মুসলমান ঈমানী বলে বলীয়ান হলে কাফিরদের উপর বিজয় নিশ্চিত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “মু’মিন-মুসলমানগণকে সাহায্য করাই মহান আল্লাহ পাক উনার হক্ব।” (পবিত্র সূরা রূম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৭) সুবহানাল্লাহ!
মহাপবিত্র কুরআন শরীফে নাযিলকৃত পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত হয় যে, ‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম কখনোই পরাজিত হবে না।’
মুসলমানগণ যতদিন ঈমানী বলে বলীয়ান ছিলো, পবিত্র সুন্নত ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের অনুসরণ-অনুকরণ করেছিলো; ততোদিন উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বাস্তবতা পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে মুসলমান তো উনারাই, যারা পবিত্র সুন্নত তথা সম্মানিত ইসলাম উনাকে আঁকড়ে ধরেছে। আর উনাদের ব্যাপারেই মহান আল্লাহ পাক তিনি বিজয়ের ওয়াদা করেছেন।
পবিত্র বদর জিহাদ তারই একটি জাজ্বল্য প্রমাণ। পবিত্র বদর জিহাদে এক হাজার প্রশিক্ষিত কাফির সেনার বিরুদ্ধে মাত্র ৩১৩ জন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা অপ্রস্তুত ও নিরস্ত্র লড়াই করে কাফিরদের উপর বিজয়ী হন। অবাক করার মতো বিষয় যে, এ জিহাদে মুসলমান উনাদের সাথে সরঞ্জামের মধ্যে মাত্র ৩টি ঘোড়া, অল্পসংখ্যক কিছু তলোয়ার, ৬টি বর্ম এবং সামান্য কয়েকজন তীরন্দাজ, বাকি সকলের জন্য অস্ত্র হিসেবে লাঠি, খেজুরের ডালই ছিল একমাত্র সম্বল।
তবে এই অসম শক্তির দুই পক্ষের মধ্যে জিহাদ করিয়ে আখিরী নবী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কিয়ামত পর্যন্ত সমস্ত উম্মতকে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, জাহিরী শক্তি-সামর্থ্য মূল বিষয় নয়, ঈমানী বলই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শক্তি। সুবহানাল্লাহ!
কাজেই, মুসলমানদের সেই শক্তি এখনো আছে তার নিজের মধ্যেই। প্রয়োজন শুধু তওবা করে ফিরে আসা। কাফিরদের প্রতি মুহব্বত ও তাদের অনুসরণ-অনুকরণ বাদ দিয়ে পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত থাকা।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে