মুসলিম বিজ্ঞানীদের নাম বিকৃতি যুগে যুগে……(প্রিয়তে রাখার মত পোস্ট)


মুসলিমগণ বিশ্বের মানুষের জন্য আলোকবর্তিকা। উনারাই  আলোকিত করেছেন আমাদের চিন্তাচেতনাকে, সভ্যতা-সংস্কৃতিকে, জীবন ও জগতকে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, পাশ্চাত্যের অনেক গবেষক এ সব মুসলিম মনীষীর নামকে উপস্থাপন করেছেন বিকৃতভাবে। ফলে প্রাচ্যের লোকগুলো তাদের চিরচেনা এসব মনীষীকে পাশ্চাত্যের দেয়া নামে চিনতেও পারেন না। নিচের উনাদের কয়কজন কথা তুলে ধরা হলঃ

(১) প্রথমেই ধরা যাক আবু আব্দুল্লাহ্‌ মুহম্মদ ইবনে মুসা আল-খোয়ারিজ্‌মি র কথা। তিনি ছিলেন পার্সিয়ান (ইরানী) মুসলমান বিজ্ঞানীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম একজন। তিনি একাধারে ভূগোলবিদ, জ্যোতির্বিদ, গণিতবিদ ও দার্শনিক ছিলেন। ইউরোপীয়রা বিশেষত ল্যাটিন লেখকরা তার নামকে বিকৃত করে লিখছে “গরিটাস” বা “আল গরিদম”

(২) রসায়ন বিজ্ঞানী আবু মুসা জাবির ইবনে হাইয়ান আল-আযদীর কথা আমরা জানি। কেবল চিকিৎসা বিষয়েই জাবির প্রায় ৫০০ গ্রন্থ রচনা করেন। তাঁকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রসায়নবিদদের একজন হিসেবে গণ্য করা হয়। রসায়ন বিজ্ঞানের জনক জাবির ইবন হাইয়ানের প্রনীত ‘কিতাবুস সুসুম’ (Book of Poison) আরব ঔষধবিজ্ঞানের অন্যতম উৎস। অথচ তাঁর নামটি বিকৃত করে পাশ্চাত্য ইতিহাসবিদরা লিখেছে “জিবার”

(৩) আবূ ইউসুফ ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আল কিন্দি ছিলেন কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ফিক্বাহশাস্ত্র, ইতিহাস, দর্শন, ভাষাতত্ত্ব, রাজনীতি, গণিতশাস্ত্র, জ্যোতির্বিদ্যা প্রভৃতি নানা বিষয়ে বিশারদ। তিনি ছিলেন গ্রিক, হিব্রু, ইরানি, সিরিয়াক এমনকি আরবি ভাষাতেও বুৎপত্তিসম্পন্ন। তিনি নানা বিষয়ে ২৬৫ খানা গ্রন্থ রচনা করেন। পাশ্চাত্য ইতিহাসবিদরা তার নাম বিকৃত করে তাকে পরিচিত করেছে “আল কিন্ডাস” নামে।

(৪) তেমনি জাফর ইবনে মুহম্মদ আবু মাশার আল বলখী একজন বিখ্যাত পার্সিয়ান জ্যোতির্বিদ, দার্শনিক, গণিতবিদ ছিলেন। তিনি আল ফালাকী, আবুল মাসার, ইবনে বলখী নামেও পরিচিত ছিলেন। কিন্তু তার নাম বিকৃত করে রাখা হয় “আল বুসার” এবং “আল বুক্সার”

(৫) কাগজের অন্যতম আবিষ্কারক ইউসুফ ইবনে ওমরের নাম ইংরেজি স্টাইলে রাখা হয়েছে “উমট”

(৬) আবু আব্দুল্লাহ্‌ মুহম্মদ ইবনে জাবির ইবনে সিনান আর্‌ রাকী আল হারানী আস্‌ সাবী আল-বাত্তানী ছিলেন একজন মশহুর জ্যোতির্বিদ এবং গণিতজ্ঞ। তিনি জ্যোতির্বিদ্যা চর্চার জন্য নিজস্ব মানমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বহু বছর ধরে জ্যোতির্বিদ্যায় প্রচলিত ভুলগুলো সংশোধন করে এই শাখার অনেক সংস্কার ও উন্নতিসাধন করেন। অথচ পাশ্চাত্য ইতিহাসবিদরা তাকে উল্লেখ করেছে “আল বাতেজনিয়াজ”, “আল বাতেজনি”, “আল বাতেনিয়াজ” ইত্যাদি নামে।

(৭) আবু বকর মুহম্মদ ইবনে যাকারিয়া আল রাজীর নাম কে না জানে। তিনি একজন পার্সিয়ান পদার্থবিদ, রসায়নবিদ, দার্শনিক এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানী । তিনি প্রায় দুশ’র মতো গ্রন্থ রচনা করেন, যার শ’খানেক চিকিৎসা শাস্ত্রের ওপর। তবে তার সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হচ্ছে ‘আল জুদায়ী ওয়াল হাসবাহ’ নামক গ্রন্থটি। ইংরেজি ভাষাতেই ১৪৯৮ থেকে ১৮৬৬ সাল পর্যন্ত এই গ্রন্থখানা মোট চল্লিশবার মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়েছে। তিনি কিতাব আল মনসুরী নামে দশ খণ্ডে একটি বিরাট চিকিৎসা গ্রন্থও প্রণয়ন করেন। এই মহান চিকিৎসা বিজ্ঞানীর নাম ইউরোপীয়রা বিশেষত ল্যাটিন লেখকরা বিকৃত করে লিখছে “রাজেস” বা “রাজিজ”

(৮) আরব জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং গণিতবিদ আবু ইস্‌হাক ইব্‌রাহিম ইবনে ইয়াহিয়া আল নাক্কাস আল-জারক্বালী। তাঁর জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ছকের (Astronomical Table) জন্য পাশ্চাত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তাঁর Book of Tables ত্রয়োদশ শতকে রাজা আল্‌ফোন্সোর(King Alfonso X) নির্দেশে অনূদিত হয় এবং এর মাধ্যমে পাশ্চাত্যে গাণিতিক জ্যোতির্বিদ্যার পূনর্জন্ম হয়। তিনি অ্যাস্ট্রোল্যাব যন্ত্রের উন্নতিসাধন করেন এবং বুধগ্রহ সংক্রান্ত টলেমীর মতবাদে সংশোধনী আনেন। তাঁর নাম পাশ্চাত্য গ্রন্থসমূহে উল্লিখিত হয়েছে “মারজাকেল” নামে।

(৯) চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক বলা হয় ইবনে সিনাকে। তার প্রকৃত নাম আবু আলী আল হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ্‌ ইবনে সিনা। তার উপাধি হচ্ছে আল শেখ আল রইস। তিনি একাধারে পদার্থবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, রসায়নবিদ, ভূগোলবিদ, হাফিজ, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ, কবি, ইসলামি চিন্তাবিদ, মনোবিজ্ঞানী ছিলেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানে তাঁর রচিত ১৬টি মৌলিক গ্রন্থের ১৫টিতে তিনি বিভিন্ন রোগের কারণ ও চিকিৎসাপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেন। কিন্তু যে গ্রন্থটি তাঁকে অমর করেছে তার নাম “কানুন ফি-তিব্ব” যা ছিল ৫ খন্ডে এবং ৮০০ পরিচ্ছেদে ।এ গ্রন্থটি সমগ্র এশিয়া এবং ইউরোপে সপ্তদশ শতক পর্যন্ত বিপুলভাবে সমাদৃত হলো। ইউরোপে এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের বাইবেল (Bible of Medicine) নামে সমাধিক পরিচিত। এজন্য তাঁকে অনেকে চিকিৎকদের চিকিৎসক (Doctor of doctors) বলে অভিহিত করেন।অথচ তার নামও বিকৃতির হাত থেকে রেহাই পায়নি। পাশ্চাত্য ইতিহাসবিদরা তার নাম দিয়েছে “এভিসিনা”

(১০) আবুল ওয়ালিদ মুহম্মদ ইবনে আহ্‌মদ ইবনে রুশদ। তিনি ইবনে রুশদ নামে বেশী পরিচিত। তিনি একজন আন্দালুসীয়ান (স্পানিস) মুসলিম বিজ্ঞানী। তিনি একাধারে ইসলামিক দার্শনিক, ইসলামিক ধর্মতত্ত্ববিদ, যুক্তিবিদ, ভূগোলবিদ, জ্যোতির্বিদ, গণিতবিদ, পদার্থবিদ ছিলেন। তাঁর নাম পাশ্চাত্য গ্রন্থসমূহে উল্লিখিত হয়েছে “এভেরুন” নামে।

(১১) আবূ মারওয়ান আব্দুল মালিক ইবনে জুহুর। তিনি ইবনে জুহুর নামেও পরিচিত। তিনি একজন মুসলিম পদার্থবিদ, শল্যচিকিৎসক, ঔষধবিশেষজ্ঞ, ইসলামি পন্ডিত ছিলেন। পাশ্চাত্য ইতিহাসবিদরা তাঁর নাম বিকৃত করে রেখেছে “এভেনযোর”

(১২) প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, যুক্তিবিদ, মনোবিজ্ঞানী, সমাজবিদ,মহাকাশবিদ আবূ নাছের মুহম্মদ আল ফারাবী। তারা তার নাম বিকৃত করে রেখেছে “আল ফারাবিয়াস”

(১৩) প্রখ্যাত পদার্থবিদ,জ্যোতির্বিদ, প্রকৌশলী, গণিতবিদ, চিকিৎসাবিদ, চক্ষু বিশেষজ্ঞ, দার্শনিক, মনোবিজ্ঞানী, আবূ আলী আল হাছান ইবনে আল হাছান আল ইবনে হাইছাম। তিনি বসরায় জম্মগ্রহণ করায় আল বাসরী নামেও পরিচিত। আলোকবিজ্ঞানে অসামান্য সংযোজন “কিতাবুল মানাজির”-এর ১৫-১৬ অধ্যায়ে জ্যোতির্বিদ্যার আলোচনা রেখেছেন। এছাড়া, তাঁর “মিযান আল-হিক্‌মাহ্‌”(Balance of Wisdom) এবং “মাক্বাল ফি দ্য আল-ক্বামার” (On the Light of the Moon) গ্রন্থদ্বয়ে তিনি সর্বপ্রথম গাণিতিক জ্যোতির্বিদ্যা এবং পদার্থবিদ্যার সমন্বয় সাধনের চেষ্টা চালান।তারা তার নাম বিকৃত করে রেখেছে “আল হ্যাজেন”

(১৪) প্রখ্যাত জ্যোতির্বিদ, যুক্তিবিদ, দার্শনিক, পদার্থবিদ, মনোবিজ্ঞানী , কবি এবং বিজ্ঞানী আবূ বকর মুহম্মদ ইবনে ইয়াহিয়া ইবনে আল সাইগ। তবে তিনি ইবনে বাজ্জাহ্‌ নামে বেশী পরিচিত। পাশ্চাত্য ইতিহাসবিদরা তাঁর নাম বিকৃত করে রেখেছে “এভেমপেজ”

(১৫) আবু বকর মুহম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে মুহম্মদ ইবনে তোফায়েল আল কুসী আল আন্দালুসী। তবে তিনি ইবনে তোফায়েল নামে পরিচিত। তিনি একজন মুসলিম লেখক, উপন্যাসিক, দার্শনিক, ইসলামিক ধর্মতত্ত্ববিদ ছিলেন। তারা তার নাম বিকৃতি করে রেখেছে “আবুবাসের”

(১৬) নুর আদ-দীন ইবনে ইসহাক আল-বেত্‌রুগী। তিনি ইসলামি স্বর্ণযুগে মরক্কোতে জম্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন দার্শনিক ও জ্যোতির্বিদ। তার নাম বিকৃত করে রেখেছে “আলপেটরাজিনাস”

(১৭) আবূ হামিদ মুহম্মদ ইবনে মুহম্মদ আল গাজালী। তিনি একাধারে ধর্মতত্ত্ববিদ, দার্শনিক, মহাকাশবিদ, মনোবিজ্ঞানী ছিলেন। তাঁর নাম বিকৃতি করে রেখেছে “আল গ্যাজেল”

(১৮) আলী ইবনে আব্বাস আল মাজুসী। তিনি মাসউদী নামেও পরিচিত। তিনি একজন পার্সিয়ান পদার্থবিদ এবং মনোবিজ্ঞানী। তাঁর রচিত কিতাব আল মালিকি (Complete Book of the Medical Art)। তাঁর নাম বিকৃত করে রেখেছে “হ্যালী আব্বাস”

Views All Time
9
Views Today
17
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

২০টি মন্তব্য

  1. মুহাইমিনুলমুহাইমিনুল says:

    প্রিয়তে রাখলাম Heart

  2. আবু আসআদআবু আসআদ says:

    একজন এর নাম ছিল এলী ইবনে রিদ্বওয়ান, যাকে তারা বিকৃত করে বলে হ্যালী ইভেন র‍্যাডোন।

  3. আবু আসআদআবু আসআদ says:

    *আলী ইবনে রিদ্বওয়ান

  4. স্যাগেশাস শহীদSagacious-Shahid says:

    ভাল লাগল ভাই লেখাটা পড়ে। ধন্যবাদ এই সুন্দর লেখার জন্য। প্রিয়তে রাখলাম।

  5. খুব খারাপ কথা। কাফিরেরা এভাবেই মুসলিমদের কৃতিত্বকে কৌশলে গোপন করছে

  6. মুহম্মদ ওবায়দুল হকমুহম্মদ ওবায়দুল হক says:

    আমার দেখা প্রিয় একটি পোষ্ট । শুকরিয়া ।

  7. মুহম্মদ ওবায়দুল হকমুহম্মদ ওবায়দুল হক says:

    আমার দেখা প্রিয় একটি পোষ্ট । শুকরিয়া । Heart

  8. মুসলিম বিজ্ঞানীদের সবগুলো বই ল্যাটিনসহ অন্যান্য ভাষায় অনুবাদ করা হয়। তবে অনূদিত গ্রন্থগুলোতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিম বিজ্ঞানীদের নামও ল্যাটিনে অনুবাদ করা হয়। অন্য যে কোনো ভাষায় কোনো লেখকের বই অনুবাদ করার সময় কেবলমাত্র বইয়ের বিষয়বস্তু অনুবাদ করা হয়। কখনো লেখকের নাম অনুবাদ করা হয় না। লেখকের নাম অনুবাদ করার এমন অদ্ভূত উদাহরণ ইতিহাসে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না। পৃথিবীর সব দেশের কবি, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী ও দার্শনিকদের নাম অক্ষত রেখে অনুবাদ কর্ম সম্পাদন করা হলেও মুসলিম দার্শনিক ও বিজ্ঞানীদের নাম অক্ষত রাখা হয়নি। আরবী গ্রন্থগুলো ইউরোপীয় ভাষায় অনুবাদ করা হলেও গ্রন্থকারের ল্যাটিন নাম দেখে বুঝার উপায় নেই যে, তারা মুসলমান। প্রত্যেক মুসলমান গ্রন্থকারের নাম আরবীতে লম্বাচুরা হলেও ল্যাটিন ভাষায় তাদের নাম দেয়া হয়েছে একটি মাত্র শব্দে। শুধু ইবনে সিনা, খাওয়ারিজমি, ইবনে বাজ্জাহ, আল-ফরগানি কিংবা আল-ইদ্রিসী নয়, বরং সব মুসলিম বিজ্ঞানীর প্রতি ল্যাটিন ইউরোপ এ অবিচার করেছে।
    মুসলিম বিজ্ঞানীদের শুধু নামের বিকৃতি নয়, খোদ উনাদের পরিচয় নিয়েও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। উনাদের কারো কারো ক্ষেত্রে বলা হচ্ছে, উনারা আদৌ মুসলমান নন, জরোস্ত্রীয় অথবা ইহুদী কিংবা ইউরোপীয়। রসায়নের জনক জাবির ইবনে হাইয়ান এমন এক অপপ্রচারের শিকার। ইউরোপের কোনো কোনো ঐতিহাসিক দাবি করছে, জাবির ইবনে হাইয়ান ছাড়া আরেকজন জাবির ছিলেন। তার নাম ‘জিবার’ এবং এ জিবার হলেন ইউরোপীয়। বীজগণিতের জনক আল-খাওয়ারিজমি সম্পর্কেও অনুরূপ কথা বলা হচ্ছে। কোনো কোনো ঐতিহাসিক তাকে জরোস্ত্রীয় হিসাবে দাবি করছে। খাওয়ারিজমির বিপরীতে আরেকজন ‘খাওয়ারিজমি’র অস্তিত্ব আবিষ্কার করা হয়েছে। বলা হচ্ছে দ্বিতীয় খাওয়ারিজমি হলেন গণিতে প্রথম শূন্য ব্যবহারকারী। পৃথিবীর ব্যাস নির্ণয়কারী আল-ফরগানিও ষড়যন্ত্রের শিকার। উনার পরিচয় নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি করে বলা হচ্ছে, ফরগানি হলেন দু’জন। এমনি আরো কতভাবে বিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদান অস্বীকার অথবা তাদের অবদানকে খাটো করার হীন চক্রান্ত চালানো হচ্ছে তার শেষ নেই। আমরা সবাই একনামে মুসলমান বিজ্ঞানী উনাদের জ্ঞানের বিষয়গুলো নিজেদের নামে চালিয়ে দেয়া তথাকথিত বিজ্ঞানী কোপার্নিকাস, গ্যালিলিও ও নিউটনের মতো ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের চিনি। চিনি না কেবল তাদের গুরু ইবনে বাজ্জাহ, ইবনে রুশদ অথবা নাসিরুদ্দিন তুসিকে। আমরা না চিনলেও ইতিহাস থেকে উনারা হারিয়ে যাবেন না। বিজ্ঞান যতদিন টিকে থাকবে মুসলিম বিজ্ঞানীরাও ততদিন ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে থাকবেন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে