিল করা হোক…. Announce Announce

  4. kashmiry full says:

    ঠিক আছে আমিও আপনাদের সাথে এক মত ……

  5. আপনি সত্যটি উপলব্ধি করতে পেরেছেন তাই আপনাকে অনেক শুকরিয়া জানাচ্ছি…

    তার হাকীকত বেশী বেশী পচার করতে হবে..এই জন্য আপনাদের সহযোগিতা চাই. …

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে