মুসলমানরা ঈমান রক্ষার্থে বিধর্মীদের উৎসব পরিত্যাগ করুন


পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- “যে কেউ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নিয়মনীতি তর্জ-তরীক্বা পরিত্যাগ করে অন্য কোনো ধর্ম-নিয়মনীতি অনুসরণ-অনুকরণ করে কিংবা সম্মান করে, তাহলে তা কখনোই তার থেকে কবুল করা হবে না। বরং পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সামিল হয়ে যাবে।” নাউযুবিল্লাহ!
পবিত্র আয়াত শরীফ হতে সহজেই বুঝা গেলো, যে কেউ ঈমান আনার পর, নিজেকে মুসলমান দাবি করার পর সে কোনোভাবেই অন্য কোনো ধর্ম-নিয়মনীতিকে অনুসরণ-অনুকরণ কিংবা ইজ্জত-সম্মান করতে পারবে না। এটা নিষিদ্ধ তথা হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। যদি করে থাকে, তবে তা মহান আল্লাহ পাক তিনি কখনোই কবুল করবেন না। তা বাতিল বলে গণ্য করা হবে। যার ফলে সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থাৎ জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ!
এখন কোনো মুসলমান যদি নিজেকে ঈমানদার দাবি করে মুশরিকদের উৎসবে যায়, সেগুলো দেখে পুলকিত হয়, শিরকী উৎসবে সাহায্য-সহযোগিতা করে, তবে তা কখনোই নেক আমল হিসেবে গণ্য হবে না। বরং শিরকী আমল করার কারণে কঠিন গুনাহে গুনাহগার হতে হবে। এছাড়া অনেক মুসলমান নামধারীকে দেখা যায়, তারা বিধর্মী-বিজাতিদের পূজা-পার্বন বা উৎসব আসলেই সেগুলোতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায়। তাদের মুশরিকী উৎসবে শুভ কামনা করে ইত্যাদি। এমনকি অনেকে শারদীয় শুভেচ্ছা লিখে ব্যানার পোস্টার লাগায়। এসবই কঠিন গুনাহ ও লা’নতের কারন। খলীফাতুল মুসলিমীন, আমিরুল মুমিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি কঠোর হুঁশিয়ারী দিয়ে নির্দেশ মুবারক জারি করেছেন এই বলে- “তোমরা বিধর্মী-বিজাতিদের উপাসনালয়, মন্দির-মন্ডপে তাদের উৎসবের সময় প্রবেশ করবে না অর্থাৎ যাতায়াত করবে না বা যাবে না। কারণ ঐ সময় তাদের উপর মহান আল্লাহ পাক উনার কঠিন আযাব-গযব-লা’নত নাযিল হয়।” (বায়হাকী শরীফ)
মুসলিম উম্মাহর প্রতি এমন সুন্দর স্পষ্ট নির্দেশ মুবারক থাকার পরও তারা কি করে মুশরিকদের উৎসবে যেতে পারে! কি করে তাদের মুশরিকী উৎসবে সাহায্য-সহযোগিতা কিংবা শুভেচ্ছা বাণী দিতে পারে?
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে মুশরিকদের উৎসবের বদ-তাছির হতে রক্ষা করুন। (আমীন)

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে