মূর্তি এবং ভাস্কর্যের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।


প্রাণীর প্রতিকৃতি যেকোনো উদ্দেশ্যে তৈরি করা হোক না কেন, সবই মূর্তির অন্তর্ভুক্ত। মূর্তি এবং ভাস্কর্যের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। যারা মূর্তি এবং ভাস্কর্যের মাঝে পার্থক্য করতে চায়, তারা আশাদ্দুদ দরজার জাহিল ও মূর্খ। দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারিভাবে অসংখ্য মূর্তি স্থাপনে একদিকে দেশের বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয়; অপরদিকে ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এই বাংলাদেশকে রহমতশূন্য করা হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
তাই ‘পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না’- এ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো- বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয় রোধ এবং এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান উনাদের পবিত্র ঈমান হিফাযত, রহমত, নাজাত লাভ ও নৈতিক পবিত্রতা রক্ষার্থে দেশের সবস্থান থেকে মূর্তি-ভাস্কর্য বা ম্যানিকিনগুলো অতিসত্বর মিটিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যা প্রকৃতপক্ষে ফরয।
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে