মেয়েদের মাতৃত্বের সময়টা খুবই সংক্ষিপ্ত


মেয়েকে বিয়ে দিতে ইচ্ছুক প্রায় সব বাবা-মাকেই একটা কমন আপত্তি শুনতে হয়, “এতো তাড়াতাড়ির কি আছে?” বলাবাহুল্য যে আপত্তিটা সাধারণত তাঁদের মেয়েরই হয়! আবার বিবাহিতা মেয়েকে সন্তানের প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলেও একই কথা, “এতো তাড়াতাড়ির কি আছে?”

 

এখন সাধারণত মেয়েদের বিয়েই হয় ২৪-২৫ বছর বয়সে। বিয়ের পর পরই বেবি আসুক তা বেশিরভাগই চায়না। সংসার আর একটা ভালো ক্যারিয়ার গোছাতে গোছাতেই বেশ কিছুদিন পার হয়ে যায়। তারপর যখন মনে হয় একটা বেবি থাকলে ভালো হত, তখন দেখা যায় অনেকেরই সেক্ষেত্রে সমস্যা আছে। পরিণতি হল, পারিবারিক অশান্তি, ডাক্তারের কাছে ছুটাছুটি, শারীরিক ও মানসিক কষ্ট; এবং সফলতা যদি আসেও তবুও সিজার ছাড়া উপায় থাকে না।

 

মেয়েদের মাতৃত্বের সময়টা খুবই সংক্ষিপ্ত। একজন গাইনোকলজীস্টের বক্তব্য হল, “সবমেয়েদের ডিম্বানুর পরিমান একই সমান থাকে না। গর্ভে থাকাকালীন ১৮ থেকে ২২ সপ্তাহে এর পরিমান ৭০ হাজার থেকে ৭ লাখ পর্যন্ত থাকতে পারে। যাই থাকুক প্রতিনিয়ত নিজে নিজেই নষ্ট হয়ে যাবার ফলে ৩০ বছর বয়সে মাত্র ১২ শতাংশ টিকে থাকে। আর ৪০ বছর বয়সে তা মাত্র ৩ শতাংশে পৌঁছায়। সুতরাং যার ৭০০০০ দিয়ে শুরু তার অতি অল্প সময়েই ডিম্বানু শেষ হয়ে যাবে। এর সাথে যদি এন্ডোমেট্রিয়োসিস, সিস্ট অপারেশন, এক্টোপিক প্রেগন্যান্সির অপারেশন, পেলভিক ইনফেকশন ইত্যাদি থাকে তাহলে আরও কমে যায়। ফলে অনেকেরই অল্প বয়সে ডিম্বানু শেষ হয়ে যায়। তাই ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের জন্য দেরীতে বিয়ে নয়। কে জানে কার কবে ডিম্বানু শেষ হয়ে যায়?”

Views All Time
2
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে