#মুসলমানের_জন্য_হোলি_পূজায়_যাওয়া_হারাম!


#মুসলমানের_জন্য_হোলি_পূজায়_যাওয়া_হারাম!
#ধর্ম_যার_যার_উৎসবও_তার_তার!
#যে_যার_সাথে_মিল_রাখবে_তার_সাথেই_তার_হাশর_নাশর_হবে৷
#এ_প্রসংগে_হিন্দুস্থানের_এক_ওলীর_ঘটনা!
#নোংরামি_আর_বেহায়াপনার_আরেক_নাম_হোলি_পূজা!

#হোলি_পূজার_ইতিহাস!
রাধা কৃষ্ণ, দোল পুজা এবং হোলি খেলা।

রাধা কৃষ্ণ লীলা সম্পর্কে ব্রক্ষ্ম বৈবর্ত পুরানে বর্নিত আছে ব্রক্ষ্মা বলছে ” হে বৎস! আমার আজ্ঞানুসারে আমার নিয়োজিত কার্য করিতে উদযুক্ত হও।” জগদ্বিধাতা ঈশ্বরের বাক্য শ্রবন করিয়া রাধা কৃষ্ণকে প্রণাম করত: নিজ মন্দিরে গমন করিল। ব্রক্ষ্মা প্রস্থান করিলে দেবী রাধিকা সহাস্যবদনে সকটাক্ষ নেত্রে কৃষ্ণের রদনমন্ডল বারংবার দর্শন করত: লজ্জায় মুখ আচ্ছাদন করিল। অত্যান্ত কামবানে পীড়িত হওয়াতে রাধিকার সর্বাঙ্গ পুলকিত হইল। তখন সে ভক্তিপূর্বক কৃষ্ণকে প্রণাম করত: তাহার শয়নাগারে গমন করিয়া কস্তুরী কুম্কুম মিশ্রিত চন্দন ও অগুরুর পন্ক কৃষ্ণের বক্ষে বিলেপন করিল এবং স্বয়ং কপালে তিলক ধারন করিল।

তৎপর কৃষ্ণ রাধিকার কর ধারন করিয়া স্বীয় বক্ষে স্থাপন করত: চতুর্বিধ চুম্বনপূর্বক তাহার বস্ত্র শিথিল করিল। হে সুমে । রতি যুদ্ধে ক্ষুদ্র ঘন্টিকা সমস্ত বিচ্ছিন্ন হইল, চুম্বনে ওষ্ঠরাগ, আলিঙ্গনে চিত্রিত পত্রাবলী, শৃঙ্গারে করবী ও সিন্দুর তিলক এবং বিপরীত বিহারে অলন্কাঙ্গুর প্রভৃতি দূরীভুত হইল। রাধিকার সরসঙ্গম বশে পুলকিত হইল। সে মুর্ছিতা প্রায় হইল। তার দিবা-রাত্রি জ্ঞান থাকিল না। কামশাস্ত্র পারদর্শী কৃষ্ণ অঙ্গ-প্রতঙ্গ দ্বারা রাধিকার অঙ্গ-প্রতঙ্গ আলিঙ্গন করত: অষ্টবিধ শৃঙ্গার করিল, পুর্নবার সেই বক্রলোচনা রাধিকাকে করিয়া হস্ত ও নখ দ্বারা সর্বাঙ্গ ক্ষত-বিক্ষত করিল।

শ্রীকৃষ্ণ কর্তৃক নিষ্টুরভাবে শরীর ক্ষত-বিক্ষত হওয়ায় এবং সারা রাতভর যৌন নিপীড়নের কারণে প্রভাতকালে দেখা গেল রাধিকার পরিহিত বস্ত্র এত বেশী রক্ত রঞ্জিত হয়ে পড়েছে যে, লোক লজ্জায় রাধিকা ঘরের বাইরে আসতে পারছে না। তখন শ্রীকৃষ্ণ দোল পুজার ঘোষনা দিয়ে হোলি খেলার আদেশ দেয়। সবাই সবাইকে রঙ দ্বারা রঞ্জিত করতে শুরু করে। তাতে রাধিকার বস্ত্রে রক্তের দাগ রঙের আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়। সেই থেকে হোলি খেলার প্রচলন শুরু হয়।

এমন নোংরা, অশ্লীলতাকে কেবল পশুরাই সমর্থন করতে পারে! মুসলমানও এখন পশুতে পরিণত হচ্ছে! নইলে অন্য ধর্মের উৎসবের সাথে একাত্মতা ঘোষনা করে নিজে ঈমান হারা হত না!
আজকাল হোলি পূজা বা হোলি উৎসবের নামে সুযোগ সন্ধানী বখাটেরা মেয়েদের বুকে ও শরীরে স্পর্শ করছে! ছি! লজ্জা থাকা উচিত! কিছু মেয়েরাও কেমন যেনো নিজেদের ইজ্জত আবরুহকে বাজারের পন্য করে ফেলেছে!

#আল্লাহ_পাক_ইরশাদ_করেন-

যে দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম বা মতবাদের নিয়ম-নীতি গ্রহণ করবে সেটা তার থেকে গ্রহণ করা হবে না এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থাৎ জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
(সূরা আলে ইমরান-৮৫)

#হাদীছ_শরীফে_বর্ণিত_রয়েছে,

আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-

অর্থঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে, সে তাদেরই দলভুক্ত হবে অর্থাৎ তার হাশর-নশর তাঁদের সাথেই হবে।” (মুসনাদে আহমদ, সুনানে আবূ দাউদ)

#এ_প্রসঙ্গে_হিন্দুস্থানের_একটি_ঘটনা_বিশেষভাবে_উল্লেখযোগ্য!

হিন্দুস্থানে একজন জবরদস্ত আল্লাহ পাক-এর ওলী ছিলেন। যিনি ইন্তিকালের পর আরেকজন বুযুর্গ ব্যক্তি তাঁকে স্বপ্নে দেখে জিজ্ঞেস করেন, “হে আল্লাহ পাক-এর ওলী! আপনি কেমন আছেন?” সেই আল্লাহ পাক-এর ওলী জাওয়াবে বলেন, “আপাততঃ আমি ভালই আছি, কিন্তু আমার উপর দিয়ে এক কঠিন সময় অতিবাহিত হয়েছে যা বলার অপেক্ষা রাখে না। তখন স্বপ্নদ্রষ্টা বুযুর্গ ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কি আমাকে আপনার সেই কঠিন অবস্থা সম্পর্কে বলবেন? আল্লাহ পাক-এর ওলী জবাব দিলেন অবশ্যই বলবো। কারণ এতে যমীনবাসীর জন্য শক্ত ইবরত বা নছীহত রয়েছে। অতঃপর তিনি বলা শুরু করলেন-

আমার ইন্তেকালের পর ফেরেশ্তারা আমাকে সরাসরি আল্লাহ্ পাক-এর নিকট পেশ করেন। আল্লাহ পাক ফেরেশ্তাদের বললেন, “হে ফেরেশ্তারা! তোমরা তাকে কেন এখানে নিয়ে এসেছ”? ফেরেশ্তারা বললেন, হে বারে ইলাহী! আমরা তাকে খাছ বান্দা হিসেবে আপনার সাথে সাক্ষাত করার জন্য নিয়ে এসেছি। আল্লাহ পাক বললেন, “তাকে এখান থেকে নিয়ে যাও, তার হাশর-নশর হিন্দুদের সাথে হবে!

কারণ সে পূজা করেছে। আল্লাহ পাক-এর ওলী বলেন, একথা শুনে আমি ভয় পেয়ে গেলাম এবং আমার সমস্ত শরীর ভয়ে থর থর করে কাঁপতে লাগল। এবং আমি আরজু করলাম –

“আয় আল্লাহ পাক! আমার হাশর-নশর হিন্দুদের সাথে হবে কেন? আমি তো সবসময়ই আপনার এবং আপনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ফরমাবরদার ছিলাম। কখনও ইচ্ছাকৃত কোন নাফরমানি করিনি। আর পূজা করা তো দূরের কথা আমি কখনো মন্দিরের আশ-পাশ দিয়েও হাঁটিনি।

তখন আল্লাহ পাক বললেন-

“তুমি সেদিনের কথা স্মরণ কর, যেদিন হিন্দুস্থানে হোলি পূজা হচ্ছিল!
তুমি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলে, তোমার সামনে-পিছনে, ডানে-বামে, উপরে-নিচে আশে-পাশে সমস্ত গাছ-পালা, তরুলতা, পশু-পাখী, কীট-পতঙ্গ, বাড়ী-ঘর, সবকিছুতেই রং দেয়া হয়েছিল। এমতাবস্থায় তোমার সামনে দিয়ে একটি গর্দভ (গাধা) হেঁটে যাচ্ছিল যাকে রং দেয়া হয়নি।

তুমি সে সময় পান চিবাচ্ছিলে, তুমি সেই গর্দভের গায়ে এক চিপটি পানের পিক বা রঙ্গীন রস নিক্ষেপ করে বলেছিলে- হে গর্দভ! তোমাকে তো এই হোলি পূজার দিনে কেউ রং দেয়নি তাই আমি তোমাকে রং দিয়ে দিলাম। এটা কি তোমার পূজা করা হয়নি?

তুমি কি জান না যে, আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-

“যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে সে তাদের অন্তর্ভুক্ত এবং তার হাশর-নশর তাদের সাথে হবে।” সুতরাং, তোমার হাশর-নশর হিন্দুদের সাথে হবে।

যখন আল্লাহ পাক এই কথা বললেন, তখন আমি লা-জাওয়াব হয়ে গেলাম এবং ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে বললাম-

“আয় আল্লাহ পাক! আমি তো বুঝতে পারিনি, আমাকে কেউ বুঝিয়েও দেয়নি আর আমার অন্তরও এ বিষয়ে কখনও সাড়া দেয়নি। হে আল্লাহ পাক! আমাকে দয়া করে ক্ষমা করুন।” কিছুক্ষণ পর আল্লাহ পাক বললেন, “হ্যাঁ। তোমাকে তোমার অন্যান্য আমলের কারণে ক্ষমা করা হলো।”

এখানে চিন্তার বিষয়, সামান্য এক চিপটি বা এক পিক পানের রঙ্গিন রস গাধার গায়ে নিক্ষেপ করার কারণে সেটা যদি হিন্দুদের হোলি পূজার সাদৃশ্য হয়ে যায় এবং হিন্দুদের সাথে হাশর-নশর হওয়ার উপক্রম হয় তাহলে সেসকল মুসলমান ” অসাম্রদায়িকতা ” আর ” ধর্ম যার যার উৎসব সবার ” এই শ্লোগান দিয়ে হোলি পুজার নামে বেহাপনা-বেলাল্লাপনায় গা ভাসিয়ে দেয়, তাদের কি ফায়সালা হবে বলার অপেক্ষা রাখে না, তাদের হাশর-নশরও ইসলাম অস্বীকারকারীদের সাথে হবে! (নাউযুবিল্লাহ)

আর আল্লাহ্‌ পাক আরও বলেন,

” যমীনে পানিতে যত ফিতনা , মানুষের হাতের কামাই ”

এ জন্যই আজ মুসলমান ভারতে, ইরাকে, ফিলিস্তিনে, সিরিয়ায় সারা বিশ্বে নির্যাতিত, অত্যাচারিত হচ্ছে, ধর্ষিত হচ্ছে! কারন তাদেরই অপকর্মের ফলে তাদের উপর লানত বর্ষিত হয়েছে! এখন বাকি আমাদের দেশ! বাংলাদেশে এ আযাব-গযব আসার!

আল্লাহ পাক প্রত্যেক মুসলমানকে যাবতীয় কুফরী মত-পথ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। (আমীন)

– সৈয়দ আবেদ উল্লাহ ( অপূর্ব )

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে